নবীজি অসুস্থ ব্যক্তির শরীরে হাত বুলিয়ে যে দোয়া করতেন

সুস্থতা আল্লাহ তাআলার মহান নেয়ামত। একজন অসুস্থ ব্যক্তির দৃষ্টিতে সুস্থতা হলো মাথার তাজ সমতুল্য। সুস্থ্য জীবনই মানুষের সেরা সুখ ও শান্তি। এ জন্য মানুষের উচিত নিজের Continue reading “নবীজি অসুস্থ ব্যক্তির শরীরে হাত বুলিয়ে যে দোয়া করতেন”

রমজান মাসের ১০ টি গুরত্বপুর্ন আমল ও এ সম্পর্কে হাদিস! রোজাদার ভাই-বোনদের যা না জানলেই নয়

রমজান মাসের ফযিলতের অভাব নেই। কোরআন শরীফ এবং হাদিস শরীফে রমজান নিয়ে অনেক কথাই আছে। মাহে রমজানে আমল করলে আল্লাহ তায়ালা অধিক সাওয়াব দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন পবিত্র কোরআন মজিদে । মুমিনদের জন্য এটা নেক আমল করার উত্তম সময়।

১। রোযা রাখা সম্পর্কে হাদিসঃ রমজানের দিনের বেলার বিশেষ ফরজ আমল হল সওম বা রোজা। রোজা জীবনের সকল গুনাহ মুছে দেয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা ও তারাবিহ আদায় করবে, সে ওই দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে যাবে যেদিন তার মা তাকে জন্ম দিয়েছিল।” (সহিহ ইবনে খুযাইমা, হাদিস: ২২০১।)

২। ২০ রাকাত তারাবী সম্পর্কে হাদিসঃ রমজানের রাতের বিশেষ আমল হল কিয়ামে রমজান তথা তারাবিহের নামাজ। এটি আল্লাহ তা’আলার অফুরন্ত রহমত ও মাগফিরাত লাভের অন্যতম উপায়। নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি বিশ্বাসের সাথে সওয়াবের আশায় রমজানের রাতে তারাবিহ আদায় করে তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৭।)

৩। কোরআন মাজিদ তেলাওয়াত সম্পর্কেঃ এ মাসে অধিক পরিমাণে তেলাওয়াত করা উচিত। কারণ এ মাসের সঙ্গে কুরআনের সম্পর্ক অনেক গভীর। এ মাসেই কুরআন নাজিল হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মাসে অনেক বেশি তেলাওয়াত করতেন। হাদিস শরিফে এসেছে, “হযরত জিবরাঈল (আ.) রমজানের প্রতি রাতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসতেন এবং তারা একে অপরকে কুরআন তেলাওয়াত করে শোনাতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬।)

৪। সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবী হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে এ সম্পর্কে আরেকটি বর্ণনা এসেছে। তিনি বলেছেন, হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, অনেক রোজাদার ব্যক্তি এমন রয়েছে যাদের রোজার বিনিময়ে অনাহারে থাকা ব্যতিত আর কিছুই লাভ হয় না। আবার অনেক রাত জাগরণকারী এমন রয়েছে যাদের রাত জাগার কষ্ট ছাড়া আর কিছুই লাভ হয় না। (নেক আমল যদি এখলাস ও আন্তরিকতার সঙ্গে না হয়ে লোক দেখানোর উদ্দেশে হয় তাহলে এর বিনিময়ে কোনো সওয়াব পাওয়া যায় না)। (ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)

৫। অধিক পরিমাণে দু’আ করা সম্পর্কেঃ রমজান দু’আ কবুলের মাস। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, রোজাদারের দু’আ ফিরিয়ে দেয়া হয় না। মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, হাদিস: ৮৯৯৫।
সুতরাং এ মাসের রহমত, বরকত, মাগফিরাত, জাহান্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাত লাভের জন্য এবং পার্থিব বৈধ প্রয়োজনাদির জন্যও আল্লাহ তা’আলার কাছে বেশি বেশি দু’আ করা একান্ত কাম্য।

