ভীষণ সুন্দর এক সাহাবীর কাহিনী

ভীষণ সুন্দর একটি কাহিনী সবার সাথে শেয়ার করছি। আশা করি আমরা জীবনে সবকিছু একটু অন্যভাবে দেখার চেষ্টা করব। আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের Continue reading “ভীষণ সুন্দর এক সাহাবীর কাহিনী”

এটা কোন মজার কাহিনী না !! এটা ইসলামের এক বীরের কাহিনী (খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)

ইসলামের এক বীর খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ইরামুকের যুদ্ধে ১০০ সৈন্য নিয়ে লক্ষাদিক সৈনের মাঝখানে গিয়ে সম্রাট হেরাক্লিয়াসের প্রধান সেনাপতি মাহান Continue reading “এটা কোন মজার কাহিনী না !! এটা ইসলামের এক বীরের কাহিনী (খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)”

বাগদাদ শহরে, আল্লাহ্‌ এক ভক্ত মেয়ের করুন কাহিনী!! লেখাটা একবার হলেও পড়বেন

বাগদাদ !! ইরাকের মধ্যেপ্রাচ্যের এই শহরটির সাথে ইসলামের অনেক ইতিহাস জড়িয়ে আছে। তবে আজ কোন ইসলামিক ইতিহাস তুলে ধরবো না। আজ এই শহরের এক ধার্মিক মেয়ের সুন্দর একটি গল্প বলবো। গল্পটি হলোঃ-

বাগদাদ শহরের এক ধার্মিক মেয়ে ছিল, মেয়েটি ছোট বেলা থেকেই নামাজ, রোজা, কোরআন তেলওয়াতে সব সময় ব্যস্ত থাকতো। এভাবে চলতে চলতে মেয়েটি এক সময় বড় হয়ে গেল। একদিন মেয়েটির মা-বাবা তার কাছে বিয়ের সম্মতি চাইল, সে রাজি হয়ে গেল। তার মা-বাবা একজন ধার্মিক পাত্র ঠিক করল। এরপর বিয়ের দিন ঠিক করা হল। যথারিতি বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন। মেয়েটিকে কনের সাজে সাজানো হল।

এদিকে যোহরের আজান দিল, মেয়ে আসর থেকে উঠে নামাজ পরতে চলে গেল। আত্মীয় স্বজন সবাই বলতে লাগলো, আরে কি করছ? এক্ষনি বর যাত্রি এসে পড়বে, তোমার সাজ নষ্ট হয়ে যাবে, বর যাত্রি এই অবস্থায় দেখলে কি বলবে? মেয়ের জবাব, আমি আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে ভয় পাই না, আল্লাহ যা করবেন আমার মঙ্গলের জন্য করবেন। কে কি বলবে তার জন্য আমি আল্লাহর বিধান অমান্য করতে পারবো না।

অতঃপর মেয়েটি নামাজ পড়তে চলে গেল। বেশ কিছুক্ষন হয়ে গেল মেয়ে আসছেনা। অতঃপর মেয়ের মা নামাজের ঘরে মেয়েকে দেখতে গেল। মা দেখল মেয়ে এখনও সেজদায়। সেজদা থেকে উঠার বিলম্ব দেখে মা মেয়ের শরীরে হাত দিয়ে দেখল। মা হাত দিতে মেয়ে পরে গেল। বুঝতে বাকী নেই মেয়ে মৃত্যূ বরণ করেছে। ইন্না লিল্লাহি ও ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

কি সুন্দর মৃত্যূ। আল্লাহর দরবার সেজদা অবস্থা মৃত্যূর চেয়ে উত্তম মৃত্যূ আর কি হতে পারে? নামাজ অবস্থায় মৃত্য বরণ করলে শহীদেরর মর্যাদা। সুন্দর এই গল্পটি ‘কোরআন হাদিসের শিক্ষা’ নামক বই থেকে নেয়া হয়েছে।

দুই বেঙের এক মজার কাহিনী

একবার এক ষাঁড় এক হ্রদের ধারে গেল, যেখানে অনেক ব্যাঙের ছানা। এক ষাঁড় একটি ব্যাঙকে মাড়িয়ে ফেলে। অন্য ব্যাঙগুলো তখন ঝাঁপ দেয় জলে। Continue reading “দুই বেঙের এক মজার কাহিনী”

