মহানবী (সা.) এর সাথে জিবরাঈল আ. এর সাক্ষাৎ

ইসলাম ডেস্ক : নবী যুগের গল্প। মদিনার মসজিদে এক পথিক। গায়ে ধবধবে সাদা পোশাক। গভীর কালো চুল। মহানবীর সাক্ষাতে এসেছেন। সঙ্গে একগুচ্ছ প্রশ্ন। হজরত ওমর রা. বলেন, আমরাও নবীজিকে ঘিরে বসে আছি। অপরিচিত পথিক এসে নবীজির সামনে বসলেন। চোখে মুখে খুশির আমেজ। চেনা মুখ তবুও অচেনা। গায়ে মরুভূমির ধূলাবালির ছিটেফোটাও নেই। হাটুঘেরে নবীজির সামনে বসলেন। ঠিক যেন নামাজের বসা।

পথিক বললেন, হে মুহাম্মদ! ইসলাম কী? আমাকে ইসলাম সম্পর্কে বলুন! মুখ খুললেন নবীজি! বললেন, ইসলাম হচ্ছে তুমি সাক্ষ্য দিবে আল্লাহ ছাড়া কোন প্রভু নেই এবং মুহাম্মদ সা.আল্লাহর রাসুল, নামাজ কায়েম করবে, জাকাত দিবে, রমজানের রোজা পালন করবে এবং হজের যাওয়ার সামর্থ্য থাকলে হজ করবে! পথিক বললেন, প্রশ্নের জবাবে চমৎকার বলেছেন আপনি! হজরত ওমরসহ সাহাবারা ঘটনা দেখছে বিস্মিত হচ্ছে। মহানবীকে প্রশ্ন, আবার সেই জবাবের শৈল্পিক সত্যায়ন! অবাক হচ্ছেন সাহাবারা। আবারও পথিকের প্রশ্ন! ঈমান কাকে বলে! আমাকে ঈমান সম্পর্কে বলুন?

নবীজি বললেন, ঈমান হল আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা। সকল ফেরেশতা, সব আসমানি গ্রন্থ, সকল নবী-রাসুল, পরকালের এবং তাকদিরের ভালমন্দের প্রতি তোমার পূর্ণ আস্থা-বিশ্বাস লালন করা। অবাক সাহাবারা! পথিক আবারও বললেন, প্রশ্নের জবাবে চমৎকার বলেছেন আপনি!

পথিকের নতুন প্রশ্ন! ইহসান বা ইবাদতেরপূর্ণতা লাভ হবে কিভাবে? আমাকে ইহসান সম্পর্কে বলুন! নবীজি বললেন, তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করো, যেন তুমি আল্লাহ তায়ালাকে দেখছো। যদি তুমি আল্লাহকে নাও দেখো, মনের কোণে বদ্ধমূল রাখো নিশ্চিয় আল্লাহ তায়ালা তোমাকে দেখছেন। চমৎকার উত্তর, বললেন পথিক!

পথিকের শেষ প্রশ্ন! কেয়ামত কবে হবে? আমাকে কেয়ামত সম্পর্কে অবহিত করুন! নবীজি থেমে গেলেন। বললেন, এ বিষয়ে আপনিই আমার চেয়ে বেশি অবগত! বেচারা পথিক বললেন, ঠিক আছে,কেয়ামত বাদ রাখুন, তাহলে কেয়ামতের আলামত সম্পর্কে বলুন? নবীজি বললেন, বাদির সন্তানেরা ক্ষমতাধর হবে, অসহায়-গরীবেরা সুউচ্চ প্রাসাধ নিমার্ণে প্রতিযোগিতা করবে! বাহ! আপনি খুবই অসাধারণ বলেছেন-বললেন পথিক। সাক্ষাৎকার পর্ব এখানেই শেষ!

