আনাসের(রা) বয়স যখন আট বছর তখন তাঁর মা ইসলাম গ্রহণ করে(ইসলামিক গল্প)

আনাসের বয়স যখন আট/নয় বছর তখন তাঁর মা ইসলাম গ্রহণ করে। এ কারণে তাঁর পিতা ক্ষোভ ও ঘৃণায় শামে চলে যায় এবং সেখানে কুফরী অবস্থায় মারা যায়। মা আবু তালহাকে Continue reading “আনাসের(রা) বয়স যখন আট বছর তখন তাঁর মা ইসলাম গ্রহণ করে(ইসলামিক গল্প)”

আমেরিকায় শত শত মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছিলো যে ভিডিওটি দেখে! দেখুন সেই মোটিভেশনাল ভিডিওটি (বাংলায়)

আমেরিকায় শত শত মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছিলো যে ভিডিওটি দেখে! দেখুন সেই মোটিভেশনাল ভিডিওটি এবার বাংলায়। অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করেছিলো ঐ ভিডিওটি। যা দেখলে আপনার মনে ইসলামের চেতনা Continue reading “আমেরিকায় শত শত মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছিলো যে ভিডিওটি দেখে! দেখুন সেই মোটিভেশনাল ভিডিওটি (বাংলায়)”

কুরআনের সংরক্ষণ ও একজন ইহুদী পন্ডিতের ইসলাম গ্রহণ(ইসলামিক গল্প)

কুরআনের সংরক্ষণ ও একজন ইহুদী পন্ডিতের ইসলাম গ্রহণ কুরআনের ইলাহী সংরক্ষণ ও একজন ইহুদী পন্ডিতের ইসলাম গ্রহণ : আববাসীয় খলীফা মামূনুর রশীদের দরবারে মাঝে মাঝে শিক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা Continue reading “কুরআনের সংরক্ষণ ও একজন ইহুদী পন্ডিতের ইসলাম গ্রহণ(ইসলামিক গল্প)”

প্রিয়নবি যেভাবে খাবার গ্রহণ করতেন

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালকে ভয় করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্য রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবনে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ এ আয়াতে Continue reading “প্রিয়নবি যেভাবে খাবার গ্রহণ করতেন”

মহানবীর অলৌকিক মোজেজা দেখে ইহুদী পরিবারের ইসলাম গ্রহণ !

মদীনার বুকে একজন জনসন্মুখ্যে, প্রিয় নবীজি হুজুর পাক (স.) কে অপদস্থ করার এক কু বাসনা নিয়ে, নবীজির কাছে এসে বললেন, ‘হে মুহাম্মদ, তুমি দাবী করেছো, তুমি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নবী, এবং তোমার কাছে নাকি আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহী ( আল্লাহর বাণী) আসে। তুমি যদি তোমার দাবীতে সত্য হও, তাহলে এমন কিছু করে দেখাও যা সাধারণ কারো পক্ষে সম্ভব না।’

এই কথা শুনে তখন নবীজি (স.) বললেন, ঠিক আছে কি দেখতে চাও তুমি-ই বল। তখন সেই ইহুদী দুরের একটা গাছ কে দেখিয়ে বললো, দেখি এক মুহুর্তে কোন হাতের স্পর্স ছাডা গাছটিকে এইখানে হাজির করে দেখাও তো। তখন নবীজি (স.) মুচকি হেসে বললেন,আমি কোন কিছুই বলবো না, তুমি-ই সেই গাছটির কাছে গিয়ে এতটুকু বল যে,আল্লাহর প্রেরিত রাসুল (স.) তোমাকে ডাকছেন।কথামত সেই ইহুদী,তার মনের সেই কুবাসনা পূর্ণ হওয়ার আশা নিয়ে নিশ্চিন্ত মনে,গাছটির কাছে গিয়ে বললো, তোমাকে আল্লাহর প্রেরিত রাসুল (স.) ডাকছেন। ইহুদী এই কথাটি বলার সাথে সাথেই,গাছটি কম্পন করতে আরম্ভ করে দিলো, এবং মাটির সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে,লাফিয়ে লাফিয়ে নবীজির (স.) সামনে উপস্থিত হয়ে বললেন, আসলাতু আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ। গাছের এই অবস্থা দেখে সেই ইহুদী অবাক হয়ে আবার বললো, দেখি গাছটিকে আবার তার সেই আগের জায়গায় প্রতিস্থাপন করে দেখান।তখন নবীজি (স.) গাছটিকে বললেন, যাও তুমি তোমার নিজের স্থানে ফিরে যাও। সাথে সাথে গাছটি আবার তার পূর্বের স্থানে ফিরে গেলো। নবীজির এই অলৌকিক মোজেজা দেখে ইহুদী লোকটি সাথে সাথে উচ্চস্বরে কলিমা পড়ে মুসলমান হয়ে গেলো। এবং পরে তার পরিবার কে ও মুসলমান করালো। আবু দাউদ- নুজহাতুল মাজালিছ- হুজ্জাতুল্লাহে আলাল আলামিন- ৪৫৮ পৃষ্ঠা)

জিনের ইসলাম গ্রহণ ও চন্দ্র দু টুকরা হওয়া !

