একটা মেয়ে পর্দা না করলে কত কিছু বলেন! জানেন কি একজন পুরুষেরও পর্দা করা সমভাবে জরুরি

একটা মেয়ে পর্দা না করলে কত কিছু বলেন! জানেন কি একজন পুরুষেরও পর্দা করা সমভাবে জরুরি। ইসলামে নারী পুরুষ সকলকেই পর্দা করতে বলা হয়েছে দুজনে উপরই Continue reading “একটা মেয়ে পর্দা না করলে কত কিছু বলেন! জানেন কি একজন পুরুষেরও পর্দা করা সমভাবে জরুরি”

বিয়ে করলে২০০ কোটি, কিন্তু রাজি হচ্ছেন না কেউ। (কারন জানলে অবাক হবেন)

বিলিয়নিয়ার বাবার মেয়ে। মেয়ের বিয়েতে বর পাবেন ২০০ কোটি টাকা ‘যৌতুক’। তবে শর্ত একটাই, মেয়েকে বিয়ে করার জন্য রাজি করাতে হবে। মেয়ে বিয়েতে রাজি হলেই পাত্র পাবেন ২০০ কোটি। মেয়ে কোনও পুরুষকেই পছন্দ করেন না। কোনও রকম যৌন সম্পর্ক Continue reading “বিয়ে করলে২০০ কোটি, কিন্তু রাজি হচ্ছেন না কেউ। (কারন জানলে অবাক হবেন)”

যে পাঁচ আয়াত তেলাওয়াত করলে অশান্তি দূর হয়

মনে খুব অশান্তি যাচ্ছে? ঘরে বাইরে নানা সংকট এসে জেকে ধরেছে? চতুর্দিক থেকে বিপদেরা আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে? তাহলে সাকিনাহ প্রয়োজন। সাকিনাহ অর্থ প্রশান্তি। Continue reading “যে পাঁচ আয়াত তেলাওয়াত করলে অশান্তি দূর হয়”

মহানবী নিজে বলে গেছেন যে কাজ গুলো করলে জান্নাত নিশ্চিত

মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী জিনিস (জিহ্বা) এবং দুই উরুর মধ্যবর্তী জিনিসের (লজ্জাস্থান Continue reading “মহানবী নিজে বলে গেছেন যে কাজ গুলো করলে জান্নাত নিশ্চিত”

জিনার শাস্তি কি? বিবাহিত নারী পুরুষ জিনা করলে কি করণীয়? এর কোন মাসালা আছে কি?(জেনে নিন ওয়াজের ভিডিওসহ)

জিনা বহু প্রকার এবং অনেক ভাবে জিনা হয়। প্রথমে দেখি নারীদের ব্যাপারে রাসূল (সাঃ) কি বলেছেন। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “নারীদের পুরোটাই হচ্ছে “আওরাহ” বা সতর Continue reading “জিনার শাস্তি কি? বিবাহিত নারী পুরুষ জিনা করলে কি করণীয়? এর কোন মাসালা আছে কি?(জেনে নিন ওয়াজের ভিডিওসহ)”

যে ভুলগুলো করলে আপনার সন্তানও হিজড়া হবে ! সময় থাকতে জেনে নিন

প্রকৃতপক্ষে, ট্রান্সজেন্ডার লোকজন তারা যাদের পুরুষ এবং মহিলাদের থেকে আলাদা হয় । ডাক্তারদের মতে ট্রান্সজেন্ডার মানুষেদের মধ্যে পুরুষ ও নারীর বৈশিষ্ট্য একসাথে থাকে। উপরে প্রদর্শিত পুরুষের মতন একজন Continue reading “যে ভুলগুলো করলে আপনার সন্তানও হিজড়া হবে ! সময় থাকতে জেনে নিন”

যে যে আমল করলে রুজি-রোজগার বেড়ে যায়– জেনে রাখুন

কি কি আমল করলে রুজি-রোজগার বাড়ে – মুসলিম মাত্রেই বিশ্বাস করেন যে তার আয় ও উপার্জন, জীবন ও মৃত্যু, এবং সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্য ইত্যাদি র্নিধারণ হয়ে যায় যখন তিনি মায়ের উদরে থাকেন। আর এসব তিনি Continue reading “যে যে আমল করলে রুজি-রোজগার বেড়ে যায়– জেনে রাখুন”

যে আয়াত গুলো পাঠ করে পানিতে ফু দিয়ে পান করলে যেকোনো ধরণের রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন

কুরআন মানুষের কল্যাণে নাজিল হয়েছে। মানুষের জবীবনে এমন কিছু নেই যা কুরআনের আলোচনায় আসেনি। এ কুরআনে এমন কিছু আয়াত আছে যেগুলো বিভিন্ন রোগ-ব্যাধির জন্য শিফা স্বরূপ। তাই এ সব আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে রোগ থেকে মুক্তি চাওয়া উচিৎ। রোগ থেকে মুক্তি লাভে পূর্ব শর্ত হচ্ছে আল্লাহর বিধানকে জানা এবং যথাযথ মানার পাশাপাশি পূর্ণ আস্থা এবং বিশ্বাস রাখা। রোগ-ব্যাধি থেকে শিফা লাভে কয়েকটি আয়াত তুলে ধরা হলো-

ক. বিসমিল্লাহরসহ সুরা ফাতিহা তিলাওয়াত
بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ – الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ – مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ – إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ – اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ – صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ – اَمِيْن – খ. সূরা তাওবার ১৪নং আয়াত وَيَشْفِ صُدُورَ قَوْمٍ مُؤْمِنِينَ উচ্চারণ- ওয়া ইয়াশফি ছুদু-রা ক্বাওমিম মু’মিনি-ন। অর্থ : এবং মু’মিনদের (মুসলমানদের) অন্তরসমূহ শান্ত করে দেন। গ. সুরা ইউনুসের ৫৭নং আয়াত وَشِفَاءٌ لِمَا فِي الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ উচ্চারণ : ওয়া শিফাউ’ল লিমা- ফিচ্ছুদু-রি ওয়া হুদাও ওয়া রাহমাতুল লিল মু’মিনি-ন। অর্থ : এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য। ঘ. সুরা নহলের ৬৯ নং আয়াত يَخْرُجُ مِنْ بُطُونِهَا شَرَابٌ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِلنَّاسِ
উচ্চারণ : ইয়াখরুঝু মিমবুতু-নিহা- শারা-বুম মুখতালিফুন, আলওয়ানুহু- ফি-হি শিফা-উ লিন্না-সি। অর্থ : তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার। ঙ. সুরা শুআরার ৮০ নং আয়াত وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ উচ্চারণ : ওয়া ইজা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফি-নি। অর্থ : যখন আমি রোগাক্রান্ত হই, তখন তিনিই আরোগ্য দান করেন। চ. সুরা বনি ইসরাঈলের ৮২নং আয়াত وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِلْمُؤْمِنِينَ উচ্চারণ : ওয়া নুনাজ্জিলু মিনাল ক্বুরআ’নি মা হুয়া শিফাউও ওয়া রাহমাতিুল লিলমু’মিনি-ন। অর্থ : আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত। উপরোল্লিখিত আয়াতগুলো একবার তিলাওয়াত করে একটি পানিভর্তি পাত্রে দম করে পানিটি পান করলে আল্লাহ তাআলা জটিল ও কঠিন রোগ থেকে তার বান্দাদের হিফাজত করবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কুরআনি আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

জাগো নিউজ ২৪ ডট কম থেকে সংগৃহিত

যে আয়াত পাঠ করলে ঘরে দারিদ্রতা প্রবেশ করে না !

মুসলমানদের ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কোরআন মানব জীবনের সকল সমস্যার সমাধান দিতে পারেন ।পবিত্র কোরআনের সূরাহ বাকারায় এমন একটি আয়াত রয়েছে যেটি নিয়মিত পাঠ করলে ঘরে দারিদ্রতা প্রবেশ করতে পারে না।