হজরত ওমর মন্ত্রমুগ্ধের মতো সব শোনলেন। নবীজি বললেন, হে ওমর! জানো এই পথিক কে? ওমর বললেন, আল্লাহ তায়ালা এবং তার রাসুলই সা. ভালো জানেন! নবীজি মৃদু হেসে বললেন, সে অচেনা পথিক নয়। তিনি ওহির বাহক হজরত জিবরাঈল আ.! এসেছিলেন তোমাদের দ্বীন শিক্ষা দেওয়ার জন্য! [সূত্র : বুখারি শরিফ]

শেষ মুহূর্তে পাইলটের সাথে ট্রাফিক কন্ট্রোলারের কথোপকথন (ভিডিও সহ)

ইউএস বাংলার বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলটের সাথে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যে কথোপকথন হয় তার রেকর্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে।

এ কথোপকথন থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, এটিসির ভুল নির্দেশনায় পাইলট বিভ্রান্ত হয়েছেন। কথোপকথনে প্রথমে ট্রাফিক কন্ট্রোল ইউএস বাংলাকে বলছে রানওয়ে ২০ বরাবর অ্যাপ্রোচ না করতে। (রানওয়ের এক পাশের নম্বর ২০, অন্যপাশের ০২) কারণ ট্রাফিক আছে ওই পাশে, ২৭০ ডিগ্রির মতো টার্ন নিতে বলেছে।

পাইলট তখন বলেছেন, ওকে। এর কিছুণ পরে ট্রাফিক কন্ট্রোল বলেছে ইউএস বাংলাকে রানওয়ে ২০ কিয়ার, এখন অ্যাপ্রোচ করতে পারো ২০ বরাবর। তখনো পাইলটের কাছে রানওয়ে ভিজিবল না। এর একটু পরে ট্রাফিক কন্ট্রোলের আরেকজন (গলা শুনে বোঝা গেছে যে প্রথমে কথা বলেছে সে না) জিজ্ঞেস করে ইউএস বাংলাকে, রানওয়ে কি দেখা যাচ্ছে? পাইলট প্রথমে না বললেও কয়েক সেকেন্ড পরেই বলে হ্যাঁ রানওয়ে দেখা যাচ্ছে এবং পাইলটের পাশ থেকে ০২ প্রান্তটা দেখা যাচ্ছিল।

কারণ শুরুতে ২০-এর দিকে অ্যাপ্রোচ না করতে বলার কারণে কিন্তু অন্য পাশে আগেই ঘুরে গিয়েছিল ইউএস বাংলা। ০২ নজরে পড়ে পাইলটের এবং তিনি বলেন , ০২ বরাবর তিনি ল্যান্ড করতে যাচ্ছেন। তখন ট্রাফিক কন্ট্রোল বলে, ঠিক আছে করো ০২ বরাবর ল্যান্ড। এর একটু পরেই প্রথমে ট্রাফিক কন্ট্রোলের যে কথা বলেছিল সে আরেকটা প্লেনকে বলে যে, ইউএস বাংলা ২০ বরাবর ল্যান্ড করছে। কারণ শুরুতে ইউ এস বাংলাকে সে ওই বরাবর কিয়ার করে দিয়েছে।

অন্য ট্রাফিক কন্ট্রোলার যে নিজের মতো করে আন্দাজে ০২ বরাবর ল্যান্ড করতে বলেছে ইউএস বাংলাকে তা সে শোনেনি। এই ০২ বরাবর ল্যান্ড করতে গিয়েই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে ইউএস বাংলা। অরতি ০২ বরাবর ল্যান্ড করতে যাবে এমন অবস্থায় সম্ভবত প্রথম ট্রাফিক কন্ট্রোলারের নজরে জিনিসটা আসে এবং তাকে পরে বলতে শোনা যায়, ইউএস বাংলা ডানে টার্ন করো। কিন্তু ততণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।

শুনুন সেই কথোপকথন –

বিধ্বস্তের আগে ভুল নির্দেশনা পেয়েছিল বিমানটি

কেন বিধ্বস্ত হলো বিমানটি এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এবং নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পাইলটকে দায়ী করলেও এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ দায়ী করছে বিমানবন্দরকে।

ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার কারণ জানতে অনুসন্ধান চলছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উঠে এসেছে এ নিয়ে নানা বক্তব্য।

আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ত্রিভুবন বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার রাজ কুমার ছেত্রি বলেছেন, বিমানটি নিয়ন্ত্রণকক্ষের নির্দেশনা না মেনে ভুল দিকে অবতরণ করেছে।

এদিকে, ইউএস বাংলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ এই অভিযোগ অস্বীকার করে আলজাজিরাকে বলেছেন, তাদের পাইলটের কোনো দোষ নেই। বরং নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে ভুল নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিলো।

