মেয়েটির একটি পা নেই কিন্তু প্রতিভা দেখলে অবাক হয়ে যাবেন (ভিডিও)

আসা করি আপনারা সবাই ভালোই আছেন। ঈদ উপলক্ষে হয়তো অনেকে ব্যস্ত সময় পার করছেন। যাইহোক শত ব্যস্ততার মধ্যেও সব কিছুর খুজঁ খবর রাখা আপনার একান্ত Continue reading “মেয়েটির একটি পা নেই কিন্তু প্রতিভা দেখলে অবাক হয়ে যাবেন (ভিডিও)”

সূরাঃ আর-রহমান! সৃষ্টির রহস্য আল্লাহ্‌ তাআলা এক সূরাতেই প্রকাশ করে দিয়ে ছিলো! আসুন জেনে নেই এর বাংলা অনুবাদ

সূরাঃ আর-রহমান! সৃষ্টির রহস্য আল্লাহ্‌ তাআলা এক সূরাতেই প্রকাশ করে দিয়ে ছিলো! আসুন জেনে নেই এর বাংলা অনুবাদ ও এর তাৎপর্যঃ- প্রথম শব্দটিকেই এ সূরার নাম হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এভাবে বুঝানো হয়েছে যে, এটি সেই সূরা যা “আর-রাহমান” শব্দ দিয়ে শুরু হয়েছে।

imgur

তাছাড়া সূরার বিষয়বস্তুর সাথেও এ নামের গভীর মিল রয়েছে। কারণ এ সূরার মধ্যে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলার রহমতের পরিচায়ক গুণাবলী ও তার বাস্তব ফলাফলের উল্লেখ করা হয়েছে।

তেলাওয়াতটি শুনতে এই ভিডিওটিতে ক্লিক করুনঃ

নাযিলের সময়-কাল

তাফসীর বিশারদগণ সাধারণতঃ এ সূরাটিকে মক্কী সূরা বলে আখ্যায়িত করেন। যদিও হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, ইকরিমা ও কাতাদা থেকে কোন কোন হাদীসে একথা উদ্ধৃত হয়েছে যে, এ সূরা মদীনায় অবতীর্ণ তা সত্ত্বেও প্রথমত ঐ সব সম্মানিত সাহাবা বিষয়বস্তু মদীনায় অবতীর্ণ সূরাসমূহের তুলনায় মক্কায় অবতীর্ণ সূরাসমূহের সাথে বেশী সামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন কি বিষয়বস্তুর বিচারে এটি মক্কী যুগেরও একেবারে প্রথম দিকের বলে মনে হয়। তাছাড়া বেশ কিছু নির্ভরযোগ্য হাদীস থেকে একথা প্রমাণিত হয় যে, এটি হিজরতের কয়েক বছর পূর্বে মক্কাতে নাযিল হয়েছিল। মুসনাদে আহমদে হযরত আসমা বিনতে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণনা করেছেনঃ কা’বা ঘরের যে কোণে হাজরে আসওয়াদ স্থাপিত আমি হারাম শরীফের মধ্যে সে কোণের দিকে মুখ করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নামায পড়তে দেখেছি। তখনও পর্যন্ত আল্লাহর নির্দেশ ( তোমাকে যে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে তা প্রকাশ্যে বলে দাও) নাযিল হয়নি। সে নামাযে মুশরিকরা তাঁর মুখ থেকে কথাটি শুনেছিল। এ থেকে জানা যায় যে, এ সূরাটি সূরা আল হিজরের পূর্বেই নাযিল হয়েছিল।

imgur

আল বাযযার, ইবনে জারীর, ইবনুল মুনযির, দারুকুতনী (ফীল আফরাদ), ইবনে মারদুইয়া এবং আল খাতীব (ফিত তারীখ) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে এ হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন যে, একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে সূরা আর রহমান তিলাওয়াত করলেন অথবা এ সূরাটি তাঁর সামনে পাঠ করা হলো। পরে তিনি লোকদের বললেনঃ জিনরা তাদের রবকে যে জওয়াব দিয়েছিল তোমাদের নিকট থেকে সে রকম সুন্দর জওয়াব শুনছি না কেন? লোকেরা বললো, সে জওয়াব কি ছিল! নবী ( সা) বললেনঃ যখনই আমি আল্লাহর বাণী ( ) পড়ছিলাম, জিনরা তার জবাবে বলেছিল ( ) “আমরা আমাদের রবের কোন নিয়ামতকেই অস্বীকার করি না। ”