দেখে নিন আয়াতটির (আয়াতুল কুরসি) আরবি উচ্চারণ:
ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺎَﻟ َ ﻮُﻫ ﺎَّﻟِﺇ َ ﻪَﻟِﺇ ُّ ﻲَﺤْﻟﺍ ُ ﻡﻮُّﻴَﻘْﻟﺍ
ﺎَﻟ ٌ ﺔَﻨِﺳ ُ ﻩُﺬُﺧْﺄَﺗ
ﺎَﻟَﻭ ُ ﻪَﻟ ٌ ﻡْﻮَﻧ
ﺎَﻣ ﻲِﻓ ِ ﺕﺍَﻭﺎَﻤَّﺴﻟﺍ ﺎَﻣَﻭ ﻲِﻓ ْ ﻦَﻣ ِ ﺽْﺭَﺄْﻟﺍ ﺍَﺫ ﻱِﺬَّﻟﺍ
ﻳَﺸْﻔَﻊُ ُ ﻩَﺪْﻨِﻋ
ﺑِﺈِﺫْﻧِﻪِ ﺎَّﻟِﺇ ُ ﻢَﻠْﻌَﻳ ﺎَﻣ ْ ﻢِﻬﻳِﺪْﻳَﺃ َ ﻦْﻴَﺑ ْ ﻢُﻬَﻔْﻠَﺧ ﺎَﻣَﻭ ﺎَﻟَﻭ
ﻳُﺤِﻴﻄُﻮﻥَ
ﺑِﺸَﻲْﺀٍ ِ ﻪِﻤْﻠِﻋ ْ ﻦِﻣ ﺎَّﻟِﺇ َ ﺀﺎَﺷ ﺎَﻤِﺑ َ ﻊِﺳَﻭ ُ ﻪُّﻴِﺳْﺮُﻛ
ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﻭَﺍﺕِ
ﻭَﺍﻟْﺄَﺭْﺽَ ﺎَﻟَﻭ ﺎَﻤُﻬُﻈْﻔِﺣ ُ ﻩُﺩﻮُﺌَﻳ َ ﻮُﻫَﻭ ُّ ﻲِﻠَﻌْﻟﺍ
ﺍﻟْﻌَﻈِﻴﻢُ
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহু লাইলাহা ইল্লাহুওয়াল হাইয়্যুল ক্বইউম, লাতা’খুযুহু সিনাতুওঁ ওয়ালা নাওম, লাহু মাফিস্* সামাওয়াতি ওয়ামা ফিল আরয। মানযাল্লাযি ইয়াশ্*ফাউ ইন্*দাহু ইল্লা বিইযনিহ। ইয়ালামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহীতূনা বিশাইয়িম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমাশাআ ওয়াসিয়া কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরযা, ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা ওয়াহুওয়াল আলিয়্যুল আযীম। (সূরা বাকারঃ ২৫৫)

আয়াতটির ফজিলত:
১. এই দোয়া পড়ে বাড়ি থেকে বের হলে ৭০ হাজার ফেরেস্তা চারদিক থেকে রক্ষা করে।
২. নিয়মিত আয়াতুল কুরসি পড়লে ঘরে দারিদ্রতা প্রবেশ করতে পারেনা।
৩. দোয়টি পড়ে ঘুমাতে গেলে সারারাত একজন ফেরেস্তা তাকে পাহারা দেন।
৪. ফরজ নামাযের পর আয়াতুল কুরসি পড়লে তার আর বেহেস্তের মধ্য তার যে দূরত্ব থাকে সেটি হলো মৃত্যু।
৫. ওজু করার পরে এই দোয়া পড়লে আল্লাহর নিকট ৭০ গুন মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
৬. আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে কবরের আযাব কমে যায়।

কোন সূরা পাঠ করলে আল্লাহ্ তায়ালা মনের বাসনা পূর্ণ করেন

বিত্র কুরআন শরীফে ১১৪ টি সুরা আছে। প্রতিটি সুরার আছে স্পেশাল কিছু বিশিষ্ট। নিচে এমন একটি সুরার বর্ণনা দেওয়া হলো যার ফজিলত অপরিসীম;।

আবু সোলায়মান দারানী বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে কোন প্রার্থনা করতে চায়, তার উচিত, প্রথম দরূদ পাঠ করা এবং দরূদ দ্বারা

দোয়া শেষ করা কেননা, আল্লাহ উভয় দরূদ কবুল করেন।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যখন তোমরা আল্লাহর নিকট চাও তখন আমার প্রতি দরূদ পাঠ কর। আল্লাহর

শান এরূপ নয় যে, কেউ তার কাছে দুইটি জিনিস চাইলে একটি পূর্ণ করবেন এবং অপরটি করবেন না। সূরা এখলাছ তিনবার পাঠ

করে আল্লাহ্’র দরবারে দোয়া করলে আল্লাহ্ নেক আশা পূর্ন করেন।

যে ব্যক্তি দৈনিক এশার নামাজ পর এই পাক নামটি ইয়া জাহিরু ১০০বার পাঠ করে তার মনের সকল নেক বাসনা পূর্ণ হয়।