জিন ও শয়তানের ক্ষতি থেকে বাঁচতে এই আয়াত গুলো বেশি বেশি পাঠ করুন

জিন ও শয়তান মানুষের চির শত্রু। আদিকাল থেকেই মানুষের ক্ষতি করে আসছে এই দুই প্রজাতি। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দুইভাবেই এরা মানুষের উপর চড়াও হয়। রাতের বেলা ভয় দেখানো, আছর করে রোগাক্রান্ত করা Continue reading “জিন ও শয়তানের ক্ষতি থেকে বাঁচতে এই আয়াত গুলো বেশি বেশি পাঠ করুন”

অভাব অনটন থেকে নিজেকে হেফাজত রাখতে যে আমল গুলো বেশি বেশি করবেন

কথায় আছে, অভাবে স্বভাব নষ্ট। কিন্তু অভাব হলেই যে স্বভাব নষ্ট করতে হবে, তা আমাদের ইসলাম ধর্মে কখনই বলে নাই। বরং অনেক অভাব অনটনেও ধৈর্য রেখে নিজেকে সামলে নিতে হবে। যত প্রতিকূল Continue reading “অভাব অনটন থেকে নিজেকে হেফাজত রাখতে যে আমল গুলো বেশি বেশি করবেন”

যে আয়াত গুলো পাঠ করে পানিতে ফু দিয়ে পান করলে যেকোনো ধরণের রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন

কুরআন মানুষের কল্যাণে নাজিল হয়েছে। মানুষের জবীবনে এমন কিছু নেই যা কুরআনের আলোচনায় আসেনি। এ কুরআনে এমন কিছু আয়াত আছে যেগুলো বিভিন্ন রোগ-ব্যাধির জন্য শিফা স্বরূপ। তাই এ সব আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে রোগ থেকে মুক্তি চাওয়া উচিৎ। রোগ থেকে মুক্তি লাভে পূর্ব শর্ত হচ্ছে আল্লাহর বিধানকে জানা এবং যথাযথ মানার পাশাপাশি পূর্ণ আস্থা এবং বিশ্বাস রাখা। রোগ-ব্যাধি থেকে শিফা লাভে কয়েকটি আয়াত তুলে ধরা হলো-

ক. বিসমিল্লাহরসহ সুরা ফাতিহা তিলাওয়াত
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ – الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ – مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ – إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ – اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ – صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ – اَمِيْن – খ. সূরা তাওবার ১৪নং আয়াত وَيَشْفِ صُدُورَ قَوْمٍ مُؤْمِنِينَ উচ্চারণ- ওয়া ইয়াশফি ছুদু-রা ক্বাওমিম মু’মিনি-ন। অর্থ : এবং মু’মিনদের (মুসলমানদের) অন্তরসমূহ শান্ত করে দেন। গ. সুরা ইউনুসের ৫৭নং আয়াত وَشِفَاءٌ لِمَا فِي الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ উচ্চারণ : ওয়া শিফাউ’ল লিমা- ফিচ্ছুদু-রি ওয়া হুদাও ওয়া রাহমাতুল লিল মু’মিনি-ন। অর্থ : এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য। ঘ. সুরা নহলের ৬৯ নং আয়াত يَخْرُجُ مِنْ بُطُونِهَا شَرَابٌ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِلنَّاسِ
উচ্চারণ : ইয়াখরুঝু মিমবুতু-নিহা- শারা-বুম মুখতালিফুন, আলওয়ানুহু- ফি-হি শিফা-উ লিন্না-সি। অর্থ : তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। ঙ. সুরা শুআরার ৮০ নং আয়াত وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ উচ্চারণ : ওয়া ইজা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফি-নি। অর্থ : যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন। চ. সুরা বনি ইসরাঈলের ৮২নং আয়াত وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ উচ্চারণ : ওয়া নুনাজ্জিলু মিনাল ক্বুরআ’নি মা হুয়া শিফাউও ওয়া রাহমাতিুল লিলমু’মিনি-ন। অর্থ : আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। উপরোল্লিখিত আয়াতগুলো একবার তিলাওয়াত করে একটি পানিভর্তি পাত্রে দম করে পানিটি পান করলে আল্লাহ তাআলা জটিল ও কঠিন রোগ থেকে তার বান্দাদের হিফাজত করবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কুরআনি আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

জাগো নিউজ ২৪ ডট কম থেকে সংগৃহিত

আল্লাহ পাকের সাড়া পেতে দোয়াটি তিনবার পাঠ করুন !