imgur

তিরমিযী, হাকেম ও হাফেজ আবু বকর বায্যার হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ থেকে প্রায় অনুরূপ বিষয়বস্তু সম্বলিত হাদীস বর্ননা করেছেন। তাঁদের বর্ণনার ভাষা হচ্ছেঃ সূরা রাহমানের তিলাওয়াত শুনে লোকজন যখন চুপ করে থাকলো তখন নবী ( সা) বললেনঃ “যে রাতে কুরআন শোনার জন্য জিনরা একত্রিত হয়েছিল, সে রাতে আমি জিনদের এ সূরা শুনিয়েছিলাম। তারা তোমাদের চেয়ে এর উত্তম জওয়াব দিচ্ছিল। যখনই আমি আল্লাহর তা’আলার এ বাণী শুনাচ্ছিলাম হে জিন ও মানুষ তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে” তখনই তারা জওয়াবে বলেছিলঃ হে আমাদের বর, আমরা তোমার কোন নিয়ামতকেই অস্বীকার করি না। সব প্রশংসা কেবল তোমরাই। ”

imgur

এ হাদীস থেকে জানা যায়, সূরা আহকাফে ( ২৯ থেকে ৩২ আয়াত) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুখ থেকে জিনদের কুরআন শোনার যে ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে সেই সময় নবী ( সা) নামাযের সূরা আর রাহমান পাঠ করেছিলেন। এটা নবুওয়াতের ১০ম বছরের ঘটনা। সে সময় নবী ( সা) তায়েফ সফর থেকে ফেরার পথে “নাখলা” নামক স্থানে কিছু সময় অবস্থান করেছিলেন। যদিও অপর কিছু সংখ্যক হাদীসে বর্ণনা করা হয়েছে যে, সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জানা ছিল না যে, জিনেরা তাঁর নিকট থেকে কুরআন শরীফ শুনছে। বরং পরে আল্লাহ তা’আলা তাঁকে এ অবহিত করেছিলেন যে, জিনেরা তাঁর কুরআন তিলাওয়াত শুনেছিলো কিন্তু আল্লাহ তা’আলা নবীকে ( সা) যেভাবে জিনদের কুরআন তিলাওয়াত শোনা সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন অনুরূপভাবে তাঁকে একথাও জানিয়েছিলেন যে, কুরআন তিলাওয়াত শোনার সময় তারা কি জওয়াব দিচ্ছিল। এরূপ হওয়াটা অযৌক্তিক ব্যাপার নয়।

imgur

সূরা আর-রহ্‌মানের অনুবাদঃ

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

الرَّحْمَنُ

01

করুনাময় আল্লাহ।

عَلَّمَ الْقُرْآنَ

02

শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন,

خَلَقَ الْإِنسَانَ

03

সৃষ্টি করেছেন মানুষ,

عَلَّمَهُ الْبَيَانَ

04

তাকে শিখিয়েছেন বর্ণনা।

الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ

05

সূর্য ও চন্দ্র হিসাবমত চলে।

وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ

06

এবং তৃণলতা ও বৃক্ষাদি সেজদারত আছে।

وَالسَّمَاء رَفَعَهَا وَوَضَعَ الْمِيزَانَ

07

তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন তুলাদন্ড।

أَلَّا تَطْغَوْا فِي الْمِيزَانِ

08

যাতে তোমরা সীমালংঘন না কর তুলাদন্ডে।

وَأَقِيمُوا الْوَزْنَ بِالْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا الْمِيزَانَ

09

তোমরা ন্যায্য ওজন কায়েম কর এবং ওজনে কম দিয়ো না।

وَالْأَرْضَ وَضَعَهَا لِلْأَنَامِ

10

তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্টজীবের জন্যে।

فِيهَا فَاكِهَةٌ وَالنَّخْلُ ذَاتُ الْأَكْمَامِ

11

এতে আছে ফলমূল এবং বহিরাবরণবিশিষ্ট খর্জুর বৃক্ষ।

وَالْحَبُّ ذُو الْعَصْفِ وَالرَّيْحَانُ

12

আর আছে খোসাবিশিষ্ট শস্য ও সুগন্ধি ফুল।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

13

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

خَلَقَ الْإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِ

14

তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুষ্ক মৃত্তিকা থেকে।

وَخَلَقَ الْجَانَّ مِن مَّارِجٍ مِّن نَّارٍ

15

এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নিশিখা থেকে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

16

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

رَبُّ الْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَيْنِ

17

তিনি দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের মালিক।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

