সোনাক্ষী সিনহা এ কেমন পোশাকে, zoom করে দেখলে আপনি নিজেই লজ্জা পাবেন

সোনাক্ষী সিনহা এ কেমন পোশাকে- বলিউডের পর্দায় অভিষেকের পর থেকে নিজের নামের সাথে এখন পর্যন্ত সুবিচার করতে পারেন নি শত্রুঘ্ন কন্যা সোনাক্ষী সিনহা। Continue reading “সোনাক্ষী সিনহা এ কেমন পোশাকে, zoom করে দেখলে আপনি নিজেই লজ্জা পাবেন”

দেখুন আজকের বৃষ্টিতে ঢাকার রাস্তা তলিয়ে কি হাল (ভিডিও)

ভিডিও টি একদম নিচে রাজধানীর অধিকাংশ এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থাই নাজুক। এ জন্য অল্প বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতায় বন্দি হয় নগরবাসী। ছবি : মীর ফরিদ মৌচাকের যাত্রী ছাউনিতে দাঁড়িয়ে ছিলেন ইমরান হোসেন। Continue reading “দেখুন আজকের বৃষ্টিতে ঢাকার রাস্তা তলিয়ে কি হাল (ভিডিও)”

দেখুন কিভাবে এই যমজ দুইবোন জীবন যাপন করছে

একবার কি ভেবে দেখেছেন তাদের জীবনটা কতটা কষ্টের , এইদুবোন একসাথেই গোসল , খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ করে থাকে ,বিস্তারিত ভিডিওটিতে দেখুন , ভিডিওটি দেখতে নিচে ক্লিক করুন Continue reading “দেখুন কিভাবে এই যমজ দুইবোন জীবন যাপন করছে”

পরকিয়া করার সময় ধরা খেলো প্রবাসীর স্ত্রী ,গাছের সাথে বেঁধে রাখলো গ্রামবাসী(ভিডিও)

ভিডিওটি দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন Continue reading “পরকিয়া করার সময় ধরা খেলো প্রবাসীর স্ত্রী ,গাছের সাথে বেঁধে রাখলো গ্রামবাসী(ভিডিও)”

মহানবী (সাঃ) বলেন- ‘যে ব্যক্তি এই সূরা প্রতি রাতে পাঠ করবেন তাঁকে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না’ !!

মহানবী (সাঃ) বলেন- ‘যে ব্যক্তি এই সূরা প্রতি রাতে পাঠ করবেন তাঁকে কখনই দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না’ !!

→হযরত ওসমানঃ ما تشتكي আপনার অসুখটা কি?

→হযরত ইবনে মাসউদঃ ذنوبي আমার পাপসমূহই আমার অসুখ৷

→ওসমান গণীঃ ما تشتهي আপনার বাসনা কি?

→ইবনে মাসউদঃ رحمة ربي আমার পালনকর্তার রহমত কামনা করি৷

→ওসমান গণীঃ আমি আপনার জন্যে কোন চিকিৎসক ডাকব কি?

→ইবনে মাসউদঃ الطبيب امرضني চিকিৎসকই আমাকে রোগাক্রান্ত করেছেন৷

→ওসমান গনীঃ আমি আপনার জন্যে সরকারী বায়তুল মাল থেকে কোন উপটৌকন পাঠিয়ে দেব কি?

→ইবনে মাসউদঃ لاحاجة لي فيها এর কোন প্রয়োজন নেই৷

→ওসমান গণীঃ উপটৌকন গ্রহণ করুন৷ তা আপনার পর আপনার কন্যাদের উপকারে আসবে৷

→ইবনে মাসউদঃ আপনি চিন্তা করছেন যে, আমার কন্যারা দারিদ্র ও উপবাসে পতিত হবে৷ কিন্তু আমি এরুপ চিন্তা করি না৷ কারণ, আমি কন্যাদেরকে জোর নির্দেশ দিয়ে রেখেছি যে, তারা যেন প্রতিরাত্রে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করে৷

আমি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)— কে বলতে শুনেছি,
من قرأ سورةالواقعة كل ليلة لم تصبه فاقة ابدا”
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠ করবে, সে কখনও উপবাস করবে না৷

জরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ [রা.] বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সুরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না। হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] তাঁর মেয়েদেরকে প্রত্যেক রাতে এ সুরা তেলাওয়াত করার আদেশ করতেন। [বাইহাকি:শুআবুল ঈমান-২৪৯৮]

সুরা আর রাহমান, সুরা হাদিদ ও সুরা ওয়াকিয়া’র তেলাওয়াতকারীকে কেয়ামতের দিন জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিবাসী হিসেবে ডাকা হবে। অন্য এক হাদিসে আছে, সুরা ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোমরা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরকেও এ সুরার শিক্ষা দাও। অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদেরকে এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হজরত আয়েশা [রা.] কে এ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল।

তাছাড়া অভাবের সময় এ সুরার আমলের কথাটা তো হাদিস দ্বারাই প্রমানিত। এমনকি বর্ণিত আছে যে হজরত ইবনে মাসউদ [রা.] কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণে তিরস্কার করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সুরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম। [ফয়জুল কাদির-৪/৪১]

সুবহানাল্লাহ! মহান রাব্বুল ইজ্জতের পবিত্র কালামের বরকত কত পাওয়ারফুল আপনি-আমি তা অনুধাবন করতে পারি কি?
তাই আসুন সকলে সূরা ওয়াক্কিয়া পাঠের এই অতি মূল্যবান আমলটি প্রতিদিন আদায় করার চেষ্টা করি৷ আল্লাহ আমাদের প্রত্যেককে আমল করার তাওফিক দিন৷ আমীন

পবিত্র কুরআন অবমাননায় করায় করুণ মৃত্যু! এলাকায় তোলপাড়

পবিত্র কুরআন অবমাননায় করায়- দিনাজপুর বিরামপুরে আদিবাসী সাঁওতাল বিশু লাড়কা নামের এক ব্যক্তির করুন মৃত্যু ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার সকালে রণগ্রামে কবিরাজি চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিশু লাকড়ার মৃত্যু হয়। দুপুরে বিশুর লাশ নিজ বাড়িতে নিয়ে এলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

জানা গেছে, বিরামপুর উপজেলার পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের জোতজয়রামপুর গ্রামের এতোয়া লাকড়ার ছেলে বিশু লাকড়া (৫৫) গত শুক্রবার (৫ জানুঃ) গ্রাম সংলগ্ন নদীতে মাছ ধরতে যায়।

এক পর্যায়ে তার হাতের সাথে একটি কোরআন শরীফ উঠে আসে। আরবীতে মুদ্রিত মুসলমানদের মহা পবিত্র গ্রন্থটিকে সম্মান না দেখিয়ে বিশু সেটিকে পা দিয়ে সরিয়ে রেখে বাড়ি চলে আসে।

বাড়ি ফেরার পর বিশুর হাত-পা অবস হতে শুরু করে এবং কিছুক্ষণের মধ্যে তার মুখের কথা ও খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

বিশুর বড় ছেলে লক্ষী লাকড়া ও শ্যালক দিলীপ টপ্য জানান, অবচেতন বিশু লাকড়াকে গত তিনদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করালেও ক্রমাগত তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

বিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পারভেজ কবীর জানায় , লোকমুখে শুনেছি বিশু লাকড়া পবিত্র গ্রস্থ আল কুরআন অবমাননা করার কারনেই এই অবমৃত্যুর ঘটতে পারে বলে অনেকেই ধারনা করছে ।

জন্মগত দু হাত নেই তবুও ইনি মহিলা পাইলট

কিছু কিছু মানুষ আছেন যাঁদের অনবদ্য অবদানে গর্বিত বিশ্ববাসী। যাঁরা আমাদের অনুপ্রেরনা । যাঁদের দেখে সত্যি বলতে ইচ্ছে করে তুমি হারতে পারো না। তেমনি একজন হলেন জেসিয়া কক্স। যিনি জন্মগত প্রতিবন্ধী। জন্মের সময় থেকে দুই হাত নেই অথচ তিনি একজন দক্ষ পাইলট। বত্রিশ বছরী এই মেয়েটি আজকের দুনিয়ার এক অনুপ্রেরনা। ভাবতে অবাক লাগলেও জেসি কক্সের জাবনকাহিনী সত্যিই এক আশ্চর্য কাহিনীতেই গাঁথা।