মহান আল্লাহ পাক কোন দোয়াটি পাঠ করলে কঠিন বিপদ থেকে মুক্তি দেবেন আপনি জানেন কি? আসলে অতন্ত সহজ এই দোয়াটি আমরা মুসলমানেরা সকলেই জানি। শুধু জানিনা এর ফজিলত। তাই আজ ওই Continue reading “আল্লাহ পাকের সাড়া পেতে দোয়াটি তিনবার পাঠ করুন !”

যে আয়াত পাঠ করলে ঘরে দারিদ্রতা প্রবেশ করে না !

মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরআন মানব জীবনের সকল সমস্যার সমাধান দিতে পারেন ।পবিত্র কোরআনের সূরাহ বাকারায় এমন একটি আয়াত রয়েছে যেটি নিয়মিত পাঠ করলে ঘরে দারিদ্রতা প্রবেশ করতে পারে না।

দেখে নিন আয়াতটির (আয়াতুল কুরসি) আরবি উচ্চারণ:
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺎَﻟ َ ﻮُﻫ ﺎَّﻟِﺇ َ ﻪَﻟِﺇ ُّ ﻲَﺤْﻟﺍ ُ ﻡﻮُّﻴَﻘْﻟﺍ
ﺎَﻟ ٌ ﺔَﻨِﺳ ُ ﻩُﺬُﺧْﺄَﺗ
ﺎَﻟَﻭ ُ ﻪَﻟ ٌ ﻡْﻮَﻧ
ﺎَﻣ ﻲِﻓ ِ ﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ﺎَﻣَﻭ ﻲِﻓ ْ ﻦَﻣ ِ ﺽْﺭَﺄْﻟﺍ ﺍَﺫ ﻱِﺬَّﻟﺍ
ﻳَﺸْﻔَﻊُ ُ ﻩَﺪْﻨِﻋ
ﺑِﺈِﺫْﻧِﻪِ ﺎَّﻟِﺇ ُ ﻢَﻠْﻌَﻳ ﺎَﻣ ْ ﻢِﻬﻳِﺪْﻳَﺃ َ ﻦْﻴَﺑ ْ ﻢُﻬَﻔْﻠَﺧ ﺎَﻣَﻭ ﺎَﻟَﻭ
ﻳُﺤِﻴﻄُﻮﻥَ
ﺑِﺸَﻲْﺀٍ ِ ﻪِﻤْﻠِﻋ ْ ﻦِﻣ ﺎَّﻟِﺇ َ ﺀﺎَﺷ ﺎَﻤِﺑ َ ﻊِﺳَﻭ ُ ﻪُّﻴِﺳْﺮُﻛ
ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﻭَﺍﺕِ
ﻭَﺍﻟْﺄَﺭْﺽَ ﺎَﻟَﻭ ﺎَﻤُﻬُﻈْﻔِﺣ ُ ﻩُﺩﻮُﺌَﻳ َ ﻮُﻫَﻭ ُّ ﻲِﻠَﻌْﻟﺍ
ﺍﻟْﻌَﻈِﻴﻢُ
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহু লাইলাহা ইল্লাহুওয়াল হাইয়্যুল ক্বইউম, লাতা’খুযুহু সিনাতুওঁ ওয়ালা নাওম, লাহু মাফিস্* সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরয। মানযাল্লাযি ইয়াশ্*ফাউ ইন্*দাহু ইল্লা বিইযনিহ। ইয়ালামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহীতূনা বিশাইয়িম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমাশাআ ওয়াসিয়া কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরযা, ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা ওয়াহুওয়াল আলিয়্যুল আযীম। (সূরা বাকারঃ ২৫৫)

আয়াতটির ফজিলত:
১. এই দোয়া পড়ে বাড়ি থেকে বের হলে ৭০ হাজার ফেরেস্তা চারদিক থেকে রক্ষা করে।
২. নিয়মিত আয়াতুল কুরসি পড়লে ঘরে দারিদ্রতা প্রবেশ করতে পারেনা।
৩. দোয়টি পড়ে ঘুমাতে গেলে সারারাত একজন ফেরেস্তা তাকে পাহারা দেন।
৪. ফরজ নামাযের পর আয়াতুল কুরসি পড়লে তার আর বেহেস্তের মধ্য তার যে দূরত্ব থাকে সেটি হলো মৃত্যু।
৫. ওজু করার পরে এই দোয়া পড়লে আল্লাহর নিকট ৭০ গুন মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
৬. আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে কবরের আযাব কমে যায়।

কোন সূরা পাঠ করলে আল্লাহ্ তায়ালা মনের বাসনা পূর্ণ করেন

বিত্র কুরআন শরীফে ১১৪ টি সুরা আছে। প্রতিটি সুরার আছে স্পেশাল কিছু বিশিষ্ট। নিচে এমন একটি সুরার বর্ণনা দেওয়া হলো যার ফজিলত অপরিসীম;।