৬। তাওবা ও ইস্তেগফার করা সম্পর্কেঃ রমজান মুমিনের জন্য ক্ষমার সুসংবাদ নিয়ে আসে। যে ব্যক্তি রমজান পেয়েও নিজের গুনাহসমূহ মাফ করাতে পারল না তার ওপর জিবরাঈল আ. ও দয়ার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিশাপ করেছেন। তাই জীবনের কৃত গুনাহের কথা স্মরণ করে বেশি বেশি তাওবা ইস্তগফার করা এবং আল্লাহ তা’আলার দরবারে ক্ষমা মন্জুর করিয়ে নেয়ার এটিই উত্তম সময়। বিশেষ করে ইফতার ও তাহাজ্জুদের সময় আল্লাহ তা’আলার দরবারে অধিক হারে ক্ষমা চাওয়া ও তাওবা করা উচিত।

নবীর প্রিয় সাহাবী হযরত আবু ওবায়দা (রা.) রমজানের গুরুত্ব সম্পর্কে আরেকটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, হুজুর (সা.) এরশাদ করেছেন, রোজা মানুষের জন্য ঢালস্বরুপ যতক্ষণ পর্যন্ত তা ফেড়ে না ফেলা হয় (অর্থাৎ রোজা মানুষের জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হবে যতক্ষণ পর্যন্ত তা নিয়ম অনুযায়ী পালন করা হয়)। (ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)

৭। দান-সদকা করা সম্পর্কেঃ দান-সদকা সর্বাবস্থায় উৎকৃষ্ট আমল। তবে রমজানে তার গুরুত্ব ও ফজিলত আরো বেড়ে যায়। হাদিস শরিফে আছে, “রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল মানুষের চেয়ে অধিক দানশীল ছিলেন। রমজান মাসে তাঁর দানের হস্ত আরো বেশি প্রসারিত হতো।” (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৯০২।)

৮। রোজাদারকে ইফতার করানো সম্পর্কেঃ রোজাদারকে ইফতার করানোও অনেক বড় ফজিলতপূর্ণ আমল। রাসুলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে সে ওই রোজাদারের অনুরূপ সওয়াব লাভ করবে। তবে রোজাদারের সওয়াব সামান্য পরিমাণও হ্রাস করা হবে না।” (জামে তিরমিজি, হাদিস: ৮০৭)
৯। লায়লাতুল কদর সম্পর্কে একটি আয়াতঃ “লাইলাতুল কদর হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। এ রাতে ফেরেশতাগণ ও রুহ জিবরাইল (আঃ) পৃথিবীতে অবতারণ করেন তাদের পালনকর্তার আদেশক্রমে সকল কল্যাণময় বস্তু নিয়ে। যে রাত পুরোটাই শান্তি, যা সুবহে সাদিক পর্যন্ত অব্যহত থাকে। (সূরা কদর, আয়াতঃ ৩-৫)।

১০। এ মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়ঃ মুমিন বান্দাগণ যাতে রমযানের সকল কল্যাণ লাভ করতে পারে এবং সকল নেককাজে পূর্ণ উৎসাহ -উদ্দীপনার সঙ্গে সহজেই অংশগ্রহন করতে পারে এজন্য পুরো রমযান শয়তানকে শৃঙ্খলাদ্ধ করে রাখা হয়। আর সুসংবাদ হিসাবে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয়।

হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন – “রমযান মাসের শুভাগমন উপলক্ষে জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। [সহীহ বুখারী, হাদীস -১৮৯৮ (১/২৫৫), সহীহ মুসলিম, হাদীস – ১০৭৯ (১/৩৪৬) ]

কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন! এবং অবশ্যই জানাবেন।

হস্তমৈথুন, জানুন কোরআন কি বলে

আল্লাহ তা’আলার দেয়া এ সুন্দর যৌবনকালটাকে ক্ষয় করার জন্য যে ব্যক্তি তার স্বীয় লিঙ্গের পিছনে লেগে যায় এবং নিজ হাত দিয়ে এটা চর্চা করায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, তার এ Continue reading “হস্তমৈথুন, জানুন কোরআন কি বলে”

জেনে নিন- “প্রিয় নবীকে স্বপ্নে দেখার আমল”

