ছেলিটিকে সবার সামনে যে ভাবে মারলো (ভিডিও) তোলপাড়

ছেলিটিকে সবার সামনে যে ভাবে মারলো
প্রকাশ্য দিবালোকে এভাইভেই মেয়েটি এই ভাইটির ওপর অত্যাচার চালায় , Continue reading “ছেলিটিকে সবার সামনে যে ভাবে মারলো (ভিডিও) তোলপাড়”

কাবা শরীফের গিলাফ তৈরিতে কি কি ব্যবহৃত হয়, এতে খরচ কত পড়ে এবং ব্যবহার শেষে তা কি করা হয়, জেনে নিন

প্রস্তুত পবিত্র কাবা শরিফের নতুন গিলাফ। মক্কা শরিফের উম্মুল জুদ এলাকায় অবস্থিত কাবার গিলাফ তৈরির জন্য বিশেষভাবে প্রতিষ্ঠিত ফ্যাক্টরিতে এই গিলাফ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন শুধু অপেক্ষা নতুন গিলাফটি লাগানোর। পবিত্র কাবাঘরের গিলাফকে কিসওয়া বলা হয়। খবর আরব নিউজের।প্রস্তুত পবিত্র কাবা শরিফের নতুন গিলাফ।

মক্কা শরিফের উম্মুল জুদ এলাকায় অবস্থিত কাবার গিলাফ তৈরির জন্য বিশেষভাবে প্রতিষ্ঠিত ফ্যাক্টরিতে এই গিলাফ তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন শুধু অপেক্ষা নতুন গিলাফটি লাগানোর। পবিত্র কাবাঘরের গিলাফকে কিসওয়া বলা হয়। খবর আরব নিউজের।ফ্যাক্টরির ম্যানেজার মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বলেন, নতুন গিলাফটি তৈরি করতে ১২০ কেজি স্বর্ণ, ৭শত কেজি রেশম সূতা ও ২৫ কেজি রুপা লেগেছে। নতুন গিলাফটির দৈর্ঘ্য ১৪ মিটার এবং প্রস্থ ৪৪মিটার।


গিলাফটির সেলাই কাজে অংশ নিয়েছে দেড় শতাধিক অভিজ্ঞ দর্জি। এবার গিলাফ তৈরির জন্য বিশেষ মেশিন আমদানি করা হয়। আগামী ৯ জিলহজ আরাফার দিন পবিত্র কাবা শরিফে এই নতুন গিলাফটি লাগানো হবে।প্রতি বছর হজের আগের দিন (৯ জিলহজ) কাবা শরিফের গিলাফ পরিবর্তন করা হয়। তখন পুরাতন গিলাফটি খুলে রাখা হয় এবং তা কেটে টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্র ও সংস্থাকে উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।উল্লেখ্য, গত বছর পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ তৈরিতে প্রায় ১৭ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল খরচ হয়েছিল।

তবে এখন পর্যন্ত এবারকার খরচের পরিমাণ জানা যায়নি। কাবার গিলাফটি নির্মিত হলে, তাতে বিশেষ প্রক্রিয়ায় বৈদ্যুতিক তাপ দেওয়া হয়। যাতে রোদের তাপে গিলাফের উজ্জ্বলতা নষ্ট না হয়। আর স্বর্ণ-রোপা ব্যবহার করা হয় কালো সিল্কের কাপড়ের ওপর কোরআনে কারিমের বিভিন্ন আয়াতের ক্যালিগ্রাফি অঙ্কনের ক্ষেত্রে।কাবা শরিফের ইমাম আবদুর রহমান আস সুদাইস এবং দুই পবিত্র মসজিদের প্রেসিডেন্সি প্রধান মোহাম্মদ বিন নাসের আল-খোজামি কাবার গিলাফের নির্মাণ প্রক্রিয়ার তদারক করে থাকেন।

জেনে নিন, কালোবাজারে মানব অঙ্গের দাম!

