যে আয়াত গুলো পাঠ করে পানিতে ফু দিয়ে পান করলে যেকোনো ধরণের রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন

কুরআন মানুষের কল্যাণে নাজিল হয়েছে। মানুষের জবীবনে এমন কিছু নেই যা কুরআনের আলোচনায় আসেনি। এ কুরআনে এমন কিছু আয়াত আছে যেগুলো বিভিন্ন রোগ-ব্যাধির জন্য শিফা স্বরূপ। তাই এ সব আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে রোগ থেকে মুক্তি চাওয়া উচিৎ। রোগ থেকে মুক্তি লাভে পূর্ব শর্ত হচ্ছে আল্লাহর বিধানকে জানা এবং যথাযথ মানার পাশাপাশি পূর্ণ আস্থা এবং বিশ্বাস রাখা। রোগ-ব্যাধি থেকে শিফা লাভে কয়েকটি আয়াত তুলে ধরা হলো-

ক. বিসমিল্লাহরসহ সুরা ফাতিহা তিলাওয়াত
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ – الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ – مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ – إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ – اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ – صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ – اَمِيْن – খ. সূরা তাওবার ১৪নং আয়াত وَيَشْفِ صُدُورَ قَوْمٍ مُؤْمِنِينَ উচ্চারণ- ওয়া ইয়াশফি ছুদু-রা ক্বাওমিম মু’মিনি-ন। অর্থ : এবং মু’মিনদের (মুসলমানদের) অন্তরসমূহ শান্ত করে দেন। গ. সুরা ইউনুসের ৫৭নং আয়াত وَشِفَاءٌ لِمَا فِي الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ উচ্চারণ : ওয়া শিফাউ’ল লিমা- ফিচ্ছুদু-রি ওয়া হুদাও ওয়া রাহমাতুল লিল মু’মিনি-ন। অর্থ : এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য। ঘ. সুরা নহলের ৬৯ নং আয়াত يَخْرُجُ مِنْ بُطُونِهَا شَرَابٌ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِلنَّاسِ
উচ্চারণ : ইয়াখরুঝু মিমবুতু-নিহা- শারা-বুম মুখতালিফুন, আলওয়ানুহু- ফি-হি শিফা-উ লিন্না-সি। অর্থ : তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। ঙ. সুরা শুআরার ৮০ নং আয়াত وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ উচ্চারণ : ওয়া ইজা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফি-নি। অর্থ : যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন। চ. সুরা বনি ইসরাঈলের ৮২নং আয়াত وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ উচ্চারণ : ওয়া নুনাজ্জিলু মিনাল ক্বুরআ’নি মা হুয়া শিফাউও ওয়া রাহমাতিুল লিলমু’মিনি-ন। অর্থ : আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। উপরোল্লিখিত আয়াতগুলো একবার তিলাওয়াত করে একটি পানিভর্তি পাত্রে দম করে পানিটি পান করলে আল্লাহ তাআলা জটিল ও কঠিন রোগ থেকে তার বান্দাদের হিফাজত করবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কুরআনি আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

জাগো নিউজ ২৪ ডট কম থেকে সংগৃহিত

মৃত্যুর পরে সওয়াব বন্ধ হয় এমন কথা ভুল, মৃত্যুর পরেও আপনি সওয়াব পেতে পারেন যেভাবে

মানুষের মৃত্যূর সাথে সাথে তার আমল করার পথ বন্ধ হয়ে যায়। তার পক্ষে মসজিদে যাওয়া,হজ্জ করা,দান খয়রাত করাসহ কোন ধরণের ইবাদাত বন্দেগী করা সম্ভব হয়না। দুনিয়ার জীবনে কৃত আমলের ভিত্তিতে Continue reading “মৃত্যুর পরে সওয়াব বন্ধ হয় এমন কথা ভুল, মৃত্যুর পরেও আপনি সওয়াব পেতে পারেন যেভাবে”

আল্লাহ পাকের সাড়া পেতে দোয়াটি তিনবার পাঠ করুন !