হিন্দুস্থান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেপালের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক সঞ্জীব গৌতম বলেছেন, দক্ষিণ দিক থেকে অবতরণ করার কথা থাকলেও বিমানটি অবতরণ করেছে উত্তর দিক থেকে।

এদিকে, সংবাদ মাধ্যম সিএনএন এক প্রত্যক্ষদর্শীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, প্রথমে মনে হয়েছিলো মেঘের কারণে বিমানটি বিমানবন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে খুব নিচু হয়ে নামছিলো। কিন্তু পরক্ষণেই বিমানটি তার গতিপথ পরিবর্তন করে এবং বিধ্বস্ত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক অনেক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিমানটির অবতরণ স্বাভাবিক ছিলো না।

দ্য হিমালয়ান টাইমস জানিয়েছে, এরই মধ্যে নেপালের প্রধানমন্ত্রী খাদগা প্রসাদ শর্মা এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, ৭১ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত হওয়ার পর ৫০ জন নিহত হয়। তবে নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, নিহতের সংখ্যা ৪৯। এদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি তা জানা যায়নি।

রাতের জোকসঃ বউ মা তুমি কাপড় তুলো আমি দুধ লাড়ি।

বাড়িতে কেউ ছিলোনা।
শুশুর আর ছেলের বউ।
শশুর বসে আছে আর বউ দুধ
গরম করতেছে।
ঠিক এমন সময় আকাশে
বৃষটি এসেছে।
তখন শশুর বউকে বলল।
বউমা তুমি কাপড় তুলো আমি দুধ লাড়ি।

ভিতরে ঢুইকা গেছে

এক লোক খুব লাজুক। সারাদিন বই পড়ে।… বিয়ের ২ মাস
পর ও সে তার বৌ এর সাথে কিছুই না করায় বৌ হতাশ।
এক রাতে লোকটি পড়ছে।বৌ তাকে আকর্ষন করতে সব
কাপড় খুলে খাটেশুয়ে পড়লো।লোকটি লজ্জা পেয়ে বৌ এর
ঐ জায়গা বই দিয়ে ঢেকে বাইরে চলে গেল . . .
ঠিক তখনই ছোট ভাই ঘরে ঢুকে এই অবস্থা দেখে চিত্কার
করে বলতে থাকলো . . .
“ মা . . . . . . . . . . . !
ও . . . . . মা !!
দেইখা যাও . . . !!
ভাইজান তো পুরা ভিতরে ঢুইকা গেছে খালি বই টা বাকী!!!!

এতো জোর

মেয়েঃ ওহ!!! আবার রক্ত বের হচ্ছে……একটু তাড়াতাড়ি করুন…অনেক
ব্যাথা লাগছে তো… ওহ!!! ওইই!!! মা…….
ছেলে : ওকে ওকে এবার তাহলে একটু বড় হা কর তা নাহলে তো আমি
ফেলতে পারবো না……
মেয়ে : আহ!!! এতো জোর…!!! এবার থামুন তো,…। এতো কষ্ট,
উফফ ….
.
.
. .
. .
.
.
ডাক্তারঃ এই নাও… আক্কেল দাঁত উঠানোর কাজ শেষ…..এবার খুশি
তো???

জেনে নিন, জান্নাতে সর্ব প্রথম গান শোনাবেন হুরেরা: কেমন হবে সেই গান

জান্নাতে সর্ব প্রথম গান শোনাবেন হুরেরা। তাতে কেটে যাবে ৭০ বছর। জান্নাতি বাতাসে গাছের পাতার সাথে মিলিয়ে অপূর্ব এক বাজনা সৃষ্টি করবে। আর জান্নাতের হুরদের সাথে সুর মিলাবে! সুরের মুর্ছনায় গোটা জান্নাত মুখরিত হয়ে যাবে!!

আল্লাহ্ তখন জান্নাত বাসীদের কাছে জানতে চাইবেন, “কেমন লাগলো”? সকলেই জবাব দিবে, “খুব ভাল”, আল্লাহ্ বলবেন, “এর চেয়েও ভাল শোন”? জান্নাত বাসী বলবে “হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভাল কি”? তখন আল্লাহ্ হযরত দাউদ (আঃ)কে ডাক দিয়ে বলবেন, “হে দাউদ এবার তুমি শুনাও”!!