মানুষের অঙ্গের কালোবাজার সারা বিশ্বে খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি প্রতিরোধ করা উচিত। গরীব লোকেরা টাকার জন্য তাদের অঙ্গ বিক্রি করে দেয়। কিন্তু তারা খুব অল্প টাকা পায়। দালালেরা বেশিরভাগ টাকা নিজেদের পকেটে ভরে। অনেক ডাক্তার, ঔষধের দোকানদার এগুলোর সাথে জড়িত থাকে। যাই হোক, আজকে আমরা জানব কালোবাজারে এসব অঙ্গ কত দামে বিক্রি হয়।

হৃদয়

কালোবাজারেও একটি হৃদয় প্রায় ১,০১,৭২,০৫৫ টাকায় বিক্রি হয়।

রক্ত

রক্তপ্রতি পাইন্ট রক্ত ২,১৬৩ টাকা থেকে ২৯,৪৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।

বৃক্ক (কিডনি)

জীবিত মানুষের বৃক্ক- ১,৭৩,১২,৭২২ টাকা; মৃত মানুষের বৃক্ক-১২,৯৮,৪৫৩ থেকে ২,১৬,৪০,১১২ টাকা পর্যন্ত বিক্রিত হয়।

অস্থি মজ্জা

অস্থি মজ্জা  ১৯,৯০,৯৬২ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়।

যকৃত (লিভার)

যকৃত ১,৩৮,৫০,১৭৮ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়।

ক্ষুদ্রান্ত্র

ক্ষুদ্রান্ত্র ২,১৮,০৫২ টাকা পর্যন্ত বিক্রিত হয়।

পিত্তকোষ (গল ব্লাডার)

পিত্তকোষ ১,০৫,৫২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়।

চোখ জোড়া

চোখ জোড়া ১,৩২,২২২ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়।

মানব ডিম্বাণু

মানব ডিম্বাণু ১০,৮২,০৪৪ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়।

হৃৎপিণ্ডে রক্তসঞ্চালক ধমনী ( করোটারি আর্টারি)

হৃৎপিণ্ডে রক্তসঞ্চালক ধমনী ১,৩২,০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়।

একসাথে হিসেব করলে কালোবাজারে মানব অঙ্গের মোট দাম হয় ৪,৫১,৫৪,০০০ টাকার মত। প্রচুর লাভজনক ব্যবসা হিসেবে এখন বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে এটি চলছে। সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ভারতের। নতুন কিছু জানতে পারলে আমাদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য।

