এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির কাছে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রা ঋণ চেয়েছিল (ইসলামিক গল্প)

প্রিয় নবী স. এরশাদ করেছেন : বণী ইসরাঈলে এক ব্যক্তি ছিল যে অন্য এক ব্যক্তি থেকে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রা ঋণ চেয়েছিল। সে ব্যক্তি বললো : তুমি যে স্বর্ণমুদ্রা ঋণ গ্রহণ করবে তার জন্য একজন সাক্ষী হাযির কর। লোকটি বলল : আমার জন্য সাক্ষী হিসেবে আল্লাহ পাকই Continue reading “এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির কাছে এক হাজার স্বর্ণমুদ্রা ঋণ চেয়েছিল (ইসলামিক গল্প)”

তরবারি দিয়ে হযরত আলীর ওপর আঘাত হানল পড়ুন এক করুন গল্প

পঞ্চম হিজরির জিলকদ মাসে মক্কার মুশরিকরা দশ হাজার সৈন্য নিয়ে মদীনা আক্রমণের পরিকল্পনা করে। মুসলমানরা হযরত সালমান ফারসির পরামর্শে বিশাল এক পরিখা খনন Continue reading “তরবারি দিয়ে হযরত আলীর ওপর আঘাত হানল পড়ুন এক করুন গল্প”

রমজানের বিশ তারিখ সকালে নবীজির স্বপ্নে ঘটা এক ঘটনা(ইসলামিক গল্প)

হা দীসে উল্লেখ আছেঃ মূসা (রহঃ), আবূ সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু সায়িদ খুদরি (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আমাদের খেজুর বাগানে চলুন, (হাদিস Continue reading “রমজানের বিশ তারিখ সকালে নবীজির স্বপ্নে ঘটা এক ঘটনা(ইসলামিক গল্প)”

এক ব্যক্তি রাসূলের চাচাকে চোর বলেছিলো তারপর যা হয়েছিল(ইসলামিক গল্প)

এক ব্যক্তি এক মসজিদে ঘুমন্ত ছিলো আর তার পাশে ছিলো তার চলার সাথি একটি মুদ্রার থলে।যখন তার ঘুম ভাংল সে দেখল তার থলে নাই।অতঃপর সে একজন ব্যক্তিকে তার Continue reading “এক ব্যক্তি রাসূলের চাচাকে চোর বলেছিলো তারপর যা হয়েছিল(ইসলামিক গল্প)”

একবার এক প্লেন দুর্ঘটনায় শুধু একজন বাদে সবাই মারা যায়..(শিক্ষণীয় ইসলামিক গল্প)

একবার এক প্লেন দুর্ঘটনায় শুধু একজন বাদে সবাই মারা যায়, প্লেনটা ক্র্যাশ করে একটা নির্জনদ্বীপে। জনমানবসংকীর্ণ দ্বীপের চারিদিকে শুধু জল আর জল । কিন্তু তাকে উদ্ধার করার মতো কোন জাহাজও আশেপাশে চোখে পড়ছেনা। দিন যায়, মাস যায়- লোকটি Continue reading “একবার এক প্লেন দুর্ঘটনায় শুধু একজন বাদে সবাই মারা যায়..(শিক্ষণীয় ইসলামিক গল্প)”

নতুন এক গুচ্ছ মজার জোকস

স্যার এক ছাত্রকে নিমাই বলে ডাকতেন। তাই বল্টু একদিন স্যারকে জিজ্ঞাসা করল : স্যার, আপনি ওই ছেলেটাকে নিমাই ডাকেন কেন? স্যারঃ ও প্রতিদিন আমাকে নিম পাতা এনে Continue reading “নতুন এক গুচ্ছ মজার জোকস”

এক সুন্দরী মহিলা ঘরে শুয়ে থাকতো এক বেটা দরজায় টোকা মারতো (জোকস)

শফিক সাহেব: আমি আগামী মাস থেকে যৌতুকবিরোধী আন্দোলনে নামব। কী বলেন? রফিক সাহেব: কেন, এ মাসে নামবেন না কেন? শফিক সাহেব: এ মাসে আমার ছেলের Continue reading “এক সুন্দরী মহিলা ঘরে শুয়ে থাকতো এক বেটা দরজায় টোকা মারতো (জোকস)”