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে আমাকেই দেখল। কেননা বিতাড়িত শয়তান আমার রূপ ধরতে পারে না। আর যে ব্যক্তি আমার ওপর মিথ্যাচার করল, সে তার দোজখের আসন গ্রহণ করল।’ –সহিহ বোখারি : ১১০ অন্য আরেক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে আমাকে স্বপ্নে দেখল, শিগগিরই সে আমাকে জাগরণে দেখবে অথবা সে যেন আমাকে জাগরণেই দেখল। আর শয়তান আমার রূপ ধরতে পারে না।’ –সহিহ মুসলিম : ২২৬৬ ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায় যে, অনেক সাহাবি, তাবেঈ ও বুজুর্গরা নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখেছেন। ইসলামের বিধান হলো, নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখা বাস্তবে দেখার মতো। কেননা, শয়তান কখনও নবীজির অাকৃতি ধারণ করতে পারে না।

এখন আমাদের জানা দরকার, নবী করিম (সা.) কেমন ছিলেন তিনি। কোন আকৃতিতে তাকে স্বপ্নে দেখা যাবে। শামায়েলে তিরমিজির বর্ণনায় নবী করিম (সা.)-এর আকার-আকৃতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এভাবে— তিনি ছিলেন মানানসই দীর্ঘদেহি। তার গায়ের রঙ দুধে-আলতায় মিশ্রিত গোলাপের মতো। গোলগাল হালকা-পাতলা চেহারা। ঘন দাড়ি। মুখগহবর প্রশস্ত। ঘাড় যেন রৌপ্যপাত্রে রক্তঢালা। কেশরাশি সামান্য কোঁকড়ানো-বাবরি। মেদহীন সুঠাম দেহ। হাত-পায়ের আঙুলগুলো শক্তিশালী ও মজবুত। বাহু, কাঁধ ও বুকের ওপরে পশমবিশিষ্ট। অতিরিক্ত পশমমুক্ত শরীর। বুকে নাভি পর্যন্ত পশমের দীর্ঘ রেখা। দুই কাঁধের মাঝখানে মোহরে নবুওয়ত। মাথা ও অস্থিবন্ধনীগুলো কিছুটা বড়সড়। প্রশস্ত ললাট। চক্ষুগোলক ডাগর ডাগর। চোখের মণি কুচকুচে কালো। পাপড়ি লম্বাটে। ভ্রুযুগল অমিলিত প্রশস্ত ঘন। ভ্রুদ্বয়ের মাঝখানে প্রস্ফুটিত একটা রগ, যা রাগের সময় স্ফীত হতো। উন্নত চকচকে নাসিকা। দাঁতগুলো বিযুক্ত রুপার গাথুনি। এক কথায় তার অপূর্ব রূপমাধুর্য বর্ণনাতীত। যে কেউ তাকে প্রথম দর্শনে হতভম্ব হয়ে পড়ত। সে একথা বলতে বাধ্য- জীবনে এমন সুন্দর মানুষ দ্বিতীয়জন দেখিনি।’ নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতে হবে ঈমান অবস্থায়। পূর্ণ ইসলাম পরিপালনকারী ও সুন্নতের অনুসারীরাই কেবল তাকে দেখতে পাবেন। এ ছাড়া কেউ নবী করিম (সা.) কে দেখার দাবী করলে সেটা মিথ্যা দাবী হবে।

মনে রাখতে হবে, যে যাকে ভালোবাসে, তার সঙ্গ লাভে নিজেকে ধন্য মনে করে। তার চালচলন, ভাবভঙ্গি ও বচনাচার অনুকরণ করে। সে নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখে। সবসময় তার সাক্ষাতের প্রতীক্ষায় থাকে। এভাবেই যুগে যুগে হাজারো নবীপ্রেমিক নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখেছেন। তাকে স্বপ্নে দেখেছিলেন- ইমাম আবু হানিফা, আবদুর রহমান জামি, জালালুদ্দীন রুমি, শেখ সাদি, সাদুদ্দীন তাফতাজানি। হজরত শাহ ওলিউল্লাহ দেহলভি, আবদুল আজিজ, শায়খ জাকারিয়াসহ অসংখ্য নবীপ্রেমিক (রহ.)। বর্ণিত আছে, ইমাম মালেক (রহ.) অধিকাংশ রাতেই নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতেন। নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতে হলে করণীয় হলো- সত্যিকারের নবী প্রেমে মাতোয়ারা হওয়া, তার সুন্নতসমূহ পালনের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে উদ্গ্রীব হওয়া। তাহলেই কেবল নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখা সম্ভব। কোনো কোনো আলেম বলেছেন, নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতে হলে, বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা। অজুসহকারে পবিত্র হয়ে বিছানায় শয়ন করা। শেষ রাতে উঠে তওবা করা।তবে সর্বাগ্রে যেটা মনে রাখা দরকার সেটা হলো- ফরজ ইবাদদ তার হকসহ পরিপূর্ণভাবে পালন করেই তবে নফল ইবাদতে মনোনিবেশ করা।