জেনে নিন ব্রয়লার মুরগী খাওয়ার কারণে সামনে যে বিপদ অপেক্ষা করছে

মুরগি কমবেশি সকলেরই পছন্দ। দিনদিন চাহিদাও বাড়ছে। কিন্তু জানেন কি ব্রয়লার মুরগীতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং শরীরে দানা বাঁধে ক্যান্সার।
সেই সঙ্গে আরো ভয়ানক ব্যাপার হলো যে, পোলট্রির মুরগি খেলে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের শরীরে আর কাজ করবে না। একাধিক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা মাত্র পাঁচ সপ্তাহেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে যায়! মাত্র এক কেজি আটশো গ্রাম ম্যাশ খাওয়ালেই এক কেজির নিট মাংস! দুই কেজি ওজনের মুরগি জবাইয়ের আগে ম্যাশ খাচ্ছে মাত্র তিন কেজি ছয়শো গ্রাম! রহস্যটা কী? ম্যাশের সঙ্গে মেশানো হচ্ছে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম। অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন পুশ করে দেওয়া হচ্ছে। চড়চড় করে বড় হচ্ছে মুরগি। হু হু করে বাড়ছে ওজন।
কিন্তু জানি কি, পিছনে লুকিয়ে রয়েছে কী ভয়ঙ্কর বিপদ? সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, পোলট্রির মুরগি খেলে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না আমাদের শরীরে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাবে। ছোটখাটো পেটের রোগ, গ্যাস, অম্বল, সর্দিকাশি, ইনফেকশনের ক্ষেত্রেও অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না। ফলে রোগ সারাতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিকের সাহায্য নিতে হবে ডাক্তারদের। যে অ্যান্টিবায়োটিকের একাধিক কুপ্রভাব পড়বে আমাদের শরীরে।
কাঁচা মাংসে প্রচুর মাত্রায় ব্যাকটেরিয়া থাকে। আর দোকানে যেভাবে একাধিক মুরগিকে এক সঙ্গে রাখা হয় তাতে দু-পাঁচটার শরীরে সেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলি প্রবেশ করে না যাওয়াটা কোনও অস্বাভাবিক নয়। আর এমনটা যে হয় না সে কথা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে কি? শুধু তাই নয়, যখন মুরগি কাটা হয় তখনও জীবিত মুরগির শরীর থেকে কাঁচা মাংসে ব্যাকটেরিয়া চলে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। আর এই জীবাণু যদি আমাদের শরীরে প্রবেশ করে তাহলে আর রক্ষা নেই।
কয়েকজন বিশেষজ্ঞের মতো মাত্রাতিরিক্ত ব্রয়লার মুরগি খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।
ব্রয়লার চিকেন খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। একাধিক গবেষণয়া দেখা গেছে প্রায় ৬৭ শতাংশ ব্রয়লার মুরগির শরীরে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া থাকে যা কোনও ভাবেই কিন্তু আমাদের শরীরের জন্য ভালো নয়।

বাজার থেকে ব্রয়লার মুরগির মাংস কিনে কখনই বাকি খাবার বা সবজির সঙ্গে সেটি রাখবেন না। শুধু তাই নয়, যে ছুরি দিয়ে মাংসটা কাটবেন তা দিয়ে ওই সময় সবজি কাটবেন না। আর যে প্লেটে কাঁচা মাংসটা রাখবেন তা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে তবেই অন্য কাজে লাগাবেন। যেমনটা আগেও বলেছি কাঁচা মাংসে অনেক সময়ই ব্যাকটেরিয়া থাকে। এই নিয়মটা মানলে সেই জীবাণু বাকি খাবারে ছড়িয়ে যাওরা সুযোগ পায় না। ফলে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা হলেও কমে।
তবে দেশি মুরগিতে এমন কিছু ক্ষতিকারক জিনিস পাওয়া যায়নি। কারণ দেশি মুরগি একেবারে প্রকৃতির নিয়ম মেনে বড়হয়। ফলে ব্রয়লার মুরগির মতো তাদের শরীরে কোনও কেমিকেলের উপস্থিতি যেমন পরিলক্ষিত হয় না। তেমনি দেশি মুরগি অনেকাংশেই ব্যাকটেরিয়া মুক্ত হয়। ফলে তা থেকে আমাদের শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম গার্ডিয়ানের এক রিপোর্টে জানা যায়, প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া কমে যাওয়ায় একটি গুরুতর হুমকির সম্মুখীন হতে যাচ্ছে মানবসভ্যতা। যা বছরে ৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে। যার মধ্যে রয়েছে ২৩০০০ আমেরিকান, ইউরোপে ২৫০০০, ৬৩০০০ ভারতীয় শিশু। এদের মৃত্যুর পর আরও লক্ষাধিক অসুস্থ হয়ে পড়বে। তখন বাৎসরিক ২০ লক্ষ আমেরিকান অসুস্থ হয়ে স্বাস্থ্যসেবায় কোটি কোটি টাকা খরচ করবে। শেষ হবে সম্পদ আর দেশ হারাবে জাতীয় উৎপাদনশীলতা।
গার্ডিয়ানের ওই রিপোর্টে আরো পূর্বাভাস দেওয়া হয় যে ২০৫০ সালের মধ্যে, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধে বিশ্বে ১০০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হবে এবং বছরে ১ কোটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটবে।

জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধে বেরিয়ে এল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা, গ্রেফতার ইমাম

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার ধর্ষিতার বড় ভাইয়ের দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত ইমামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মক্তবে পড়তে গিয়ে ওই ছাত্রী একাধিকবার ধর্ষণের শিকার হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার একটি মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী বাড়ির পার্শ্ববর্তী মসজিদের ইমাম আবুল বাশারের কাছে কোরআন শিখতে প্রতিদিন মক্তবে যায়। দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস যাবত মক্তবে পড়াকালে ইমাম ওই ছাত্রীকে মসজিদের দ্বিতীয় তলার ছাদে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

গত ২০ মার্চ ধর্ষণের শিকার ছাত্রীটি বাড়িতে গোপনে জন্ময়িন্ত্রণ ওষুধ খাওয়ার সময় তার ভাবি দেখে ফেলে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ইমামের ধর্ষণের কথা জানায়।

এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও এলাকার মাতব্বরদের পরার্মশে ওইদিনই মেয়েটির ভাই জাকির হোসেন বাদী হয়ে ইমামের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পরদিন বুধবার অভিযুক্ত ইমামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আবু শাহজাহান জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার ধর্ষিতার ভাই বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

পাত্র চাই মাইনে ১০০ কোটি

অনলাইন ফোরামে নিজের চাহিদা লিখে পাত্র চাই বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন পূজা চৌহান নামে পঁচিশ বছর বয়সের এক যুবতী। যুবতীর পোস্টটি পড়ে উত্তর দিলেন স্বয়ং ধনকুবের মুকেশ আম্বানি। ছোট্ট ওই পোস্টেই মুকেশ বুঝিয়ে দিলেন, কেন তিনি ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। Continue reading “পাত্র চাই মাইনে ১০০ কোটি”

BFF সম্পর্কে মার্ক জুকারবার্গ যা বললেন

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে একটি বার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। প্রথমে ইংরেজিতে ছড়ানো বার্তাটি হচ্ছে এরকম– “Mark Zuckerberg, Continue reading “BFF সম্পর্কে মার্ক জুকারবার্গ যা বললেন”

ফুচকা সম্পর্কে গবেষণায় উঠে এল ‘চাঞ্চল্যকর তথ্য’

‘ফুচকা’- এই নামটা শুনলেই জিভে জল চলে আসে! কুড়মুড়ে গোলাকৃতির খোলের ভেতর মশলাদার ঝাল ঝাল চটপটি আলুর পুর আর তার উপর টকমিষ্টি তেঁতুল জল। আস্ত একটা ফুচকা মুখে পুরে নিয়ে কামড় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেঙে যায়। এর পর মুখে স্বাদের যে ঝড় ওঠে সেটার তুলনা কি অন্য কিছুর সঙ্গে হয়? আমাদের আশপাশে এমন খুব কম মানুষদেরই খুঁজে পাওয়া যাবে যারা ফুচকা খেতে ভালবাসে না।
আমাদের কাছে এই খাবারটি এত এত প্রিয় অথচ সেই ফুচকার ব্যাপারে বিস্তারিত আমরা ক’জনই বা জানি? ভারত-সহ পুরো উপমহাদেশেরই একটি বিখ্যাত জনপ্রিয় মুখরোচক ফুচকা।