18

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ

19

তিনি পাশাপাশি দুই দরিয়া প্রবাহিত করেছেন।

بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ

20

উভয়ের মাঝখানে রয়েছে এক অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করে না।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

21

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ

22

উভয় দরিয়া থেকে উৎপন্ন হয় মোতি ও প্রবাল।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

23

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

وَلَهُ الْجَوَارِ الْمُنشَآتُ فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ

24

দরিয়ায় বিচরণশীল পর্বতদৃশ্য জাহাজসমূহ তাঁরই (নিয়ন্ত্রনাধীন)

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

25

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

كُلُّ مَنْ عَلَيْهَا فَانٍ

26

ভূপৃষ্টের সবকিছুই ধ্বংসশীল।

وَيَبْقَى وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

27

একমাত্র আপনার মহিমায় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

28

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

يَسْأَلُهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأنٍ

29

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সবাই তাঁর কাছে প্রার্থী। তিনি সর্বদাই কোন না কোন কাজে রত আছেন।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

30

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

سَنَفْرُغُ لَكُمْ أَيُّهَا الثَّقَلَانِ

31

হে জিন ও মানব! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্যে কর্মমুক্ত হয়ে যাব।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

32

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانفُذُوا لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ

33

হে জিন ও মানবকূল, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়, তবে অতিক্রম কর। কিন্তু ছাড়পত্র ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

34

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِّن نَّارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا تَنتَصِرَانِ

35

ছাড়া হবে তোমাদের প্রতি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ও ধুম্রকুঞ্জ তখন তোমরা সেসব প্রতিহত করতে পারবে না।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

36

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فَإِذَا انشَقَّتِ السَّمَاء فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ

37

যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

38

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُسْأَلُ عَن ذَنبِهِ إِنسٌ وَلَا جَانٌّ

39

সেদিন মানুষ না তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে, না জিন।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

40

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

يُعْرَفُ الْمُجْرِمُونَ بِسِيمَاهُمْ فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِي وَالْأَقْدَامِ

41

অপরাধীদের পরিচয় পাওয়া যাবে তাদের চেহারা থেকে; অতঃপর তাদের কপালের চুল ও পা ধরে টেনে নেয়া হবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

42

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

هَذِهِ جَهَنَّمُ الَّتِي يُكَذِّبُ بِهَا الْمُجْرِمُونَ

43

এটাই জাহান্নাম, যাকে অপরাধীরা মিথ্যা বলত।

يَطُوفُونَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ حَمِيمٍ آنٍ

44

তারা জাহান্নামের অগ্নি ও ফুটন্ত পানির মাঝখানে প্রদক্ষিণ করবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

45

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ

46

যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে পেশ হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্যে রয়েছে দু’টি উদ্যান।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

47

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

ذَوَاتَا أَفْنَانٍ

48

উভয় উদ্যানই ঘন শাখা-পল্লববিশিষ্ট।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

49

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فِيهِمَا عَيْنَانِ تَجْرِيَانِ

50

উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবন।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

51

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فِيهِمَا مِن كُلِّ فَاكِهَةٍ زَوْجَانِ

52

উভয়ের মধ্যে প্রত্যেক ফল বিভিন্ন রকমের হবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

53

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

مُتَّكِئِينَ عَلَى فُرُشٍ بَطَائِنُهَا مِنْ إِسْتَبْرَقٍ وَجَنَى الْجَنَّتَيْنِ دَانٍ

54

তারা তথায় রেশমের আস্তরবিশিষ্ট বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে। উভয় উদ্যানের ফল তাদের নিকট ঝুলবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

55

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?|

فِيهِنَّ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ

56

তথায় থাকবে আনতনয়ন রমনীগন, কোন জিন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহার করেনি।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

57

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

كَأَنَّهُنَّ الْيَاقُوتُ وَالْمَرْجَانُ

58

প্রবাল ও পদ্মরাগ সদৃশ রমণীগণ।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

59

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

هَلْ جَزَاء الْإِحْسَانِ إِلَّا الْإِحْسَانُ

60

সৎকাজের প্রতিদান উত্তম পুরস্কার ব্যতীত কি হতে পারে?