হাদিসের গল্পঃ কুষ্ঠরোগী, অন্ধ ও টেকোর কাহিনী

বনী ইসরাঈলের মাঝে তিনজন ব্যক্তি ছিল- কুষ্ঠরোগী টেকো ও অন্ধ।মহান আল্লাহ্‌ তাদেরকে পরীক্ষা করতে চাইলেন এবং তাদের নিকট একজন ফেরেশতা পাঠালেন। অতঃপর কুষ্ঠরোগীর কাছে এসে তিনি বললেন Continue reading “হাদিসের গল্পঃ কুষ্ঠরোগী, অন্ধ ও টেকোর কাহিনী”

হযরত সুমাইয়া(রা)কে বর্শা মেরে হত্যা করেছিল,পড়ুন এক করুন কাহিনী

মক্কী জীবনে হযরত সুমাইয়া বিনতে খুব্বাত রাযিয়াল্লাহু আনহাকে নরাধম আবু জাহেল বর্শা মেরে হত্যা করেছিল। সাহাবী হযরত সুমাইয়া বিনতে খুব্বাত রাযিয়াল্লাহু আনহার এই পৃথিবীতে জন্ম হয়েছিল একজন দাসী হিসাবে। Continue reading “হযরত সুমাইয়া(রা)কে বর্শা মেরে হত্যা করেছিল,পড়ুন এক করুন কাহিনী”

একজন খুনী ও আলেমের কাহিনী

বনী ইসরাঈলের জনৈক ব্যক্তি নিরানব্বই জন মানুষকে হত্যা করে দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ আলেমের সন্ধান করল। অতঃপর তাকে একজন খৃষ্টান পাদ্রীর কথা বলা হ’লে সে তার নিকট এসে বলল যে, সে নিরানব্বইজন Continue reading “একজন খুনী ও আলেমের কাহিনী”

এক জিন মহিলার কাহিনী

ইমাম আমাশ বলেন বাজলিয়া গোত্রে একবৃদ্ধ লোক আমার নিকট বর্ণনা করল যে, জিনদের এক যুবক আমার যুবতী কন্যার প্রতি আসক্ত হয়ে যায় । অতঃপর সে আমার নিকট তার বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে বলল যে , Continue reading “এক জিন মহিলার কাহিনী”

মহানবী (সা:) ইন্তেকালের পরে বেলাল (রা:) এর কাহিনী !

হযরত মোহাম্মদ (সঃ) এর ইন্তেকালে বেলাল (রাঃ) প্রায় পাগলের মতো হয়ে গেলেন । তিনি ব্যাগ গুছিয়ে চলে যাচ্ছেন । সাহাবীরা তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন :- “যে দেশে মহানবী (সঃ) নেই, আমি সেখানে থাকবো না”। এরপর তিনি মদীনা ছেড়ে দামস্কে চলে যান । কিছুদিন পরে বেলাল (রাঃ) সপ্নে দেখলেন যে মহানবী (সঃ) তাকে বলছেন, “হে বেলাল (রাঃ) তুমি আমাকে দেখতে আসো না কেন ”?