মহান আল্লাহ পাক কোন দোয়াটি পাঠ করলে কঠিন বিপদ থেকে মুক্তি দেবেন আপনি জানেন কি? আসলে অতন্ত সহজ এই দোয়াটি আমরা মুসলমানেরা সকলেই জানি। শুধু জানিনা এর ফজিলত। তাই আজ ওই Continue reading “আল্লাহ পাকের সাড়া পেতে দোয়াটি তিনবার পাঠ করুন !”

প্লাস্টিকের বোতলে ওঁত পেতে মৃত্যু! পানি খাবার আগে এটি দেখে নিন..

দাদা দাদুদের আমলের মাটির জলের কুঁজো, কলসি অনেকদিন আগেই বিদায় নিয়েছে। তাঁর জায়গা করে নিয়েছে রঙিন চকচকে প্লাস্টিকের বোতল। ফ্রিজে ঠাণ্ডা পানি রাখাই হোক, বা ডাইনিং টেবিলে অথবা অফিস ডেস্কে। তেষ্টা মেটাতে হাজির প্লাস্টিকের বোতল। সর্বত্র। প্লাস্টিকের বোতলে পানি অথবা নরম পানীয় কিনে পান করছি। ফাঁকা হওয়ার পরেই সেই বোতল ফেলছি না।

বরং পানি পান করার জন্য সেই বোতলই ব্যবহার শুরু করছি নতুন করে।পথ চলতে অনেকেই আবার একটি পানি ভর্তি বোতল সঙ্গে রাখি। সারাদিন অসংখ্যবার যখনই গলা শুকিয়ে গেলে তখনই ছিপি খুলে প্লাস্টিক বোতলের পানি ঢকঢক গলায়। তৃপ্তির আহ! কিন্তু এইসব প্লাস্টিকের বোতলে ওঁত পেতে আছে সাক্ষাৎ মৃত্যু!

চিকিৎসকেরাও বলছেন, পানীয় পানি বা নরম পানীয়ের এই ধরনের প্লাস্টিকের বোতলে পানি  ভরে বার বার খাওয়া মানুষের শরীরের জন্য যথেষ্টই ক্ষতিকারক। নরম পানীয় বা প্যাকেজড ড্রিঙ্কিং ওয়াটারের বোতলগুলির ফাঁকা হওয়ার পরে সেগুলি নষ্ট করে দেওয়ার কথা বোতলের গায়েই লেখা থাকে। কার্যক্ষেত্রে আমরা করি ঠিক উল্টোটা।

দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রধান চিকিৎসক গৌতম ঘোষের কথায়, যত সময় যায়, এই ধরনের বোতলগুলির প্লাস্টিকের সঙ্গে জলের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। একে বলা হয় ‘লিচিং’। এতে প্লাস্টিকের মধ্যে মিশে থাকা রাসায়নিক অংশ পানির সঙ্গে মিশতে থাকে। আর সেই পানি পান করেন মানুষ। সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ না পাওয়া গেলেও এই লিচিং-এর ফলে মানুষের দেহে ক্যানসারের মতো রোগ হওয়ার আশঙ্কাও পুরোপুরি অমূলক নয় বলেই মত গৌত্মবাবুর।

শুধু পুরনো প্লাস্টিকের বোতলে পানি পান করার ক্ষেত্রেই নয়, বরং নতুন পানির বোতল কেনার সময়ও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের পরামর্শ, রোদে বা খোলা জায়গা রাখা পানির বোতল না কিনে দোকানের ভিতরে রাখা রয়েছে, এমন পানির বোতল কেনাই শ্রেয়। কারণ নতুন জলের বোতল হলেও একটানা রোদ লাগার ফলে সেই বোতলের ভিতরেও লিচিং বা রাসায়নিক বিক্রিয়ার আশঙ্কা থাকে। বোতলের গায়ে আইএসআই ছাপ রয়েছে কি না, তাও দেখে নেওয়া উচিত।

এইসব বোতলের নীচের দিকে একটা ত্রিকোণাকার ক্ষেত্রের মধ্যে বিভিন্ন সংখ্যা (১,২ বা ৩ ইত্যাদি) লেখা থাকে। এটা কোড। ওই সংখ্যাগুলি, ওই নির্দিষ্ট বোতলটি কী পদার্থ দিয়ে তৈরি আর কত দিনই বা তা ব্যবহার করা যায়, সেটা জানায়। তাই ব্যবহারের আগে দেখে নিন আপনার বোতল কতটা নিরাপদ। প্রতি বোতলের নীচে এই কোড থাকা বাধ্যতামূলক।

