ফিলিস্তিনির ঈমাম নামাজের সময় সূরা আল-হাশর তেলাওয়াতে কেঁদে দিলেন! দেখুন ভিডিওতে

ফিলিস্তিনির ঈমাম নামাজের সময় সূরা আল-হাশর তেলাওয়াতে কেঁদে দিলেন! কত আবেগময়ী কোরআনের ভাষা তা না বুঝলেও অনুমান করা যায়। আর যদি কেউ সেটা বুঝে Continue reading “ফিলিস্তিনির ঈমাম নামাজের সময় সূরা আল-হাশর তেলাওয়াতে কেঁদে দিলেন! দেখুন ভিডিওতে”

যুদ্ধের গোপনীয়তা ফাস করে দেওয়ার পরেও রাসূল (সাঃ) যাকে ক্ষমা করে দিলেন, জানুন কেন

যুদ্ধের গোপনীয়তা ফাস করে দেওয়ার পরেও রাসূল (সাঃ) যাকে ক্ষমা করে দিলেন। বিভিন্ন সহীহ রেওয়ায়াত থেকে জানা যায় যে, বদর যুদ্ধের পর মক্কা বিজয়ের কিছু আগে মক্কার Continue reading “যুদ্ধের গোপনীয়তা ফাস করে দেওয়ার পরেও রাসূল (সাঃ) যাকে ক্ষমা করে দিলেন, জানুন কেন”

দেখুন এক নাস্তিক কে চরম এক জবাবের মাধ্যমে চুপ করিয়ে দিলেন ড.বিলাল ফিলিপস, ভিডিওসহ ( না দেখলে মিস করবেন )

নাস্তিকঃ যারা কোন ধর্মকেই বিশ্বাস করে না তাদেরকে নাস্তিক বলে। পৃথিবীতে এরকম অনেক মানুষ আছে যারা কোন ধর্মকেই বিশ্বাস করে না। তাদের মতে কোন ধর্ম নেই, এবং Continue reading “দেখুন এক নাস্তিক কে চরম এক জবাবের মাধ্যমে চুপ করিয়ে দিলেন ড.বিলাল ফিলিপস, ভিডিওসহ ( না দেখলে মিস করবেন )”

নবীজি ইহুদীর পক্ষে রায় দিলেন এবং তার পর যা হলো

হযরত ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত আছে যে, মদীনায় বিশর নামক একজন মুনাফিক বাস করতো। একবার জনৈক ইহুদীর সাথে তার বিবাদ বেধে যায়। ইহুদী বললোঃ চল, আমরা মুহাম্মদ(সা) এর কাছে গিয়ে এর Continue reading “নবীজি ইহুদীর পক্ষে রায় দিলেন এবং তার পর যা হলো”

বল্টুঃ স্যার আপনি আপনার স্ত্রীর লাভার (Lover) কে A গ্রেড দিলেন…… এটা না বৈধ না যুক্তিসংগত।

বল্টু পরিক্ষায় ফেল করলো, তো সে পাস করার একটা বুদ্ধি করলো। বল্টু সারের কাছে গিয়ে বললো, বল্টুঃ স্যার আপনি তো সব জানেন, তো আপনাকে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞাস করবো, পারবেন? আর যদি উত্তর না দিতে পারেন তাহলে আমাকে A গ্রেড দিতে হবে!!! শিক্ষকঃ তুই আমাকে চ্যালেঞ্জ করছিস, ঠিক আছে জিজ্ঞেস কর। আমি রাজি….. বল্টুঃ কোনটা বৈধ, কিন্তু যুক্তিসংগত নয়? আবার যুক্তিসংগত কিন্তু বৈধ নয়? এবং না যুক্তিসংগত না বৈধ??? শিক্ষক পুরাই বলদ!!! উত্তর তো দূরের কথা প্রশ্নটাই প্রথম শুনছে। সুতরাং সে রাগে দুঃখে বল্টুকে A গ্রেড দিলো!!!! তারপর বল্টু উত্তর দিলোঃ . . . . স্যার আপনার বয়স ৫৩ আর আপনার স্ত্রীর ২৩….এটা বৈধ কিন্তু যুক্তিসংগত নয়….!!!!!আপনার স্ত্রীর ২৫ বছর বয়সী একটা বয়ফ্রেন্ড…. আছে এটা যুক্তিসংগত কিন্তু বৈধ নয়….!!!! আর এখন আপনি আপনার স্ত্রীর লাভার (Lover) কে A গ্রেড দিলেন……এটা না বৈধ না যুক্তিসংগত।
(স্যার অজ্ঞান).