জিনের ইসলাম গ্রহণ:
উকাজের মেলা। বহু লোক জামায়েত হয়েছে। সেখানে। মুহাম্মাদ (সা) ছুটে গেলেন ইসলামের আহবান পৌঁছাতে। পথের একটি স্থান নাখলা। রাত কাটালেন তিনি সেখানে। ছালাতুল ফাজর আদায় করলেন সংগের কয়েকজন মুসলিমকে নিয়ে। তিনি সালাতে আল কুরআন পড়ছিলেন। একদল জিন থমকে দাঁড়ায়। সত্য দ্বীনের সাথে তারা পরিচিত হয়। আল্লাহ, জীবন ও জগত সম্পর্কে তারা বিভ্রান্তিতে ছিলো। আল কুরআনের জ্ঞান তাদেরকে সেই বিভ্রান্তি থেকে উদ্ধার করে। এই জিনেরা অন্যান্য জিনদের কাছে গিয়ে দীন সম্পর্কে যেই আলাপ-আলোচনা করে আল কুরআনে তার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।আমরা বিষ্ময়কর এক কুরআন শুনেছি। যা নির্ভুল পথের দিশা দেয়। আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। অত:পর আমরা আর কখনো আমাদের অদ্বিতীয় রবের সাথে কাউকে শরীক করবো না। (সূরা আল-জিন : ১-২)এইভাবে ইসলামের দাওয়াত জিনদের মধ্যে সম্প্রসারিত হয়।

চন্দ্র দু টুকরা হওয়াঃ মুশরিকরা অনেক সময় রাসূলকে অপারগ, অক্ষম সাব্যস্ত করার ফন্দিতে বিভিন্ন অলৌকিক নির্দশন দেখানোর দাবী করতো। আর এধরনের দাবী জানায়, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তাদেরকে চন্দ্র দু’টুকরো করে দেখানো হয়। এটি ইসলাম প্রচারের অষ্টম বছরের ঘটনা। মুহাম্মাদ (সা) সেদিন মিনাতে ছিলেন। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। পূর্ণিমার চাঁদ উঠলো আসমানে। হঠাৎ তা দুই টুকরাহয়ে গেলো। পাহাড়ের দুই পাশে দেখা গেলো দুইটি অংশ। ক্ষণিকের মধ্যেই আবার অংশ দুইটি একত্রিত হয়ে গেলো। বেশ কিছু সংখ্যক মুশরিক উপস্থিত ছিলো সেখানে। কুরাইশরা এ নিদর্শন দীর্ঘ সময় পর্যন্ত দেখতে থাকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁরা ঈমান গ্রহণ করেনি। বরং তাঁরা বলে, মুহাম্মাদ আমাদেরকে যাদু করেছে তন্মধ্যে এক ব্যক্তি বললো, আমাদের যাদু করলেও সব মানুষকেও তো আর যাদু করতে পারবে না। দূতের অপেক্ষা কর। বিভিন্ন দূত আসলে জিজ্ঞেস করা হয় এবং তাঁরা বলে হ্যাঁ আমরাও দেখেছি। কিন্তু কুরাইশরা নিজেদের কুফরে জেদ ধরে রয়ে গেলো। চন্দ্র দু’টুকরা হওয়া এক বৃহত্তর অলৌকিক ঘটনার পটভূমি ও অবতরনিকা ছিলো। আর তা হল মেরাজের ঘটনা।। রাসূলের (সা) সাথে একদল মুসলিম ও ছিলেন উপস্থিত। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা), হুজায়ফা (রা) এবং জুবাইর ইবনু মুতয়িম (রা) প্রত্যক্ষ সাক্ষীদের অন্তর্ভূক্ত। এই ঘটনার মাধ্যমে কাফিরদের বুঝাবার চেষ্টা করা হলো যে চাঁদ যেই ভাবে দুই টুকরা হয়ে গেলো এই ভাবে বিশ্বজাহানের সব কিছুই ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে। এই ঘটনার পর আল্লাহ ঘোষণা করেন-কিয়ামতের সময় নিকটে এসে গেছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়ে গেছে।( সূরা আল কাম্মার: ১)