নানারকমের ফুচকা আছে। গোলগাপ্পা, ফুলকি, টিক্কি, পানি কে বাতাসে, ফুচকা, গুপচুপ, বাতাসি, পাকাডা, পানিপুরি কিংবা পাকোরি-সহ নানা নাম। এ সবের নামকরণের নজিরগুলো বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। যেমন গোলগাপ্পার নামকরণ গোল একটা ফুচকাকে এক গাপ্পায় অর্থাৎ একেবারে মুখে পুরে নেওয়ার কারণে হয়েছে। আবার পানিপুরি বলা হয় ফুলন্ত মচমচে পুরির ভেতর টক-ঝাল-মিষ্টি পানি দিয়ে খাবার কারণে।
পানিপুরির উদ্ভব হয়েছিল ভারতের দক্ষিণ বিহারের মগধে। প্রথম দিকে ফুলকি নামে পরিচিত এই খাবার সম্পর্কে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক জার্নাল অব ইন্ডিয়ায় বিশদ বিবরণ রয়েছে। ওই বিবরণে এই খাবারের উৎপত্তিস্থল হিসেবে অবশ্য বারাণসীর কথা বলা হয়েছে।
জনপ্রিয় খাবার লুচির ক্ষুদ্র সংস্করণকে শক্ত কুড়মুড়ে করে খাওয়ার প্রচলন শুরু হয়েছিল। পরবর্তীকালে মোগলাই খানার সংস্পর্শে এসে এর গঠনগত আঙ্গিকে পরিবর্তন আনে ভারতীয়রা। সাধারণ শক্ত লুচি পরিণত হয় মশলাদার-রসালো গোলগাপ্পা তথা পানিপুরিতে, যা ফুচকা নামে পরিচিত।
মরুভূমি অঞ্চল রাজস্থান ও উত্তর প্রদেশে ‘পাতাসি’ নামে পরিচিত এই খাবারকে তামিলনাড়ুতে পানিপুরি নামে ডাকা হয়। তবে পাকিস্তান, নয়াদিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও হিমাচল প্রদেশে এর নাম গোলগাপ্পা। তেলেঙ্গানা, উড়িষ্যা, ছত্তিশগড়, হায়দরাবাদের অনেক অঞ্চলে একে ডাকা হয় গুপচুপ নামে। কিন্তু নেপালে এবং শ্রীলঙ্কায় এই খাবার জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ফুলকি নামে। ফুচকাকে দক্ষিণ এশীয় কুইজিন হিসেবে ধরা হয়।
অঞ্চলভেদে নামকরণের ভিন্নতার পাশাপাশি এর পরিবেশনের পদ্ধতিতেও ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। আর মূল পার্থক্যটি লক্ষ করা যায় পুর তৈরিতে। নানা জায়গায় আলুর পুর, সবজির পুর, স্যালাডের পুর, ঘুঘনির পুর কিংবা মিশ্রিত টকমিষ্টি জল ব্যবহৃত হয়। কোনও কোনও এলাকায় ঝালের পরিবর্তে মিষ্টিজাতীয় পুরও ব্যবহার করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে সব ঠিক থাকে, কেবল তেঁতুল জলের পরিবর্তে দেখা যায় ধনিয়া পাতার চাটনি, পুদিনা মিশ্রিত জল, লেবুর জল কিংবা মিষ্টি খেজুর জল।
তবে দেশজুড়েই দই-ফুচকা বা টক দই সহযোগে পরিবেশিত ফুচকা বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করছে। যেখানে পুরে নানারকম চানাচুর, মিষ্টি পাপড়ের সঙ্গে দেওয়া হয় বাদাম কুচি। উপরে তেঁতুল জলের বদলে থাকে টক-মিষ্টি দই। সাধারণত শহর-গ্রামের আনাচে কানাচে ছোট ছোট বোল, ভ্যান এবং শপিং কমপ্লেক্স কিংবা স্কুল কলেজের পাশের দোকানগুলোই ফুচকা বিক্রির আখরা।