বল্টু আর কুদ্দুস অফিস
শেষে ফ্ল্যাটে আসতেছে………!!!
বল্টুঃ- কি রে কুদ্দুস । লিফট বন্ধ ক্যান ?
কুদ্দুসঃ- মনে হয় লিফট নষ্ট হইছে ।
বল্টুঃ- হায় হায় ! এহন তাইলে ১৯০ তলায়উঠমু ক্যামনে ?
কুদ্দুসঃ- সমস্যা নাই । সিঁড়ি দিয়া উঠমু !
বল্টুঃ- আমি পারমু না ?
কুদ্দুসঃ- শোন , আমি একটা মজার কথা কমু আর সিঁড়ি দিয়া উপরে উঠতে থাকমু ।
আমার মজার কথা শেষ হইলে তুই একটা দুঃখের কথা বলবি । এইভাবে কথা কইতে কইতে আমরা ১৯০ তলায় উইঠা যামু ।
বল্টুঃ- আইচ্ছা ঠিক আছে ।(কুদ্দুসের মজার কথা শুরু)
কুদ্দুসঃ- (মজার কথা শেষ কইরা ) দেখছস আমরা এহন কথা কইতে কইতে ১৬০ তলায় আইসা পড়ছি । এহন তুই একটা দুঃখের কথা কইতে থাক ।
বল্টুঃ- দুঃখের কথা আর কি কমু , ফ্ল্যাটের চাবি তো গাড়িতে রাইখা আইছি ।
বল্টু Roczzzz কুদ্দুস Shokzzzz.

যে কারণে সাহাবাদের একটি খেজুরও দিলেন না নবী সা

গ্রাম থেকে একজন দরিদ্র সাহাবী এসেছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে দেখা করার জন্য। সাথে এনেছেন একটা থলে ভর্তি খেজুর। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবাদের নিয়ে মসজিদে নববীর পাশে সুফফার নির্ধারিত জায়গায় বসে আছেন। সাহাবীগণ একমনে তাঁর কথা শুনছেন। গ্রামীণ সাহাবী দূর থেকে তাঁকে সালাম দিলেন। এরপর একটু সামনে এগিয়ে এসে সাথে করে আনা খেজুরের থলে তাঁর হাতে তুলে দিলেন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওই সাহাবীর সামনেই থলে থেকে খেজুর বের করে খুব তৃপ্তি সহকারে খেতে শুরু করলেন। সাহাবীর দু‘ঠোঁট গলিয়ে আনন্দের ঝিলিক হাসি হয়ে বেরিয়ে এলো। তা দেখে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো খেজুর বের করে খেতে লাগলেন।

সুফফার সাহাবাগণ তো অবাক! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো কখনো এমন করেন না। আমরা এতোগুলো মানুষ এখানে বসে আছি, কাউকে একটি খেজুরও তিনি দিচ্ছেন না। একা একাই একের পর এক সবগুলো খেজুর তিনি খেয়ে যাচ্ছেন। আজকে হলোটা কী?
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একা একা খেজুর খেয়েই যাচ্ছেন আর ওই সাহাবীর চোখে মুখে আনন্দের দীপ্তি ক্রমেই বেড়ে চলছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সবগুলো খেজুর খাওয়া শেষ হলে সাহাবী দোয়া নিয়ে চলে গেলেন।
উপস্থিত সাহাবাগণ এবার মুখ খুললেন। ইয়া রাসূলাল্লাহ! আজকে এমনটা কেন হলো? আমাদের কাউকে একটি খেজুরও আপনি খাওয়ার জন্য দিলেন না। অথচ আমাদের কাউকে না দিয়ে আপনি কখনো তো কিছুই খাননি।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমরা কি খেয়াল করে দেখেছো, আমি যখন খেজুরগুলো খাচ্ছিলাম তখন তার চোখে মুখে সীমাহীন আনন্দের দীপ্তি কেমন করে ঝলমল করছিলো।
হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা তা লক্ষ্য করেছি।
আসলে খেজুরগুলো খুব সুস্বাদু ছিলো না। আমার কাছে ভীষণ কইষ্ট্যা কইষ্ট্যা লাগছিলো। কিন্তু তা আমি মুখে প্রকাশ করিনি। চোখে মুখে হাসি ফুটিয়ে রেখে আমি ওকে বুঝাতে চেয়েছি খেজুরগুলো আমার খুব ভালোই লাগছে। ওগুলো তোমাদেরকে দিলে তোমরা হয়তো এমন কিছু করে বসতে যাতে সে বুঝে ফেলতো খেজুরগুলো সুস্বাদু নয়। তাই ওগুলো তোমাদেরকে দেয়া আমি সমীচীন মনে করিনি। আমি চাইনি ওর এতো সুন্দর একটা আনন্দ এতো সহজেই নষ্ট হয়ে যাক।

সংগৃহিত : আমাদের ইসলাম ডট কম