দাউদ (আঃ) বলবেন, “হে আল্লাহ্ আমার কন্ঠ তো দুনিয়াতে ছিল যবুর শরীফে”। আল্লাহ্ বলবেন, “তোমার কন্ঠ ফিরিয়ে দিলাম, কোরআন শরীফ শোনাও”! হযরত দাউদ(আঃ) কোরআনের সুরা আর রহমান শোনাবেন! জান্নাত বাসী মুগ্ধ হয়ে যাবে!!
আল্লাহ্ আবার বলবেন, “কেমন লাগলো”? জান্নাতিরা বলবে, “মারহাবা, খুব ভাল লাগলো”! আল্লাহ্ বলবেন, “এর চেয়ে ভাল শোন জান্নাত বাসীরা”। বলবে “হে আল্লাহ্ এর চেয়ে ভাল কি হতে পারে”?? আল্লাহ্ পাক রসুলুল্লাহ্ (সাঃ) কে বলবেন, “হে আমার প্রিয় হাবিব এবার আপনি ওদের শোনান”! রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) কোরআনের হৃদয় সুরা ইয়াসিন তেলাওয়াত করবেন! পুরা জান্নাত আনন্দে মুখরিত হয়ে যাবে আর ধ্বনি তুলবে,”আল্লাহু আকবার”!!
আল্লাহ্ আবারও জানতে চাইবেন, “কেমন লাগলো”? জান্নাত বাসীরা বলবেন, “আল্লাহ্ সবকিছু থেকে এটাই বেশি ভাল লাগলো”! আল্লাহ্ বলবেন, “এর চেয়েও ভাল আছে”। জান্নাতবাসী অবাক হয়ে বলবে, “আল্লাহ্ এর চেয়ে ভাল কিছু আছে”? আল্লাহ্ জবাব দিবেন, “এর চেয়ে ভাল যা তা হলো তোমাদের রব”! আল্লাহ্ বলবেন, “রিজওয়ান (একজন ফেরেস্তা)পর্দা সরিয়ে দাও, আজ আমার বান্দা আমার দীদার করবে, আমাকে দেখবে”! “আল্লাহু আকবার”! পর্দা সরে যাবে ও সবাই আল্লাহর দীদার লাভ করবে!!

আল্লাহুকে দেখার পরে বান্দা অস্থীর হয়ে যাবে! তখন জান্নাতের হুর কি? শরাব কি? নহর কি? ফল কি? সব কিছুকে মূল্যহীন মনে হবে! বান্দা বলবে,”আল্লাহ্ কিছুই চাইনা, শুধু তোমার দীদার চাই!তোমাকে দেখতে চাই”!
আল্লাহ্ আমাদের কে জান্নাতে কবুল করুন! আমিন! তাই আসুন সকলেই যে যেই অবস্থায় আছি নামাজ কায়েম করি! হে আল্লাহ্ তুমি সবাইকে তোমার ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার মত তৌফিক দান করুন!
সংগৃহীত ।