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

61

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

وَمِن دُونِهِمَا جَنَّتَانِ

62

এই দু’টি ছাড়া আরও দু’টি উদ্যান রয়েছে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

63

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

مُدْهَامَّتَانِ

64

কালোমত ঘন সবুজ।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

65

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فِيهِمَا عَيْنَانِ نَضَّاخَتَانِ

66

তথায় আছে উদ্বেলিত দুই প্রস্রবণ।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

67

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فِيهِمَا فَاكِهَةٌ وَنَخْلٌ وَرُمَّانٌ

68

তথায় আছে ফল-মূল, খর্জুর ও আনার।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

69

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فِيهِنَّ خَيْرَاتٌ حِسَانٌ

70

সেখানে থাকবে সচ্চরিত্রা সুন্দরী রমণীগণ।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

71

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

حُورٌ مَّقْصُورَاتٌ فِي الْخِيَامِ

72

তাঁবুতে অবস্থানকারিণী হুরগণ।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

73

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ

74

কোন জিন ও মানব পূর্বে তাদেরকে স্পর্শ করেনি।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

75

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

مُتَّكِئِينَ عَلَى رَفْرَفٍ خُضْرٍ وَعَبْقَرِيٍّ حِسَانٍ

76

তারা সবুজ মসনদে এবং উৎকৃষ্ট মূল্যবান বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

77

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

تَبَارَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِي الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

78

কত পূণ্যময় আপনার পালনকর্তার নাম, যিনি মহিমাময় ও মহানুভব।

আসরের নামাজের ফরয পরেও আছে ৪ রাকাত সুন্নত! জানেন কি কিভাবে পড়বেন? চলুন জেনে নেই

আসরের নামাজের পরেও আছে ৪ রাকাত সুন্নত! আমরা প্রায় অনেকেই আসরের নামাজের সুন্নত নামাজ সম্পর্কে জানিনা। অনেকে আবার জানে কিন্তু পড়ার নিয়ম Continue reading “আসরের নামাজের ফরয পরেও আছে ৪ রাকাত সুন্নত! জানেন কি কিভাবে পড়বেন? চলুন জেনে নেই”

মৃত্যুর আগে মুক্তামণি যা বলে গেলেন! মুক্তার মত মামনি মুক্তামনি আর নেই

সাতক্ষীরায় বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তামণি মারা গেছে। বুধবার সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের নিজ বাড়িতেই মৃত্যু হয় ১২ বছর বয়সী শিশুটির। Continue reading “মৃত্যুর আগে মুক্তামণি যা বলে গেলেন! মুক্তার মত মামনি মুক্তামনি আর নেই”

ইফতার সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? চলুন জেনে নেই ইফতার সম্পর্কে এবং ইফতারের খাবার সম্পর্কে

ইফতার শব্দটি আরবি ফুতুর শব্দ থেকে এসেছে। ফুতুর- অর্থ নাস্তা। ইফতারের অর্থ খোলা, উন্মুক্ত করা, ছেড়ে দেয়া ইত্যাদি। ইসলামী পরিভাষায় সূর্যাস্তের পর খেজুর, পানি বা Continue reading “ইফতার সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন? চলুন জেনে নেই ইফতার সম্পর্কে এবং ইফতারের খাবার সম্পর্কে”

সহিনীকে, কে খুন করেছে !! চলুন মগজটা একটু ওয়াশ করে নেই! এবং কিছু শিখি

সহিনীকে কে খুন করলো? যে সহিনী বৃষ্টির ঠান্ডার কারণে অফিসে যাবেনা বলে তার চারজন বন্ধুকে ডাকলো মজা করার জন্য, সে এখন নিজেই লাশ হয়ে পড়ে আছে! কাহিনী Continue reading “সহিনীকে, কে খুন করেছে !! চলুন মগজটা একটু ওয়াশ করে নেই! এবং কিছু শিখি”

স্রষ্টা বলতে কিছু নেই!! এক নাস্তিক খলিফা হারুনুর রশীদ কে চ্যালেঞ্জ করলো সে এটা প্রমান করে দেবে, তারপর যা হলো

স্রষ্টা বলতে কিছু নেই!! একবার খলিফা হারুনুর রশীদের নিকট এক নাস্তিক এসে বললেন যে আপনার সাম্রাজ্যে এমন কোন জ্ঞানী ব্যক্তিকে ডাকুন আমি তাকে তর্ক করে প্রমান করে দেব যে এই পৃথীবির কোন স্রষ্টা নেই। এগুলো নিজে নিজে সৃষ্টি হয়েছে এবং আপনা থেকেই চলে।