জামাতে নামাজ পড়তে গিয়ে আপনি যে ৯টি ভুল করে থাকেন এই রমজানে তা শুধরিয়ে নিন

জামায়াতে নামাজ আদায়ের সময় অনেক ব্যক্তি জেনে বা না জেনে কিছু ভুল করে থাকেন। যে ভুলগুলোকে অনেকে আবার ভুলও মনে করেন না। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে যারা নিয়মিত Continue reading “জামাতে নামাজ পড়তে গিয়ে আপনি যে ৯টি ভুল করে থাকেন এই রমজানে তা শুধরিয়ে নিন”

এই রমজান মাসে জেনে নিন যেভাবে দোআ করলে আল্লাহ মনের বসনা পূর্ণ করে

কোন সূরা পাঠ করলে আল্লাহ্ তায়ালা মনের বাসনা পূর্ণ করেন ? আসুন আজ কোরান ও হাদীজ এর আলোতে জেনেনি সুরাটি কি যে সুরা পাঠ করলে আল্লাহ্ তায়ালা মনের বাসনা Continue reading “এই রমজান মাসে জেনে নিন যেভাবে দোআ করলে আল্লাহ মনের বসনা পূর্ণ করে”

মানসিক শান্তির জন্য মহানবী (সাঃ) এই ছোট্ট দোয়াটি বার বার পড়তেন

আরবি দোআ : اللَّهُمَّ إِنِّى أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَ الْعَافِيَةَ فِى الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ اللَّهُمَّ إِنِّى أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِى دِينِى وَدُنْيَاىَ وَأَهْلِى وَمَالِى اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِى وَآمِنْ رَوْعَاتِى اللَّهُمَّ احْفَظْنِى مِنْ بَيْنِ يَدَىَّ وَمِنْ خَلْفِى وَعَنْ يَمِينِى وَعَنْ شِمَالِى وَمِنْ Continue reading “মানসিক শান্তির জন্য মহানবী (সাঃ) এই ছোট্ট দোয়াটি বার বার পড়তেন”

জান্নাত সম্পর্কে মহানবীর ১৫ টি কথা আপনাকে জানতেই হবে

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আমাদের জন্য জান্নাত সম্পর্কে ভবিষ্যত বাণী করে গিয়েছেন। আসুন জেনে নেই জান্নাত সম্পর্কে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ Continue reading “জান্নাত সম্পর্কে মহানবীর ১৫ টি কথা আপনাকে জানতেই হবে”

মৃত্যুর আগে মুক্তামণি যা বলে গেলেন! মুক্তার মত মামনি মুক্তামনি আর নেই

সাতক্ষীরায় বিরল রোগে আক্রান্ত মুক্তামণি মারা গেছে। বুধবার সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের নিজ বাড়িতেই মৃত্যু হয় ১২ বছর বয়সী শিশুটির। Continue reading “মৃত্যুর আগে মুক্তামণি যা বলে গেলেন! মুক্তার মত মামনি মুক্তামনি আর নেই”

রাতে সহবাস করে গোসল না করে সেহরী খাওয়া যাবে? জানুন ইসলাম কি বলে

বেসরকারী চ্যানেল আরটিভির সরাসরি ইসলাম নিয়ে প্রশ্নোত্তরমূলক বিশেষ অনুষ্ঠান ‘শরিফ মেটাল প্রশ্ন করুন’। এ অনুষ্ঠানে কোরআন ও হাদিসের আলোকে দর্শক-শ্রোতাদের Continue reading “রাতে সহবাস করে গোসল না করে সেহরী খাওয়া যাবে? জানুন ইসলাম কি বলে”