জোকসঃ মেয়েটি তার ছেলের রুম- মেট

বাবা ছেলের সঙ্গে দেখা করতে
তার হোস্টেলে গেল।সেখানে
ছেলের সাথে একটা সুন্দরী মেয়েও
ছিল…।।
বাবাঃ তোর সাথে এই মেয়েটা
কে….??
ছেলেঃ বাবা, ও আমার রুম মেট।
এখানেই আমার সাথে
থাকে….।।
বাবাঃ কিন্তু……
ছেলেঃ তুমি যা ভাবছো, তা নয়
বাবা। আমাদের মধ্যে অন্য
কোনো সম্পর্ক নেই।আমরা দুজনে
আলাদা ঘরে আলাদা আলাদা থাকি।
আমরা দুজনে খুব ভালো বন্ধু মাত্র….।।
বাবাঃ ঠিক আছে….বুঝেছি.. …।।
পরের দিন বাবা বাড়ি ফিরে গেল।
এক সপ্তাহ পর……
মেয়েঃ শুনছো, গত রবিবার তোমার
বাবাকে যে প্লেটে খেতে
দিয়েছিলাম….সেটা খুঁজে
পাচ্ছিনা….।। আমার মনে হচ্ছে,
তোমার বাবা ই ওটা চুরি করেছে।
ছেলেঃ মুখ সামলে কথা বলো,কি যা
তা বলছো….??
মেয়েঃ তুমি একবার ওনাকে
জিজ্ঞাসা করে তো দেখতে পারো
জানতে তো বাধা নেই….।।
ছেলেঃ ঠিক আছে ছেলে বাবাকে
ই মেল করল—-
পূজনীয় বাবা,
আমি এটা বলছিনা যে, প্লেট টা তুমি
ই চুরি করেছো আবার আমি এটাও
বলছিনা যে, প্লেট টা তুমি চুরি
করোনি তুমি যদি ভুল করে প্লেট টা
নিয়ে যাও,তাহলে ওটা ফেরত দিয়ে
যেও….
কারন,ওটা ওই মেয়েটার প্লেট….।।
——তোমার ছেলে—–
বাবা একঘন্টা পর রিপ্লাইদিল—–
স্নেহের খোকা,
আমি এটা বলছিনা যে, তুমি একই ঘরে
ওই মেয়েটার সাথে থাকো আবার
আমি এটাও বলছিনা যে, তুমি একই ঘরে
ওই মেয়েটির সাথে থাকো না।
এই পুরো সপ্তাহ তে মেয়েটি যদি তার
নিজের ঘরে একবারের
জন্যেও শুতে যেত, তাহলে……

সে তার প্লেট টি নিজের বালিশের
তলায় ঠিক দেখতে পেত যেটা আমি
লুকিয়ে রেখে এসেছি…….।।
——তোর বাবা
রে….বাবা——–

কেচো দে

দুই ভাই বাসার পাশের ডোবাতে ছিপে মাছ ধরছে,……
আর ঐ দিকে বাসার ভেতর কামের বেটি ড্রাইভার এর সাথে কাম
করতাছে!!!
.
.
.
.
এদিকে মাছ বার বার কেচো খেয়ে নিচ্ছে তাই এক ভাই আরেকটারে
বলে,” কেচো দে, কেচো দে”।
ঐ দিক থেকে কামের বেটি রেগে মেগে এসে এক চটকানি দিয়া বলে,
“কে চোদে তা জাইনা তোদের কাম কি”????

সালাদ

ছেলেঃ আন্টি আপনার মেয়ে এত সিলিম কেন।
আন্টিঃ ও সালাদ পছন্দ করে তো তাই,
ছেলেঃ হে আন্টি আমিও বুঝতে পেরেছি।এ জন্যই তার বালিশের নিচে
শসা, মূলা, গাজর পাওয়া যায়।

জেনে নিন, একদিন রাতে ইহুদি মেহমানের সঙ্গে মহানবী (সা.) যা করেছিলেন

একদিন মদিনায় সন্ধ্যা নেমে এলো। মদিনা আলো-বাতাসে ছড়িয়ে পড়লো বেলালি সুর। মিনারের আল্লাহু ধ্বনি খেজুরের পাতা ছিড়ে পৌঁছে গেল ওলিতে গলিতে। সাহাবিরা মসজিদে। সেজদা-তাসবিহ-তেলাওয়াতে মগ্ন, নবীজী (সা.) তখন মসজিদে। এসময় দয়াল নবীর দরবারে এসে পৌঁছল একদল মুসাফির। সন্ধ্যার এর অবেলায় নবীজি মুসাফিরদের মেহমানদারির আয়োজন করলেন। সাহাবিদের বললেন, যাও মেহমানদের যথাসাধ্য আপ্যায়ন করো, ওরা আমাদের অতিথি। রাসুল নিজেও একজন অতিথি ঘরে নিয়ে গেলেন। আরবের রন্ধ্রে রন্ধ্রে পাপের গন্ধ। পথিক মানেই ভয়-আতঙ্ক। লোটেরা-ডাকাত। সব ডর-ভয় উপেক্ষা করে দয়াল নবী অচেনা অজানা মেহমানদের আপ্যায়নে ব্যস্ত। রাসুল সা. এর ঘরে সেই অতিথি ছিলো ইহুদি। জেনে শোনেও নবীজি তাকে নিজ হাতে খাওয়ালেন।

