বাঘ ও গরুর একটি ইসলামিক শিক্ষণীয় গল্প

আল্লাহ যার মালিক তার আর কিসের ভয় , একটি গরু জঙ্গলে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ তাকে একটি বাঘ আক্রমণ করল। গরুটি অনেক্ষন দৌড়ানোর পর উপায় না পেয়ে পুকুরে ঝাপ Continue reading “বাঘ ও গরুর একটি ইসলামিক শিক্ষণীয় গল্প”

স্বামীর পাশ থেকে উঠে স্ত্রী প্রতিদিন রাতে কোথায় যেন যায় (একটি শিক্ষণীয় গল্প)

স্বামীর পাশ থেকে উঠে স্ত্রী প্রতিদিন রাতে কোথায় যেন যায়। এত রাতে কি এমন কাজ থাকতে পারে যে সে প্রতিদিনি এভাবে চলে যায়। স্বামীর মনে চিন্তা ঢুকে গেলো, কি করে সে?তার কি Continue reading “স্বামীর পাশ থেকে উঠে স্ত্রী প্রতিদিন রাতে কোথায় যেন যায় (একটি শিক্ষণীয় গল্প)”

বাচ্চাটার মা কে ?? একটি শিক্ষণীয় ধাঁধা (ছবিসহ), দেখি কে পারে ??

বাচ্চাটার মা কে? ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে দুজন মহিলা পাশাপাশি বসে আছে, এবং মাঝখানে ৩ বছরের একটা শিশু। তাহলে বলুন বাচ্চাটার মা কে? দেখি কে কে পারে? Continue reading “বাচ্চাটার মা কে ?? একটি শিক্ষণীয় ধাঁধা (ছবিসহ), দেখি কে পারে ??”

প্রত্যেকটা মানুষ যদি এমন হতো !! তাহলে দেশটা আর এরকম থাকতো না (শিক্ষণীয় একটি ভিডিও)

প্রত্যেকটা মানুষ যদি এমন হতো !! তাহলে দেশটা আর এরকম থাকতো না। আমাদের প্রত্যেকেরই উচিৎ একে অন্যের বিপদে সাহায্য করা। কারণ বলা তো আর যায় না কবে Continue reading “প্রত্যেকটা মানুষ যদি এমন হতো !! তাহলে দেশটা আর এরকম থাকতো না (শিক্ষণীয় একটি ভিডিও)”

এক ধর্ম যাজক এক মহিলার সাথে কুকর্ম করে তাকে মেরে ফেলার এক ইসলামিক শিক্ষণীয় গল্প

‘এরা হলো শয়তানের মত। সে প্রথমে মানুষকে বলে- কুফরী কর। অতঃপর মানুষ যখন কুফরী করে বসে তখন সে বলে, তোমার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই, আমি তো জগত সমূহের প্রতিপালক আল্লাহকে ভয় করি।’ Continue reading “এক ধর্ম যাজক এক মহিলার সাথে কুকর্ম করে তাকে মেরে ফেলার এক ইসলামিক শিক্ষণীয় গল্প”

এক গর্ভবতী মহিলার গল্প (শিক্ষণীয় ইসলামিক গল্প)

এক গর্ভবতী মহিলা প্রচন্ড গরমে পানির পিপাসায় পানির খোঁজ করতে থাকে..কিন্তু কোথাও পানি পেলেন না..অতপর তিনি ক্লান্ত হয়ে একটি গাছের নিচে আশ্রয় নিলেন..তিনি হঠাৎ দেখতে পেলেন যে গাছটির নিচে Continue reading “এক গর্ভবতী মহিলার গল্প (শিক্ষণীয় ইসলামিক গল্প)”

একটি ইসলামিক শিক্ষণীয় গল্প

এক বিবাহিত যুবক, কঠিন রোগে মৃত্যু শয্যায় তার স্ত্রীকে ডাকলেন।তার চোখ দিয়ে অনুশোচনার অশ্রু ঝরছে।যুবকের স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন,এবং এটিই তাদের প্রথম সন্তান!সে স্ত্রী কে বললো: দেখো,আমি সারা জীবনে নামাজ-রোজা করিনি!আজ মৃত্যু সময়ে ভুল ভেঙ্গে গেছে,কিন্তু আমি নিরুপায় আমার আর কিছু করার সময় সুযোগ হলো না।যদি তোমার গর্ভের সন্তান বেঁচে থাকে,বড় হয় তাহলে তুমি তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিও।শুনেছি সন্তানের উসিলায়ও বাবা মা বেহেশতে যেতে পারেয়ে বললেন,তোমার কথাই রাখবো!

দু দিন পর যুবক মারা গেলেন।এর কয়েক দিন পর তার স্ত্রীর একটি ছেলে জন্ম নিলো!অনেক কষ্টের মাঝে যখন ছেলেটির বয়স ছয় বছর পুর্ণ হলো তার মা তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিলেন!প্রথম দিন মাদ্রাসায় শিক্ষক তাকে একটি আয়াত শিখালেন।আয়াতটি হলো: ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম!(পরম করুনাময় মহান আল্লাহ্ তায়ালার নামে শুরু করছি! )মাদ্রাসা থেকে বাড়ীতে যাওয়ার পর ছেলেকে নিয়ে স্ত্রী স্বামীর কবরের কাছে জিয়ারতে গেলেন!ছেলেকে কবরের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে মা বললেন,ঐ তোমার বাবার কবর।ওখানে গিয়ে তোমার বাবার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবে!(মাদ্রাসায় পড়া শিশুরা প্রায় সব সময় তাদের শিখিয়ে দেয়া আয়াত বা কালাম এমনি এমনি পড়তে থাকে)এত ছোট্ট শিশু কিভাবে দোয়া করতে হয়,কিছুই জানে না।কিন্তু মাদ্রাসায় শিখানো জীবনের প্রথম আয়াতখানা বার বার কবরের সামনে তিলাওয়াত করতে লাগলো।ওই ছোট্ট মুখের তিলাওয়াতের এমন শক্তি,আমার আল্লাহর দরবারে বিনা বাধায় পৌঁছে গেলো।মালিকের রহমতের দরিয়ায় বাঁধভাঙা জোয়ারের ডাক এসে গেলো!মহান আল্লাহ্ তায়ালা আজাবের ফেরেশতাদেরবললেন,এই মুহুর্তে ওই কবরবাসীর কবর আজাব বন্ধ করে দাও!ফেরেশতারা বললোঃ হে দয়াময় পরোয়ারদিগার এই লোকটির আমলনামায় এমন কী পুণ্য পাওয়া গেলো?যে তার জন্য নির্ধারিত কঠিন কবরের আজাব ক্ষমা করে দেয়া হলো?ফেরেশতারা শোনো:কবরের উপরে একটা অবুঝ শিশু বার বার তিলাওয়াত করছে,”বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”!তিলাওয়াতকারী এই কবরবাসীর ওয়ারিশ,তার অবুঝ সন্তান।সে স্বাক্ষী দিচ্ছে আল্লাহ্ রাহমানির রাহিম!-আল্লাহ্ পরম দয়ালু।আমি যদি কবরবাসীকে ক্ষমা না করি,তাহলে আমি কেমন দয়ালু?(সুবহানাল্লাহ)আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার ও আমল করার তৌফিক দান করুন…বাবা মার জন্য বেশি বেশি দোয়া করুন।