রমজানের ৬ষ্ঠ দিনে আল্লাহর বন্ধুত্ব লাভের জন্য এই ছোট্ট দোয়াটি বার বার পড়ুন

আজ রহমতের দশকের ৬স্ঠ দিন। এ দশকে রোজাদার আল্লাহর দরবারে রহমতের অবিরাম ফল্গুধারা খুঁজে বেড়ায়। শুধুমাত্র মহান আল্লাহ তাআলার দয়া ও অনুকম্পা Continue reading “রমজানের ৬ষ্ঠ দিনে আল্লাহর বন্ধুত্ব লাভের জন্য এই ছোট্ট দোয়াটি বার বার পড়ুন”

কিছুক্ষণ পরেই ইফতার ,ইফতারের আগে এই হাদিসটা একবার হলেও পড়ুন

হামযাহ বিন আমর আল আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ)! আমি সফর অবস্থায় ছিয়াম পালনের ক্ষমতা রাখি । ছিয়াম পালন আমার জন্য কি Continue reading “কিছুক্ষণ পরেই ইফতার ,ইফতারের আগে এই হাদিসটা একবার হলেও পড়ুন”

ইফতারের আগে যে দোয়াটি বার বার পড়বেন, একবার হলেও এই ছোট্ট দোআটি পড়ুন

ইফতারের আগ মুহূর্তে বেশি বেশি ইসতেগফার পড়া اَسْتَغْفِرُ اللهَ الْعَظِيْم – اَلَّذِىْ لَا اِلَهَ اِلَّا هُوَ اَلْحَيُّ الْقَيُّوْمُ وَ اَتُوْبُ اِلَيْهِ لَا حَوْلَ وَ لَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِىِّ الْعَظِيْم আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম, আল্লাজি লা ইলাহা Continue reading “ইফতারের আগে যে দোয়াটি বার বার পড়বেন, একবার হলেও এই ছোট্ট দোআটি পড়ুন”

আপনার সন্তান আপনার কাছে প্রিয়,তাই সন্তানের যে কোনো বিপদ থেকে রক্ষা করতে এই দোআটি পড়ুন

সবার কাছেই সব থেকে প্রিয় হচ্ছে তার সন্তান। সন্তান যেন ভালো থাকেন সেই জন্য মা-বাবা কত কিছুই না করে থাকেন। মা-বাবার যদি সাধ্য থাকতো তাহলে তারা নিজের Continue reading “আপনার সন্তান আপনার কাছে প্রিয়,তাই সন্তানের যে কোনো বিপদ থেকে রক্ষা করতে এই দোআটি পড়ুন”

ছোট্ট কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা দুয়া একবার হলেও পড়ুন

আল্লাহ যখন কারো ভালো করতে চান তখন তাকে অনেক টাকা পয়সা, ভালো স্বামী বা স্ত্রী, দামী গাড়ি দেননা। যদিও আমরা এইগুলোকেই কল্যানের বিষয় মনে করি। পার্থিব সুখ Continue reading “ছোট্ট কিন্তু খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা দুয়া একবার হলেও পড়ুন”

পুত্র সন্তান লাভের জন্য এই দোয়া টি বার বার পড়ুন

শিশু মারিয়ামের উপরোক্ত কথা থেকেই নিঃসন্তান বৃদ্ধ যাকারিয়ার মনের কোণে আশার সঞ্চার হয় এবং চিন্তা করেন যে, যিনি ফলের মৌসুম ছাড়াই মারিয়ামকে তাজা ফল সরবরাহ করেছেন, নিশ্চয়ই তিনি বৃদ্ধ দম্পতিকে Continue reading “পুত্র সন্তান লাভের জন্য এই দোয়া টি বার বার পড়ুন”

হযরত ইসমাঈল(আ) তার মা কে মক্কার বিজন ভূমিতে রেখে আসার বাকি ইতিহাস পড়ুন

এই কিতাবে আপনি ইসমাঈলের কথা বর্ণনা করুন। তিনি ছিলেন ওয়াদা রক্ষায় সত্যাশ্রয়ী এবং তিনি ছিলেন রাসূল ও নবী’। ‘তিনি তাঁর পরিবারবর্গকে ছালাত ও যাকাত আদায়ের নির্দেশ দিতেন এবং তিনি স্বীয় Continue reading “হযরত ইসমাঈল(আ) তার মা কে মক্কার বিজন ভূমিতে রেখে আসার বাকি ইতিহাস পড়ুন”

কবরের আযাব থেকে বাঁচতে চান? নবীজি(সা) ও বুড়ি মায়ের এই ঘটনাটি অবশ্যই পড়ুন

কবরের আযাব – নবীজি সাঃ অনেকগুলো কবর দেখলেন । খুশী হলেন । শেষমেশ একটা কবরের সামনে গেলেন। উনার চেহারা মুবারকে ঘাম দেখা দিল । তিনি অস্হির হয়ে পড়লেন। দুঃচিন্তায় চেহারা কালো হয়ে উঠল। হয়রান পেরেশান হয়ে গেলেন তিনি।

একজন সাহাবী (রাঃ) উনার অবস্হা দেখে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এত পেরেশান কেন ?

‘হায়, হায়’ ! তিনি অস্হির হয়ে বললেন, ‘এই কবরের বাসিন্দার উপর ভয়ানক আযাব হচ্ছে । এমনই শাস্তি যা ভাষায় বলা যায় না । আহা ! এই ব্যক্তির কি উপায় ?’