সূরাঃ আর-রহমান! সৃষ্টির রহস্য আল্লাহ্‌ তাআলা এক সূরাতেই প্রকাশ করে দিয়ে ছিলো! আসুন জেনে নেই এর বাংলা অনুবাদ

সূরাঃ আর-রহমান! সৃষ্টির রহস্য আল্লাহ্‌ তাআলা এক সূরাতেই প্রকাশ করে দিয়ে ছিলো! আসুন জেনে নেই এর বাংলা অনুবাদ ও এর তাৎপর্যঃ- প্রথম শব্দটিকেই এ সূরার নাম হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। এভাবে বুঝানো হয়েছে যে, এটি সেই সূরা যা “আর-রাহমান” শব্দ দিয়ে শুরু হয়েছে।

imgur

তাছাড়া সূরার বিষয়বস্তুর সাথেও এ নামের গভীর মিল রয়েছে। কারণ এ সূরার মধ্যে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলার রহমতের পরিচায়ক গুণাবলী ও তার বাস্তব ফলাফলের উল্লেখ করা হয়েছে।

তেলাওয়াতটি শুনতে এই ভিডিওটিতে ক্লিক করুনঃ

নাযিলের সময়-কাল

তাফসীর বিশারদগণ সাধারণতঃ এ সূরাটিকে মক্কী সূরা বলে আখ্যায়িত করেন। যদিও হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, ইকরিমা ও কাতাদা থেকে কোন কোন হাদীসে একথা উদ্ধৃত হয়েছে যে, এ সূরা মদীনায় অবতীর্ণ তা সত্ত্বেও প্রথমত ঐ সব সম্মানিত সাহাবা বিষয়বস্তু মদীনায় অবতীর্ণ সূরাসমূহের তুলনায় মক্কায় অবতীর্ণ সূরাসমূহের সাথে বেশী সামঞ্জস্যপূর্ণ। এমন কি বিষয়বস্তুর বিচারে এটি মক্কী যুগেরও একেবারে প্রথম দিকের বলে মনে হয়। তাছাড়া বেশ কিছু নির্ভরযোগ্য হাদীস থেকে একথা প্রমাণিত হয় যে, এটি হিজরতের কয়েক বছর পূর্বে মক্কাতে নাযিল হয়েছিল। মুসনাদে আহমদে হযরত আসমা বিনতে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণনা করেছেনঃ কা’বা ঘরের যে কোণে হাজরে আসওয়াদ স্থাপিত আমি হারাম শরীফের মধ্যে সে কোণের দিকে মুখ করে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নামায পড়তে দেখেছি। তখনও পর্যন্ত আল্লাহর নির্দেশ ( তোমাকে যে নির্দেশ দেয়া হচ্ছে তা প্রকাশ্যে বলে দাও) নাযিল হয়নি। সে নামাযে মুশরিকরা তাঁর মুখ থেকে কথাটি শুনেছিল। এ থেকে জানা যায় যে, এ সূরাটি সূরা আল হিজরের পূর্বেই নাযিল হয়েছিল।

imgur

আল বাযযার, ইবনে জারীর, ইবনুল মুনযির, দারুকুতনী (ফীল আফরাদ), ইবনে মারদুইয়া এবং আল খাতীব (ফিত তারীখ) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে এ হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন যে, একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে সূরা আর রহমান তিলাওয়াত করলেন অথবা এ সূরাটি তাঁর সামনে পাঠ করা হলো। পরে তিনি লোকদের বললেনঃ জিনরা তাদের রবকে যে জওয়াব দিয়েছিল তোমাদের নিকট থেকে সে রকম সুন্দর জওয়াব শুনছি না কেন? লোকেরা বললো, সে জওয়াব কি ছিল! নবী ( সা) বললেনঃ যখনই আমি আল্লাহর বাণী ( ) পড়ছিলাম, জিনরা তার জবাবে বলেছিল ( ) “আমরা আমাদের রবের কোন নিয়ামতকেই অস্বীকার করি না। ”