দামে সস্তা ফুচকা সাধারণত এক প্লেট ২০ টাকা থেকে শুরু করে ১০০ টাকা পর্যন্ত হয়। পানিপুরি খাবার বেলায় ঠিক উল্টোটা। এখানে নির্দিষ্ট কোনও পরিমাণ নেই, হাতে থাকা ছোট্ট শুকনো পাতার বাটিতে যে যত খুশি ততবার নিয়ে খেতে পারে।
দেশ-বিদেশের নানা ব্লগ, ট্রাভেলিং এবং ফুড ডকুমেন্টারি অনুষ্ঠানগুলোতে ফুচকার কথা উঠে এসেছে বার বার। ফুড অ্যান্ড ট্রাভেলিং চ্যানেল “টিএলসি” এবং “ফক্স ট্রাভেলার”-এ বহুল প্রচলিত অনুষ্ঠান ফুড সাফারিতে ফুচকাকে আখ্যায়িত করা হয়েছিল ‘আ কমপ্লিট বেঙ্গলি স্ট্রিটফুড’ হিসেবে।
সম্প্রতি এক গবেষণায় ফুচকার ব্যাপারে মজাদার এক তথ্য উঠে এসেছে আর তা হলো- ফুচকার স্বাদ খুব দ্রুত মুখের স্বাদ কোরকগুলোতে সঞ্চারিত হয় যার কারণে মন খারাপ থাকলে তা সহজেই ভাল হয়ে যায়। তাই মন খারাপ থাকলেই ফুচকা খেয়ে নিন। মন খারাপ নিমেষে দূর হয়ে যাবে।

ফেসবুকে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব বা প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রচুর টাকা । ( ভিডিও সহ )

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সুন্দরী মহিলারা ফেসবুক প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও ধনী ব্যক্তিদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। ঐসব চক্রের সদস্যদের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা হলেও রহস্যজনক Continue reading “ফেসবুকে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব বা প্রেমের সম্পর্কের ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রচুর টাকা । ( ভিডিও সহ )”

মোবাইলে ব্যস্ত নার্স, অক্সিজেনের নল খুলে মারা গেল শিশু

কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় এক নার্সের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ ঘটনাটি রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালের। অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভরতি থাকা একটি শিশুর অক্সিজেনের নল খুলে যায়৷ কর্তব্যরত নার্সকে বারংবার বলা হলেও তিনি কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ৷ উলটে, ব্যস্ত ছিলেন মোবাইলে৷ তারই জেরে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ৷ ঘটনার জেরে রাতেই তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে৷ হাসপাতাল সুপার সুবোধ মণ্ডল বলেন, ‘‘অভিযোগর ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ তদন্তে দোষি প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত নার্সের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে৷’’ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত মাস সাতেকের শিশুকন্যার নাম বিনীতা ভদ্র।
বাড়ি তারাপীঠ থানার সাহাপুর গ্রামের পালপাড়ায়।শিশুটির বাবা পরাণ ভদ্র জানান, বেশ ক’দিন ধরেই আমার মেয়ে জ্বরে ভুগছিল৷ স্থানীয় চিকিৎসককে দেখিয়েও জ্বর না কমায় রবিবার সাড়ে আটটা নাগাদ আমরা ওকে রামপুর স্বাস্থ্য জেলা হাসপাতালে ভরতি করি৷ পরাণবাবুর অভিযোগ, ‘‘গভীর রাতে মেয়ের অক্সিজেনের নল খুলে যায়৷ সঙ্গে সঙ্গে আমরা নার্সকে গিয়ে সেকথা বলি৷ কিন্তু উনি মোবাইলে ব্যস্ত ছিলেন৷ আমাদের কথার কোনও কর্ণপাত করেননি৷ বরং ওঁনাকে অক্সিজেনের নল খুলে গেছে বলায়, উনি বলেন- আমি এখন ব্যস্ত রয়েছি৷ আপনারা নিজেরাই লাগিয়ে নিন৷ ওই নার্সের গাফিলতিতেই রাতের দিকে মৃত্যু হয় আমার মেয়ের৷ ওই নার্সের কঠোর শাস্তি চাই৷’’ঘটনার জেরে এদিন সকাল থেকে হাসপাতালে বিক্ষোভ শুরু করেন মৃত শিশুর পরিজনেরা৷ তাতে সামিল হন অন্য রোগীর পরিজনেরাও৷ সকলেরই দাবি: অভিযুক্ত নার্সের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে৷ ঘটনার জেরে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