বলে তিনি কবরে হাত মুবারক রেখে দোয়া করলেন । কিন্তু চেহারায় প্রশান্তি এলো না ।

তিনি বললেন, ‘দোয়া কবুল হচ্ছে না । কোন রহস্যময় কারণে । সাংঘাতিক বড় পাপ করেছে সে ।’

হুজুর (সাঃ) এর উপর অস্হিরতা বেড়েই চললো । তিনি বললেন, ‘ আমার উম্মতের উপর এমন কঠিন শাস্তি হচ্ছে আর আমি বাড়ী গিয়ে ঘুমাবো ?

তিনি একজন সাথীকে ডেকে বললেন, ‘যাও, মদীনার বাজারে । সেখানে আওয়াজ দিয়ে ডাকো যাদের আত্নীয়ের কবর এখানে রয়েছে । ‘

তারা এলো ।

তাদেরকে নিজ নিজ আত্নীয়ের কবরে দাড়াতে বললেন ।

সবাই দাড়ালো ।

কিন্তু আশ্চর্য্য ! ওই কবরের পাশে কেউ দাড়ালো না ।

বেদনায় নীল হয়ে গেলেন হুজুর (সাঃ) । অনেক পরে এলো এক বুড়ি । ধীর পায়ে । লাঠিতে ভর দিয়ে । তিনি দাড়ালেন সেই কবরের পাশে ।

হুজুরের পাক (সাঃ) স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন । তারপর বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এটা কার কবর ?’

‘আমার ছেলের ।’ বৃদ্ধা বললেন ।

‘আপনার ছেলের কবরে ভয়ানক শাস্তি হচ্ছে ।’

‘ইয়া রাসূলূল্লাহ ! এটা কি সত্যি ?’

‘সত্যিই ‘ ।

‘শুনে আমি খুব খূশী হলাম ।’

‘আল্লাহ মাফ করুন ! আপনি এ কি বলছেন মা ?’ সে আপনার সন্তান !’

শুনুন তাহলে, হে আল্লাহর রসূল ! এই বাচ্চা যখন আমার পেটে তখন তার বাবা মারা যায় । সে পৃথিবীর মুখ দেখল । তার কেউ ছিলো না । আমি নিদারুণ কষ্ট করে তাকে বড় করে তুললাম । তিল তিল করে । সে বিয়ে করল । স্ত্রীকে পেয়ে সে ভূলে গেল আমাকে । একদিন তার ভালোবাসার বউ কানে কানে কি যেন বলল । ছেলে রাগে অধীর হয়ে মারতে শুরু করল আমাকে । ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেলাম আমি । জ্ঞান হারালাম ।

হুশ ফিরলে আমি প্রার্থনা করলাম , প্রভুর দরবারে । দু’হাত তুলে । বললাম, ‘হে আল্লাহ ! তাকে কবরে শাস্তি দাও । অনন্ত কাল ধরে । দুনিয়াতে দিওনা । চোখের সামনে ছেলের কষ্ট সহ্য করতে পারব না । ‘

‘হে আল্লাহর রাসূল ! আমি এখন এজন্য খূশী যে আমার দোয়া কবূল হয়েছে । ‘

হুজুর (সাঃ) অত্যাচারিতা সরল প্রাণ এই বৃদ্ধার কথা শুনে চোখের পানি চেপে রাখতে পারলেন না । উনার মুক্তার মতো অশ্রু , গাল বেয়ে ফোটায় ফোটায় পড়তে লাগল ।

খানিকপর নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, ‘হে বৃদ্ধা মা ! তুমি তোমার ছেলেকে ক্ষমা করো । সে ভয়াবহ শাস্তি পাচ্ছে । ‘

বৃদ্ধা বললেন, ‘হে রাসূলূল্লাহ ! অন্য কিছু বলুন । ছেলেকে ক্ষমা করব না আমি ।’

নিরুপায় হয়ে হুজুর (সাঃ) আকাশের দিকে মূখ তূললেন । কাতর স্বরে বললেন, ‘হে আল্লাহ ! এই বৃদ্ধাকে কবরের শাস্তি দেখাও ।’

চোখের পলকে ঘটনা ঘটল ।

বৃদ্ধার চোখ বিস্ফোরিত হলো । সে প্রাণ ফাটা চিৎকার করে বেহুশ হয়ে গেল ।

খানিক পর ।জ্ঞান ফিরল বৃদ্ধার । থর থর করে কাপছেন তিনি । তীর খাওয়া কবুতরের মত ।

তিনি বললেন, ‘ওগো খোদা ! কবরের আযাব কি এমন ভীষণ ! এমন ভয়ানক ! ছেলের পুরো শরীর থেকে চামড়া উঠিয়ে নেয়া হয়েছে । তাকে মুগুর পেটা করা হচ্ছে । হে আল্লাহর রাসূল ! আমি তাকে ক্ষমা করলাম । আপনি দোয়া করুন । সে যেন মুক্তি পায় । ‘

হুজুর (সাঃ) হাত উঠালেন ।

দোয়া শেষ । উনার চেহারা উজ্জ্বল ।

প্রকৃতিতে, আকাশে বাতাসে নেমে এল সুমহান সমাহিত পরিবেশ ।

গভীর প্রশান্তি – দয়াল নবীর চেহারা মুবারকে । চারদিকে শান্তির ছায়া।(আমীন)