imgur

তিরমিযী, হাকেম ও হাফেজ আবু বকর বায্যার হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ থেকে প্রায় অনুরূপ বিষয়বস্তু সম্বলিত হাদীস বর্ননা করেছেন। তাঁদের বর্ণনার ভাষা হচ্ছেঃ সূরা রাহমানের তিলাওয়াত শুনে লোকজন যখন চুপ করে থাকলো তখন নবী ( সা) বললেনঃ “যে রাতে কুরআন শোনার জন্য জিনরা একত্রিত হয়েছিল, সে রাতে আমি জিনদের এ সূরা শুনিয়েছিলাম। তারা তোমাদের চেয়ে এর উত্তম জওয়াব দিচ্ছিল। যখনই আমি আল্লাহর তা’আলার এ বাণী শুনাচ্ছিলাম হে জিন ও মানুষ তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে” তখনই তারা জওয়াবে বলেছিলঃ হে আমাদের বর, আমরা তোমার কোন নিয়ামতকেই অস্বীকার করি না। সব প্রশংসা কেবল তোমরাই। ”

imgur

এ হাদীস থেকে জানা যায়, সূরা আহকাফে ( ২৯ থেকে ৩২ আয়াত) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মুখ থেকে জিনদের কুরআন শোনার যে ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে সেই সময় নবী ( সা) নামাযের সূরা আর রাহমান পাঠ করেছিলেন। এটা নবুওয়াতের ১০ম বছরের ঘটনা। সে সময় নবী ( সা) তায়েফ সফর থেকে ফেরার পথে “নাখলা” নামক স্থানে কিছু সময় অবস্থান করেছিলেন। যদিও অপর কিছু সংখ্যক হাদীসে বর্ণনা করা হয়েছে যে, সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জানা ছিল না যে, জিনেরা তাঁর নিকট থেকে কুরআন শরীফ শুনছে। বরং পরে আল্লাহ তা’আলা তাঁকে এ অবহিত করেছিলেন যে, জিনেরা তাঁর কুরআন তিলাওয়াত শুনেছিলো কিন্তু আল্লাহ তা’আলা নবীকে ( সা) যেভাবে জিনদের কুরআন তিলাওয়াত শোনা সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন অনুরূপভাবে তাঁকে একথাও জানিয়েছিলেন যে, কুরআন তিলাওয়াত শোনার সময় তারা কি জওয়াব দিচ্ছিল। এরূপ হওয়াটা অযৌক্তিক ব্যাপার নয়।

imgur

সূরা আর-রহ্‌মানের অনুবাদঃ

بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

الرَّحْمَنُ

01

করুনাময় আল্লাহ।

عَلَّمَ الْقُرْآنَ

02

শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন,

خَلَقَ الْإِنسَانَ

03

সৃষ্টি করেছেন মানুষ,

عَلَّمَهُ الْبَيَانَ

04

তাকে শিখিয়েছেন বর্ণনা।

الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ

05

সূর্য ও চন্দ্র হিসাবমত চলে।

وَالنَّجْمُ وَالشَّجَرُ يَسْجُدَانِ

06

এবং তৃণলতা ও বৃক্ষাদি সেজদারত আছে।

وَالسَّمَاء رَفَعَهَا وَوَضَعَ الْمِيزَانَ

07

তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন তুলাদন্ড।

أَلَّا تَطْغَوْا فِي الْمِيزَانِ

08

যাতে তোমরা সীমালংঘন না কর তুলাদন্ডে।

وَأَقِيمُوا الْوَزْنَ بِالْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا الْمِيزَانَ

09

তোমরা ন্যায্য ওজন কায়েম কর এবং ওজনে কম দিয়ো না।

وَالْأَرْضَ وَضَعَهَا لِلْأَنَامِ

10

তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্টজীবের জন্যে।

فِيهَا فَاكِهَةٌ وَالنَّخْلُ ذَاتُ الْأَكْمَامِ

11

এতে আছে ফলমূল এবং বহিরাবরণবিশিষ্ট খর্জুর বৃক্ষ।

وَالْحَبُّ ذُو الْعَصْفِ وَالرَّيْحَانُ

12

আর আছে খোসাবিশিষ্ট শস্য ও সুগন্ধি ফুল।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