পা ছাড়াই মাত্র চোদ্দো বছর বয়সেই নৃত্য, সাঁতার, মডেলিং-এ পারদর্শী হয়ে ওঠেন। দুই পায়ের মাধ্যমেই শিখেছেন প্লেন চালানো। গাড়ি চালানোও। যদিও ছোটো থেকে পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখেনি কক্স। একরকম নিজস্ব বিবকে তাড়না বা হাঠকারীতেই কয়েক বছর আগে থেকে এরোপ্লেন চালানো শিখেছিলেন। শুধু তাই নয় পা দিয়েই তিনি করেছিলেন অনেক অসাধ্যসাধন।

২০০৮ সালে ব্যাপক ট্রেনিং-এর পর তিনি লাইট স্পোর্টস পাইলট সার্টিফিকেট পান। ২০১১ সালে অনবদ্য পারফরমেন্সের জন্য গিনেস বুকে “ ফার্স্ট আর্মলেস পার্সেন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড এভার টু হ্যাভ অবটেইন এ পাইলট লাইসেন্স” তাঁর নাম স্বর্নাক্ষরে স্থান পায়।এই বয়সেই কক্স কুড়িটি দেশ ও ছয়টি মহাদেশে নিজের অনুপ্রেরনীয় গল্প ভাগ করার জন্য ভ্রমন করেছেন। যিনি বিশ্বাস করেন শারীরিক অক্ষমতা থাকলেও নিজের জেদ থাকলে বিশ্বজয় অসম্ভব নয়।কখনই একা বাইরে বেরোতে পারেন না কক্স। তাঁকে সবসময় সঙ্গ দেন তাঁর স্বামী প্যাট্রিক। যিনি তিন বছর ধরে কক্সের পাশে রয়েছেতবে শুধু কক্সই প্রথম নন। এর আগেও একজন হাত ছাড়াই প্লেন চালিয়েছিলেন এবং তিনিও প্রথম হাত ছাড়া পাইলটের শিরোপা পেয়েছিলেন।এধরনের ঘটনা সত্যিই অবাক করে, তবে কথাটা ঠিক প্রত্যেকেরই একটি নিজস্ব সহজাত ক্ষমতা থাকে।

জুমার নামাজ না পড়া মুসলমানদের জন্য রয়েছে যে ভয়াবহ শাস্তি

জুমার নামাজ ছেড়ে দেওয়া ব্যক্তিদের যে ভয়াবহ শাস্তির বিষয়ে সতর্ক করেছেন রাসূল (সা.)। জুমার নামাজ না পড়া মুসলমানদের জন্য রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি।

আল্লাহতায়ালা জগৎ সৃষ্টির পূর্ণতা দান করেছিলেন এই দিনে। এই দিনেই হজরত আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.)-কে জান্নাতে একত্র করেছিলেন এবং এই দিনে মুসলিম উম্মাহ সাপ্তাহিক ঈদ ও ইবাদত উপলক্ষে মসজিদে একত্র হয় বলে দিনটাকে ইয়াওমুল জুমাআ বা জুমার দিন বলা হয়।

মালেক ইবনে শিহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনে সাব্বাক থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) কোনো এক জুমার দিনে বললেন, ‘হে মুসলিম সম্প্রদায়! আল্লাহতায়ালা এই দিনটিকে ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।’ আরবি শব্দ জুমুআ-এর অর্থ একত্র হওয়া। শুক্রবারকে বলা হয় ইয়াওমুল জুমাআ বা জুমার দিন। বিনা কারণে জুমার নামাজ ছেড়ে দেয়ার জন্য রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি।

রাসুলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন, জুমা হচ্ছে শ্রেষ্ঠ দিবস। তিনি আরও বলেছেন, যে ব্যক্তি সুন্দর রূপে ওজু করা করে জুমা নামাজ পড়তে আসবে তার পূর্ববর্তী জুমা থেকে বর্তমান জুমা পর্যন্ত সংগঠিত গুনাহসমূহ মাফ হয়ে যায়।