ক) ত্রিভূজের মধ্যে ‘১’ লেখা থাকলে- এই ধরণের প্লাস্টিককে PETE বা PET বলে। এই উপাদান দিয়ে তৈরি বোতলে সোডা বা পানি বিক্রি হয়। সাধারণভাবে পরিষ্কার হয় এই ধরনের বোতল। এগুলোকে এমনিতে নিরাপদ মনে করা হলেও যেহেতু এতে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হওয়ার সুযোগ থাকে, তাই এই পদার্থ দিয়ে তৈরি বোতল পুনর্ব্যবহার না করাই ভালো।

খ) ত্রিভূজের মধ্যে ২ লেখা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিককে HDPE বলে। এগুলো বেশি ঘনত্বের প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। সাধারণভাবে ডিটারজেন্ট ও জুসের বোতল বা মাখনের কৌটোতে এই প্লাস্টিক ব্যবহার হয়। এ ধরনের বোতল নিরাপদ এবং ক্ষতির সম্ভবনা কম।

গ) ত্রিভূজের মধ্যে ৩ লেখা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিককে PVC বলে। এ গুলি খুবই কঠিন হয়। রান্নার তেলের বোতল, খাবারের ঢাকনা, পানির পাইপ তৈরিতে ব্যবহার হয়। এ গুলো শরীরের পক্ষ ভালো নয়।

ঘ) ত্রিভূজের মধ্যে ৪ লেখা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিককে LDPE বলে। মুদিখানার ব্যাগ, কিছু খাবারের প্যাকেটে এ গুলি ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের প্লাস্টিক ব্যবহারের জন্য নিরাপদ।

ঙ) ত্রিভূজের মধ্যে ৫ লেখা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিককে PP বলে। এই উপাদান খুবই নিরাপদ এবং ব্যবহারযোগ্য।

চ) ত্রিভূজের মধ্যে ৬ এবং ৭ লেখা থাকলে- এই ধরনের প্লাস্টিক খুবই ক্ষতিকারক নিত্য ব্যবহারের জন্য। এ গুলি একেবারেই রিসাইকেল করা যায় না।

স্থায়ীভাবে ফর্সা ত্বক পেতে বেসন দিয়ে বানানো এই ফেস মাস্কগুলি ব্যবহার করুন

কেমিকেল মিশ্রিত কসমেটিক্স ব্যবহার করে ফর্সা হওয়া তো সম্ভব। কিন্তু এমনটা করতে গিয়ে ত্বকের যে বারোটা বেজে যায়, সে বিষয়ে কখনও ভেবে দেখেছেন? তাই একান্তই যদি স্কিন টোনের উন্নতি ঘটাতে চান, তাহলে বন্ধ করুন ফেয়ারনেস ক্রিমের ব্যবহার।

পরিবর্তে কাজে লাগাতে শুরু করুন বেসনকে। তাহলেই দেখবেন ত্বকের কোনও ক্ষতি ছাড়াই ধীরে ধীরে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ত্বক হয়ে উঠবে তুলতুলে এবং প্রাণবন্ত। এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে কাজে লাগাতে হবে বেসনকে? ত্বকের পরিচর্যায় সরাসরি বেসনের ব্যবহার সম্ভব নয়। তাই বেসনের সঙ্গে নানাবিধ প্রকৃতিক উপদানকে মিশিয়ে একটা ফেস প্যাক বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেটি লাগাতে হবে মুখে।

এইভাবে নিয়মিত যদি ত্বকের দেখভাল করতে পারেন, তাহলে সুন্দর ত্বকের অধিকারি হয়ে উঠতে দেখবেন সময় লাগবে না। সেই সঙ্গে ত্বকের উপর যেমন সূর্যের ক্ষতিকারক প্রভাব কম পরবে, তেমনি নানাবিধ ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যাবে কমে। তাহলে আর অপেক্ষা কেন, চলুন বেসনকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানো সম্ভব, সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১. বেসন এবং ভাতের ফ্যান:

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ভাতের ফ্যানের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আর যদি বেসনের সঙ্গে এই উপাদানটি মিশিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই! সেক্ষেত্রে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে সময়ই লাগে না। এক্ষেত্রে ২ চামচ বেসনের সঙ্গে পরিমাণ মতো ভাতের ফ্যান মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন।

তারপর ১০ মিনিট অপেক্ষা করে মিশ্রনটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন মুখটা। এইভাবে সপ্তাহে কম করে ৩-৪ দিন ত্বকের পরিচর্যা করলেই দেখবেন সুফল মিলতে শুরু করেছে।

২. বেসন এবং দই:

দইয়ে উপস্থিত ল্যাকটিক অ্যাসিড, ত্বকের উপরিংশে জমতে থাকা মৃত কোষের স্থরকে সরিয়ে ফেলে। আর যখন দইকে বেসনের সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগানো হয়, তখন স্কিন টোনের উন্নতি তো ঘটেই, সেই সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পেতেও সময় লাগে না।

এক্ষেত্রে ২ চামচ দইয়ের সঙ্গে ২ চামচ বেসন মিশিয়ে একটি মিশ্রন বানিয়ে নিতে হবে। তারপর তা মুখে লাগিয়ে কম করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে ভাল করে মুখটা ধুয়ে নিয়ে অল্প পরিমাণে মসেশ্চারাইজিং ক্রমি লাগিয়ে নিতে হবে মুখে।

৩. বেসন এবং মধু:

কালো ছোপ ছোপ দাগ কমিয়ে ফেলার পাশাপাশি ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরিয়ে আনতে এবং স্কিনের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই ফেস প্যাকটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চসে। এই প্যাকটি বানাতে প্রয়োজন পরবে ১ চামচ মধু এবং ২ চামচ ময়দার।

এই দুটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে বানানো পেস্ট মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। যখন দেখবেন পেস্টটা একেবারে শুকিয়ে গেছে, তখন ঠান্ডা জল দিয়ে ভাল করে মুখটা ধুয়ে, পছন্দের কোনও সিরাম মুখে লাগিয়ে নিতে হবে।

৪. ময়দা এবং ডিমের কুসুম অংশ:

ডিমের অন্দরে উপস্থিত প্রোটিন এবং উপকারি অ্যামাইনো অ্যাসিড ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করে এত মাত্রায় পুষ্টির ঘাটতি দূর করে যে, যে কোনও ধরনের দাগ মিলিয়ে যেতে সময় লাগে না। আর যখন ডিমকে বেসনের সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকের পরিচর্যায় কাজে লাগানো হয়, তখন আরও বেশি উপকার পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে স্কিন সেলের উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।

এখন প্রশ্ন হল কীভাবে বানাতে হবে এই ফেস প্যাকটি? একটা ডিমের কুসুম সংগ্রহ করে ভাল করে তা ফেটিয়ে নিতে হবে। তারপর তাতে ১ চামচ বেসন মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর একটি ব্রাশের সাহায্যে এই মিশ্রনটি ভাল করে লাগিয়ে ফেলতে হবে সারা মুখে। ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা।

৫. বেসন এবং পেঁপে:

পরিমাণ মতো পেঁপে নিয়ে তাতে ২-৩ চামচ ময়দা মিশিয়ে বানাতে হবে এই ফেস মাস্কটি। পেস্টটি বানানো হয়ে গেলে সারা মুখে ভাল করে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা। এই ফেস মাস্কটিকে কাজে লাগালে ত্বকের অন্দরে বিটা-হাইড্রক্সি অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়তে শুরু করবে। ফলে যে কোনও ধরনের দাগ মিলিয়ে যেতে সময় লাগবে না। সেই সঙ্গে ডার্ক সার্কেল কমবে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

৬. ময়দা এবং হলুদ:

ব্রণর প্রকোপ কামনোর পাশাপাশি ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি নানাবিধ স্কিন ডিজিজকে দূরে রাখতে এই ফেল মাস্কটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই অল্প দিনেই যদি সুন্দর ত্বক পেতে চান, তাহলে সম পরিমাণে বেসন, হলুদ এবং গোলাপ জল মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন মুখটা। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে ৩-৪ দিন যদি এই ঘরোয়া টোটকাটিকে কাজে লাগাতে পারেন, তাহলেই দেখবেন কেল্লাফতে!