এ সপ্ন দেখে তিনি মহানবী (সঃ) এর রওজা মুবারক দেখতে মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা হন । বেলাল (রাঃ) এর আগমনের খবরে মদীনাবাসী আনন্দে আত্মহারা হয়ে যায় । বেলাল (রাঃ) হলেন মহানবী (সঃ) এর নিযুক্ত মুয়াজ্জিন । মহানবী (সঃ) এর ইন্তেকালের পর বেলাল (রাঃ) আর আযান দেননি ।তার কন্ঠে আযান শুনতে সাহাবীরা ব্যাকুল হয়ে আছেন । তারা তাকে আযান দিতে বললে তিনি বলেন যে, তিনি পারবেন না ।অনেক জোর করে তাকে বললে তিনি উত্তরে বলেন, “আমাকে অযান দিতে বলো না । কারণ এটা আমি পারবো না । আমি যখন আযান দিই তখন ‘আল্লাহু আকবর’ বলার সময় আমি ঠিক থাকি ।‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলার সময়ও ঠিক থাকি। ‘আশহাদু অন্না মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ বলার সময় মসজিদের মিম্বারের দিকে তাকিয়ে দেখি যে মহানবী (সঃ) বসে আছেন । কিন্তু যখন মিম্বারে তাকিয়ে তাকে দেখবো না, তখন সহ্য করতে পারবো না।”কিন্তু তবুও সাহাবীরা জোর করলো । অবশেষে হাসান ও হোসাইন (রাঃ) এসে তাকে জোর করলে তিনি রাজী হন । তার আযান শুনে সকল সাহাবীর চোখে পানি এসে যায় । কিন্তু আযানের মাঝেই বেলাল (রাঃ) বেহুশ হয়ে পরে যান ।তাকে সকলেই ধরে নিয়ে যান । পরে জ্ঞান ফিরার পর তিনি সকলকে বলেন, “আমি যখন আযান দিচ্ছিলাম তখন ‘আল্লাহু আকবর’ বলার সময় আমি ঠিক ছিলাম । ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলার সময়ও ঠিক ছিলাম । কিন্তু ‘আশহাদুঅন্না মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ বলার সময় মসজিদের মিম্বারের দিকে তাকিয়ে দেখি যে মহানবী (সঃ) আজ সেখান বসে নেই । এ দৃশ্য আমি সহ্য করতে পারলাম না। তাই জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেলাম।”

আজরাঈল (আ) কে থাপ্পর মারার সেই কাহিনী

তখন তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট আরজ করলেন, আপনি আমাকে এমন বান্দার নিকট প্রেরণ করেছেন যিনি মওত চান নাপৃথিবীর মানুষ যখন ভুল পথে ধাবিত হয় তখন মহান আল্লাহ তায়ালা এই পথভ্রষ্ট মানুষদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য যুগে যুগে পয়গম্বর পাঠিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালার পাঠানো পয়কম্বরের মধ্যে এমন আপনি জানেন কি কে আজরাঈলকে চড় মেরেছিলেন? দোযাহানের মধ্যে হযরত মূসা (আ)-ই একমাত্র ব্যক্তি যিনি আযরাঈল (আ)কে চড় মেরেছিল। মুসলমান হিসেবে আমরা কি সেই ঘটনাটি জানি? এ সংক্রন্ত একটি হাদিস নিচে বর্ণনা করা হলো-

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, রাসূল (স) বলেছেন, মালাকুল মাউত (জান কবজকারী ফেরেশতা) কে মূসা আ.-এর নিকট প্রেরণ করা হল। তিনি যখন এলেন তখন মূসা আ. তাকে জোরে থাপ্পড় মারলেন। যার ফলে মালাকুল মাউতের চক্ষু বের হয়ে পড়ল।তখন তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট আরজ করলেন, আপনি আমাকে এমন বান্দার নিকট প্রেরণ করেছেন যিনি মওত চান না। আল্লাহ তায়ালা তখন (নিজ কুদরতে) তার চক্ষু আপন স্থানে ফিরিয়ে দিয়ে বললেন, তুমি আবার যাও এবং তাকে বল-আপনি একটি ষাঁড়ের পিঠে হাত রাখুন।ঐ হাতের নিচে যত পশম পড়বে আপনি চাইলে এর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে আপনার হায়াত এক বছর করে দীর্ঘায়িত হবে। মূসা আ. এ কথা শুনে বললেন, এরপর কী হবে? আল্লাহ তাআলা বললেন, মৃত্যুই আসবে।মূসা আ. বললেন, তাহলে এখনি মৃত্যু দিন। (সহীহ বুখারী হাদীস : ৩৪০৭; সহীহ মুসলিম হাদীস : ২৩৭২ উল্লেখ্য, বিখ্যাত হাদীস-বিশারদগণ বলেন, মালাকুল মাওত মূসা আ.-এর অনুমতি না নিয়েই মানুষের বেশে তাঁর ঘরে প্রবেশ করেছিলেন। তখন তিনি তাকে না চিনতে পেরে বিনা অনুমতিতে ঘরে প্রবেশ করার কারণে চপেটাঘাত করেন।একজন নবী আছেন, যিনি সয়ং আজরাঈল (আ) কে চড় মেরেছিলেন।