আবু সোলায়মান দারানী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন প্রার্থনা করতে চায়, তার উচিত, প্রথম দরূদ পাঠ করা এবং দরূদ দ্বারা

দোয়া শেষ করা কেননা, আল্লাহ উভয় দরূদ কবুল করেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। আল্লাহর

শান এরূপ নয় যে, কেউ তার কাছে দুইটি জিনিস চাইলে একটি পূর্ণ করবেন এবং অপরটি করবেন না। সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ

করে আল্লাহ্’র দরবারে দোয়া করলে আল্লাহ্ নেক আশা পূর্ন করেন।

যে ব্যক্তি দৈনিক এশার নামাজ পর এই পাক নামটি ইয়া জাহিরু ১০০বার পাঠ করে তার মনের সকল নেক বাসনা পূর্ণ হয়।

১ কোটি নেকি মিলবে ছোট্ট এই দোয়াটি পাঠ করলেই !

ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান। মু’মীনের জন্য কিছু জিনিস হারাম করা হয়েছে আর বাকি সব কিছু হালাল বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তাকে হিতাহিত জ্ঞান দিয়ে বলা হয়েছে, নির্দেষ মানলে চিরস্থায়ী জান্নাত আর অবাধ্য হলে জাহান্নাম। ছোট্ট এই দোয়াটি পাঠ করলেই মিলবে ১ কোটি নেকি।

মু’মীনের জন্য জান্নাত লাভ আরো সহজ করতে আল্লাহ তা’য়ালা বেশ কিছু দোয়ার ব্যবস্থা করেছেন, যা আমল করলে অনেক অনেক নেকি লাভ হয়। আজ আমরা আপনার সামনে একটি বিশেষ দোয়া উপস্থাপন করব।ছোট্ট এই দোয়াটি একবার পাঠ করলে মহান রাব্বুল আলামীন ২০ লাখ নেকি দিয়ে থাকেন। আর দোয়াটি দৈনিক ৫ বার নামাজের পর একবার করে আমল করে আপনি পেতে পারেন ১ কোটি নেকি।
এবার জেনে নেয়া যাক দোয়াটি- ‌‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু আহাদান সামাদান লাম্ইয়ালিদ ওয়া লাম্ইউলাদ ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুয়ান আহাদ’।আপনি নিজে আমল করুন এবং অপর ভাইকেও আমল করাতে বলুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে জাহান্নামের আযাব থেকে হেফাজত করুন। আমীন

স্বপ্ন দেখে ভয় পেলে যে দোয়া পাঠ করবেন !

মানুষ কর্ম ব্যস্ত জীবনে ক্লান্ত শরীরে বিশ্রামে যায়। অনেক সময় ঘুমের ঘোরে দিনের ব্যস্ত সময়ের ভালো-মন্দ বিষয়গুলোর একটা প্রভাব তার মাঝে রয়ে যায়। মানুষ স্বপ্নে তা দেখে। মাঝে মাঝে ভাল স্বপ্ন দেখে থাকে। আবার মাঝে মাঝে ভয়ংকর স্বপ্ন দেখে থাকে। ঘুমের মধ্যে মন্দ বা বিপদাপদের স্বপ্ন দেখে মানুষ অনেক সময় অস্থির হয়ে যায়। আবার কেউ কেউ চিৎকার দিয়ে ঘুম থেকে জেগে ওঠে।

এ প্রসঙ্গে মহানবী (সা:) স্বপ্নের অনিষ্ট থেকে বেঁচে থাকতে আল্লাহর নিকট দোয়া করার নির্দেশ দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে-
হজরত আমর ইবনে শোয়াইব (রা:) তার পিতার মাধ্যমে তার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সা:) বলেছেন, যখন তোমাদের মধ্যে কেউ ঘুমের মধ্যে ভয় পায়, তখন যেন সে বলে-
উচ্চারণ: আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন গাজ্বাবিহি ওয়া ইক্বাবিহি ওয়া শাররি ইবাদিহি ওয়া মিন হামাযাতিশ শায়াত্বিনি ওয়া আঁই ইয়াহদুরুন। (আবু দাউদ, তিরিমজি, মিশকাত)
অর্থ: আমি আশ্রয় চাই আল্লাহর পরিপূর্ণ বাক্য সমূহের মাধ্যমে তার ক্রোধ ও শাস্তি হতে, তার বান্দাদের অপকারিতা হতে, শয়তানের কুমন্ত্রণা হতে এবং তাদের উপস্থিতি হতে।