ইহুদি বলে কথা। মুহাম্মদকে বিপদে ফেলাতে না পারলে আবার কেমন ইহুদি। সে মনে মনে ইচ্ছা করলো, ‘আজ আমি ঘরের সব খাবার একাই খাব’। ভাবনা ও কাজের মিল পাওয়া গেল। একেবারে পেট পুরে খেলো। নবীজি নিজেই তার বিছানা করলেন। ইহুদি মেহমান গা এলিয়ে দিল ঘুমাবের বিছানায়। গভীর রাত। নীরব নিস্তদ্ধ। ঘুম ভেঙে গেল অতিথির। একেতো মরু পথের দীর্ঘ ক্লান্তি, আবার খেয়েছেও গলা ভরে। এবার বাতরুমের প্রচন্ড চাপ। কিন্তু এতো রাতে, অজানা অচেনা জায়গায় কোথায় যাবে সে? এমন সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে বিছানা নষ্ট করে ফেলেছে আগন্তুক। এবার ভয় পেয়ে গেল ইহুদি, মুহাম্মদ সা. মদিনার স¤্রাট। তার ঘরে এমন অপকর্ম? লোকটি ভয়ে পালিয়ে গেলো। ছুটে পালাচ্ছে সে যেদিকে দুচোখ যায়। যদি মুহাম্মদের লোকেরা তাকে ধরে ফেলে – এমন ভয়ে ছুটছে প্রাণপণে।

এমনি সময় তার মনে হলো সে তলোয়ার ফেলে এসেছে মুহাম্মদরে ঘরে। সে সময় তলোয়ার ছাড়া ভ্রমণ কল্পনাই করা যায় না। কি করবে আগন্তুক? সিদ্ধান্ত নিল আবার মদিনায় যাবে, তলোয়ার ছাড়া একমুহুর্তও অসম্ভব। চুপিচুপি মুহাম্মদ সা.-এর ঘরে এসে ঢুকেছে ইহুদি। মনে বড় ভয়! কি জানি কি হয়! আরে! একি কি দেখছে সে? ইহুদি মেহমান নিজের চোখকে বিশ্বাস করাতে পারছে না। রাসুল সা. নিজের হাতের লোকটির নষ্ট করে যাওয়া বিছানা ধুয়ে দিচ্ছেন। চেহারায় রাগের চিহ্ন নেই। রাসুল সা. তাকে দেখে ছুটে এসেছেন তার কাছে। তাকে বলতে লাগলেন, ও ভাই! আমার ভুল হয়ে গেছে, রাতে তোমার খোঁজ নিতে পারিনি, আমার জন্য তুমি অনেক কষ্ট করেছো। আমাকে মাফ করে দাও! ইহুদি ভাবতেও পারছে না এমনটা। মানুষ বুঝি এমন হয়। তাও রক্ত মাংসে গড়া মানুষ! মানবিক মানুষের উপমা। ইহুদি মেহমান এবার মাথা নুইয়ে দিলেন নবীজির কাছে। সমকণ্ঠে উচ্চারন করলেন, আশহাদু আল্লা ইলাহা ইলাল্লাহু মুহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ। ওগো আল্লাহর নবী-আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি; আল্লাহ এক-আপনি আল্লাহর রাসুল। সূত্র : বায়হাকি

ম্যাডামঃ যে পুরো আইস্ক্রীম মুখে পুরে চুষছিলো সেই বিবাহিত।

কিন্ডারগার্টেনে তরুনী টিচার
ক্লাসে খেয়াল করলেন যে এক ছাত্র
বেশ অমনোযোগী। তাকে দাড়
করিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “ বলো
একটি ডালে তিনটি পাখি বসে
আছে। তুমি একটি বন্দুক দিয়ে একটি
পাখিকে গুলি করলে সেখানে আর
কয়টি পাখি থাকবে?”
ছাত্রঃ একটিও না।
ম্যাডামঃ কেন?
ছাত্রঃ ম্যাডাম আমি যদি বন্দুক দিয়ে
গুলি করি তাহলে গুলির শব্দে সবগুলো
পাখি উড়ে যাবে।
ম্যাডামঃ তুমি যেভাবে চিন্তা
করেছো তা আমার পছন্দ হয়েছে। কিন্তু
সঠিক উত্তর হবে আর দুইটি পাখি
থাকবে।
ছাত্রঃ আচ্ছা ম্যাডাম একটি
আইস্ক্রীম পারলার থেকে তিনজন
যুবতী হাতে আইস্ক্রীম নিয়ে বের হল।
তাদের একজন হাল্কা কামড় দিয়ে
দিয়ে আইস্ক্রীম খাচ্ছিল। আর একজন
চেটে চেটে খাচ্ছিল। আর শেষজন
পুরো আইস্ক্রীম মুখে পুরে চুষছিলো।
বলুন দেখি তাদের মধ্যে কে
বিবাহিত?