13

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

خَلَقَ الْإِنسَانَ مِن صَلْصَالٍ كَالْفَخَّارِ

14

তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুষ্ক মৃত্তিকা থেকে।

وَخَلَقَ الْجَانَّ مِن مَّارِجٍ مِّن نَّارٍ

15

এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নিশিখা থেকে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

16

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

رَبُّ الْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ الْمَغْرِبَيْنِ

17

তিনি দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের মালিক।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

18

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ

19

তিনি পাশাপাশি দুই দরিয়া প্রবাহিত করেছেন।

بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ

20

উভয়ের মাঝখানে রয়েছে এক অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করে না।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

21

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

يَخْرُجُ مِنْهُمَا اللُّؤْلُؤُ وَالْمَرْجَانُ

22

উভয় দরিয়া থেকে উৎপন্ন হয় মোতি ও প্রবাল।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

23

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

وَلَهُ الْجَوَارِ الْمُنشَآتُ فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ

24

দরিয়ায় বিচরণশীল পর্বতদৃশ্য জাহাজসমূহ তাঁরই (নিয়ন্ত্রনাধীন)

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

25

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

كُلُّ مَنْ عَلَيْهَا فَانٍ

26

ভূপৃষ্টের সবকিছুই ধ্বংসশীল।

وَيَبْقَى وَجْهُ رَبِّكَ ذُو الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

27

একমাত্র আপনার মহিমায় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

28

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

يَسْأَلُهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأنٍ

29

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সবাই তাঁর কাছে প্রার্থী। তিনি সর্বদাই কোন না কোন কাজে রত আছেন।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

30

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

سَنَفْرُغُ لَكُمْ أَيُّهَا الثَّقَلَانِ

31

হে জিন ও মানব! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্যে কর্মমুক্ত হয়ে যাব।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

32

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ إِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا مِنْ أَقْطَارِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ فَانفُذُوا لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَانٍ

33

হে জিন ও মানবকূল, নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়, তবে অতিক্রম কর। কিন্তু ছাড়পত্র ব্যতীত তোমরা তা অতিক্রম করতে পারবে না।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

34

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِّن نَّارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا تَنتَصِرَانِ

35

ছাড়া হবে তোমাদের প্রতি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ও ধুম্রকুঞ্জ তখন তোমরা সেসব প্রতিহত করতে পারবে না।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

36

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فَإِذَا انشَقَّتِ السَّمَاء فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ

37

যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

38

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُسْأَلُ عَن ذَنبِهِ إِنسٌ وَلَا جَانٌّ

39

সেদিন মানুষ না তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে, না জিন।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

40

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

يُعْرَفُ الْمُجْرِمُونَ بِسِيمَاهُمْ فَيُؤْخَذُ بِالنَّوَاصِي وَالْأَقْدَامِ

41

অপরাধীদের পরিচয় পাওয়া যাবে তাদের চেহারা থেকে; অতঃপর তাদের কপালের চুল ও পা ধরে টেনে নেয়া হবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

42

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

هَذِهِ جَهَنَّمُ الَّتِي يُكَذِّبُ بِهَا الْمُجْرِمُونَ

43

এটাই জাহান্নাম, যাকে অপরাধীরা মিথ্যা বলত।

يَطُوفُونَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ حَمِيمٍ آنٍ

44

তারা জাহান্নামের অগ্নি ও ফুটন্ত পানির মাঝখানে প্রদক্ষিণ করবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

45

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ جَنَّتَانِ

46

যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে পেশ হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্যে রয়েছে দু’টি উদ্যান।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

47

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

ذَوَاتَا أَفْنَانٍ

48

উভয় উদ্যানই ঘন শাখা-পল্লববিশিষ্ট।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

49

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فِيهِمَا عَيْنَانِ تَجْرِيَانِ

50

উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবন।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

51

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فِيهِمَا مِن كُلِّ فَاكِهَةٍ زَوْجَانِ