খলিফা হারুনুর রশীদের কিছুক্ষন ভেবে একটি চিরকুট মারাফত ইমাম আবু হানিফাকে ডাকলেন ও এই নাস্তিকের সাথে বিতর্কে অংশ নিতে অনুরোধ করলেন। ইমাম আবু হানিফা দুত মারাফত খবর পাঠালেন যে তিনি আগামীকাল যোহরের সময় আসবেন খলিফার প্রাসাদে নামায পড়ে তারপর বির্তকে অংশ নেবেন পরদিন যোহরের নামাযের সময়। খলিফা তার সভাসদ বর্গ ও নাস্তিক লোকটি অপেক্ষা করতে লাগল। কিন্তু যোহরের নামায তো দুরের কথা আসর শেয় হয়ে গেল তিনি মাগরিবের নামাযের সময় আসলেন।

নাস্তিকটি তার কাছে এত দেরীতে আসার কারন জনতে চাইল তিনি বললেন আমি দজলা নদীর ওপারে বাস করি। আমি খলীফার দাওয়াত পেয়ে নদীতে এসে দেখি কোন নৌকা নেই। অনেকক্ষন অপেক্ষা করেও কোন নৌকা পেলাম না। সহসা আমি দেখলাম একটি গাছ আপনা-আপনি উপরে পড়লো, তারপর সেটি চেরাই হয়ে নিজ থেকেই তক্তায় পরিনত হল। তারপর এটি নিজে নিজে একটি নৌকায় পরিনত হল। অত:পর আমি এটায় চড়ে বসলাম। নৌকাটি নিজে নিজে চলতে চলতে আমাকে এপারে পৌছিয়ে দিল।

নাস্তিকটি একথা শুনে হো হো করে হেসে ফেললো। তারপর বলল ইমাম সাহেব আমাকে কি বোকা পেয়েছেন যে আমি এমন গাজাখুরি গল্প বিশ্বাস করব। একটা গাছ আপনা থেকে নৌকায় পরিনত হবে, এটা কি করে সম্ভব?

ইমাম আবু হানিফা বললেন ওহে নাস্তিক সাহেব একটা গাছ যদি আপনা থেকে নৌকায় পরিনত না হতে পারে এবং নদী পরাপার না হতে পারে, তাহলে কিভাবে এই বিশাল আকাশ চন্দ্র সূর্য নক্ষত্র আপনা আপনি তৈরী হতে এবং চালু থাকতে পারে ??

নাস্তিকটি লা-জওয়াব হয়ে মুখ কাচুমাচু করে বিদায় নিল। খলিফা হারুনুর রশীদ তার তাৎক্ষনিক জবাবে মুগ্ধ হয়ে ইমাম সাহেব কে সসম্মানে বিদায় দিলেন। কোন তর্কে যাওয়ার আগেই নাস্তিকটি শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়ে গেল।

শিক্ষাঃ নাস্তিক ও খোদাদ্রোহীদের কোন যুক্তি থাকে না। বিচক্ষণতা ও সাহস নিয়ে তাদের মোকাবিলা করলেই তারা পরাজিত হতে বাধ্য। তবে এ যুগের নাস্তিক ও খোদাদ্রোহীরা যুক্তির অভাবে সন্ত্রাসের আশ্রয় নিয়ে অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেছে। তাদেরকে প্রতিহত করার জন্য মুসলমানদেরকে মাথা ঠান্ডা রেখে সুপরিকল্পিতভাবে শক্তি অর্জন করে জেহাদের জন্য প্রস্ততি নিতে হবে।

শারীরকে চাঙ্গা রাখতে রসুনের অবদানের অভাব নেই!! জেনে নিন কিছু গুরত্বপুর্ণ উপকারিতা সম্পর্কে!!

শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সকাল সকাল রসুন খাওয়া শুরু করেছেন? বেশ বেশ! এই অভ্য়াসটি বাস্তবিকই স্বাস্থ্য়কর। তবে সমস্যা একটা জায়গাতেই। রসুন খেলে যে সারা দিন মুখ আর গা Continue reading “শারীরকে চাঙ্গা রাখতে রসুনের অবদানের অভাব নেই!! জেনে নিন কিছু গুরত্বপুর্ণ উপকারিতা সম্পর্কে!!”

নামাজরত অবস্থায় মারা গেলেন এই ভাইটি(ভিডিও) মৃত্যু এমন এক মেহমান,যা ফিরিয়ে দেয়ার ক্ষমতা কারো নেই,

ভিডিওটি একদম নিচে ,মৃত্যু এমন এক মেহমান, যে দরজায় এসে দাড়ালে,তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা কারো নেই,মৃত্যু এমন এক Continue reading “নামাজরত অবস্থায় মারা গেলেন এই ভাইটি(ভিডিও) মৃত্যু এমন এক মেহমান,যা ফিরিয়ে দেয়ার ক্ষমতা কারো নেই,”