পবিত্র কুরআনে সূরা আল জুমায় ইরশাদ করা হয়েছে, যখন সালাতের জন্য জুমার দিবসের আহবান জানানো হয়, তখনই আল্লাহকে স্মরণের উদ্দেশে চলে এসো এবং ব্যবসায়িক লেনদেন বন্ধ করে দাও। এটা তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা জানতে।

জুমার নামাজ না পড়ার পরিণাম:
রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পরপর তিনটি জুমা বিনা ওজরে ও ইচ্ছা করে ছেড়ে দেবে, আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির অন্তরে মোহর মেরে দেবেন। (তিরমিযী,আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)।

অপর এক হাদীসে রাসূল (সা.) বলেছেন, জুমা ত্যাগকারী লোকেরা হয় নিজেদের এই খারাপ কাজ হতে বিরত থাকুক। (অর্থাৎ জুমার নামাজ আদায় করুক), নতুবা আল্লাহ তাআলা তাদের এই গোনাহের শাস্তিতে তাদের অন্তরের ওপর মোহর করে দেবেন। পরে তারা আত্মভোলা হয়ে যাবে। অতপর সংশোধন লাভের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়ে যাবে। (মুসলিম)।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পর পর তিনটি জুমা পরিত্যাগ করবে, সে ইসলামকে পিছনের দিকে নিক্ষেপ করল। (মুসলিম)।

তবে আবার রাসূল (সা.) বলেছেন, চার শ্রেণির লোক ব্যতিত জুমআ’র নামাজ ত্যাগ করা কবিরা গোনাহ। চার শ্রেণির লোক হল- ক্রীতদাস, স্ত্রীলোক, অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালক, মুসাফির ও রোগাক্রান্ত ব্যক্তি। (আবু দাউদ)।

মহান আল্লাহ তাআলা সবাইকে নিয়মিত জুমার নামাজ আদায় করে ভয়াবহ শাস্তি থেকে সবাইকে হেফাজত করুন।

টেলিভিশন থাকলে কি ঘরে ফেরেশতা ঢুকবে? জেনে রাখুন

টেলিভিশনকে দুনিয়ার কোনো আলেমই ছবি হিসেবে আখ্যায়িত করেননি। টেলিভিশনের যে ছবি রয়েছে, সেগুলো আসলে ওই প্রকারের কোনো ছবি নয়, যে ছবি ঘরে থাকলে ফেরেশতা ঘরের মধ্যে প্রবেশ করবে না।

এ ধরনের ছবি যেকোনো সময় এসে আবার চলে যাচ্ছে। এই ছবির কারণে ফেরেশতা প্রবেশ করবে না অথবা টেলিভিশন ঘরে থাকলে ফেরেশতা প্রবেশ করবে না, এটি ভুল বক্তব্য, এটি সহিহ বা বিশুদ্ধ বক্তব্য নয়।

নারীদের চুলে সোনালি রং করা কি ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ?

নারীরা চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে অনেক সময় কিংবা প্রতিনিয়ত রং করেন। সোনালী,বাদামী, লালচে প্রভৃতি রং নিজের চুলে ধারণ করার ক্ষেত্রে অনেক মুসলিম নারী দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। মনে প্রশ্ন জাগে নারীদের চুলে সোনালি রং করা কি ইসলামের দৃষ্টিতে বৈধ?

এমন প্রশ্নে মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী নকশবন্দী হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, নারীদের চুল কালো কলপ ব্যবহার করা বৈধ নয়। এছাড়া স্বামীর দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশ্যে এবং পরপুরুষকে দেখানো উদ্দেশ্য না হলে নারীরা চুল বাদামী,সোনালী,লালচে প্রভৃতির কলপ দিয়ে রঙাতে পারেন। (রদ্দুল মুহতার: ৬/৫৬ আলমুগনি: ১/১২৭ আল-ফাতাওয়াল মুহিম্মাহ, লিনিসাইল উম্মাহ: ২৫)

তবে কোনো সেলিব্রেটি, ব্যভিচারী ও কাফের নারীর অনুকরণ কিংবা বেশধারণের মানসিকতা কাজ না করে। হাদিসে বলা হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করে, সে সেই জাতির দলভুক্ত।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ৫১১৪)