ম্যাডাম কিঞ্চিত বিব্রত হয়ে বললেন, “
যে পুরো আইস্ক্রীম মুখে পুরে চুষছিলো
সেই বিবাহিত। “
ছাত্রঃ আপনি যেভাবে চিন্তা
করেছেন তা আমার পছন্দ হয়েছে। কিন্তু
সঠিক উত্তর হবে যার হাতে ওয়েডিং
রিং ছিল সেই বিবাহিত।

চুইংগাম বানাইয়া আমেরিকাতে বিক্রি করি

একদিন চান্দু আমেরিকাতে গেছে
সেইখানে সকালে ব্রেড জ্যাম জেলি
নিয়া মনের সুখে খাচ্ছে তখন
সেখানে এক আমেরিকান চুইনগাম
চাবাইতে চাবাইতেতার কাছে এসে
আজাইরা আলাপ শুরু করলো……..
আমেরিকানঃ”তোমরা বাঙ্গালীরা
পুরা ব্রেড খাও??
চান্দুঃঅবশ্যই ।
আমেরিকানঃবাবলগাম চাবাইতে
চাবাইতে আর ফুলাইতে ফুলাইতে
বলতে থাকলো “ আমরা শুধু ভিতরেরটা
খাই আর বাইরেরটা প্রসেসিং করে
কনটেইনার এ ভরে বাংলাদেশ এ
বেচে দেই।
… আমেরিকানঃতোমরা কি ব্রেড এর
সাথে জ্যাম খাও??
চান্দুঃঅবশ্যই।
আমেরিকানঃআবার চুইংগাম
চাবাইতে চাবাইতে বলল আমরা
খাইনা কারন আমরা ব্রেকফাস্ট এ ফল
খাই আর অইগুলার ছোকলা আর ঝুটা গুলা
দিয়ে জ্যাম বানাইয়া বাংলাদেশ এ
পাঠাইয়া দেই।
এই বাড় চান্দু বললঃতোমরা কি
আমেরিকাতে সেক্স কর??
আমেরিকানঃঅবশ্যই করি।
চান্দুঃতাইলে কনডম ইউজ করলে ওইটা
কি কর??

আমেরিকানঃফেলে দেই
চান্দুঃআমরা ফালাইনা!! অইগুলা
দিয়া চুইংগাম বানাইয়া
আমেরিকাতে বিক্রি করি ।

কিয়ামতের দিন যে তিনটি স্থানে রাসুল (স: ) কে পাওয়া যাবে

কিয়ামতের দিন-হযরত আনাস রা: বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে, কিয়ামতের দিন আমার জন্য সুপারিশের আবেদন জানালাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, (হ্যাঁ) Continue reading “কিয়ামতের দিন যে তিনটি স্থানে রাসুল (স: ) কে পাওয়া যাবে”

রাসুল(সা.) খেজুর ও দুধ দিয়ে সকালের নাস্তা করতেন কেন?

খেজুর ও দুধ দিয়ে-আমাদের নবী (সা.) -এর সকল কাজই আমাদের জন্য আদর্শ। নবী (সা.) -এর ঘুম, খাওয়া, হাটা, চলা এই সকল বিষয়ের মাঝেই আমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ। মহানবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু Continue reading “রাসুল(সা.) খেজুর ও দুধ দিয়ে সকালের নাস্তা করতেন কেন?”

বল্টু জোকসঃ স্যার আপনার মাইয়া একটা | ভিডিও সহ

মজার ভিডিওটি দেখুন আর বিনোদন নিন, বল্টু, আবুলদের ক্যান্ডকারখানা  সাথে ডাক্তার আর পুলিশের বোঝাপড়া… খুবি মজার ভিডিও দেখলেই বাধ ভাঙ্গা হাঁসি