52

উভয়ের মধ্যে প্রত্যেক ফল বিভিন্ন রকমের হবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

53

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

مُتَّكِئِينَ عَلَى فُرُشٍ بَطَائِنُهَا مِنْ إِسْتَبْرَقٍ وَجَنَى الْجَنَّتَيْنِ دَانٍ

54

তারা তথায় রেশমের আস্তরবিশিষ্ট বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে। উভয় উদ্যানের ফল তাদের নিকট ঝুলবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

55

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?|

فِيهِنَّ قَاصِرَاتُ الطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ

56

তথায় থাকবে আনতনয়ন রমনীগন, কোন জিন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহার করেনি।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

57

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

كَأَنَّهُنَّ الْيَاقُوتُ وَالْمَرْجَانُ

58

প্রবাল ও পদ্মরাগ সদৃশ রমণীগণ।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

59

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

هَلْ جَزَاء الْإِحْسَانِ إِلَّا الْإِحْسَانُ

60

সৎকাজের প্রতিদান উত্তম পুরস্কার ব্যতীত কি হতে পারে?

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

61

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

وَمِن دُونِهِمَا جَنَّتَانِ

62

এই দু’টি ছাড়া আরও দু’টি উদ্যান রয়েছে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

63

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

مُدْهَامَّتَانِ

64

কালোমত ঘন সবুজ।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

65

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فِيهِمَا عَيْنَانِ نَضَّاخَتَانِ

66

তথায় আছে উদ্বেলিত দুই প্রস্রবণ।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

67

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فِيهِمَا فَاكِهَةٌ وَنَخْلٌ وَرُمَّانٌ

68

তথায় আছে ফল-মূল, খর্জুর ও আনার।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

69

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

فِيهِنَّ خَيْرَاتٌ حِسَانٌ

70

সেখানে থাকবে সচ্চরিত্রা সুন্দরী রমণীগণ।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

71

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

حُورٌ مَّقْصُورَاتٌ فِي الْخِيَامِ

72

তাঁবুতে অবস্থানকারিণী হুরগণ।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

73

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَانٌّ

74

কোন জিন ও মানব পূর্বে তাদেরকে স্পর্শ করেনি।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

75

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

مُتَّكِئِينَ عَلَى رَفْرَفٍ خُضْرٍ وَعَبْقَرِيٍّ حِسَانٍ

76

তারা সবুজ মসনদে এবং উৎকৃষ্ট মূল্যবান বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে।

فَبِأَيِّ آلَاء رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

77

অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

تَبَارَكَ اسْمُ رَبِّكَ ذِي الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

78

কত পূণ্যময় আপনার পালনকর্তার নাম, যিনি মহিমাময় ও মহানুভব।

বাগদাদের সন্নিকটে এক গ্রামে এক ব্যক্তি বাস করত। লোকটির একদিন সাদ জাগলো…

আল্লামা রুমী (রহ:) একটি ঘটনা লেখেন, বাগদাদের সন্নিকটে এক গ্রামে এক ব্যক্তি বাস করত। লোকটির একদিন সাদ জাগলো বাদশার দরবারে গিয়ে তার সাথে সাক্ষাত করবে। Continue reading “বাগদাদের সন্নিকটে এক গ্রামে এক ব্যক্তি বাস করত। লোকটির একদিন সাদ জাগলো…”

শাশুরিকে বিয়ে করে ভাইরাল হওয়া সেই জামাই আবারো ভাইরাল নতুন এক কান্ড ঘটিয়ে

শাশুরিকে বিয়ে করে ভাইরাল হওয়া সেই জামাই আবারো ভাইরাল নতুন এক কান্ড ঘটিয়ে। কি আজব পৃথিবী! প্রতিদিনি ঘটে যাচ্ছে কত কিছু। আসুস্থ জামাইকে সেবা করতে এসেছিলেন শাশুরি, এই ফাকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক Continue reading “শাশুরিকে বিয়ে করে ভাইরাল হওয়া সেই জামাই আবারো ভাইরাল নতুন এক কান্ড ঘটিয়ে”