জোকসঃ ওস্তাদ গাড়ী ব্রেক, লেডিস মুতবো …

এক বুড়ি ময়মনসিংহের বাসে উঠেছে! বাসে উঠেই সে হেল্পারকে বলল, ‘ভালুকা আইলে আমারে কইয়েন যে!’
হেল্পার তাকে আশ্বস্ত করে বলল, ‘ঠিক আছে, ঠিক আছে।’

Continue reading “জোকসঃ ওস্তাদ গাড়ী ব্রেক, লেডিস মুতবো …”

বিল্টু ও তার বসের মজার একটি কৌতুক

একবার প্রোমোশনের জন্য বিল্টুর ডিপার্টমেন্টাল ইন্টারভিউ হল। বস বিল্টুকে বললো, আমি তোমার ইংরাজি জ্ঞানের পরীক্ষা নেব। যা বলব তার ‘অপজিট’ শব্দ বলো।

বস : Good

বিল্টু : Bad

বস : Come

বিল্টু : Go

বস : Ugly

বল্টু: Pichhlli

বস : Pichhli?

বিল্টু : UGLY

বস : Shut Up!

বিল্টু : Keep talking

বস : Now stop all this

বিল্টু : Then carry on none that

বস : ওরে চুপ কর…চুপ কর…চুপ কর..

বিল্টু : ওরে বলে যা…বলে যা…বলে যা…

বস : আরে ইয়ার …

বিল্টু : আরে দুশমন …

বস : Get Out…

বিল্টু : Come In….

বস : My God!!!!

বিল্টু : Your devil ….

বস : shhhhhhh..

বিল্টু : hurrrrrrrrrrrrrr

বস : মেরে বাপ চুপ হো যা..

বিল্টু : তেরে বেটে বোলতা রহে …

বস : You are rejected

বিল্টু : I am selected

বস : প্রভু আপনার পায়ের ধূলো দিন …

বিল্টু : বৎস! আমার পরিস্কার মাথা নাও …

বস : বাপ রে কি পাগলের পাল্লায় পরেছি !

বিল্টু : মা-রে কোন বুদ্ধিমানের পাল্লায় পরিনি …

বস : শালা! উঠিয়ে আছাড় দেবো

বিল্টু : জামাইবাবু শুইয়ে দিয়ে তুলে দেবো …

এরপর বস বিল্টুকে এক থাপ্পর মারল, বিল্টু উল্টে দুটো মারল … বস আবার চারটি মারল, এবার বিল্টু বসকে মেরে মেরে অজ্ঞান করে দিল….!

এবার বিল্টু মনে মনে ভাবল – কাল বসের জ্ঞান ফিরলে রেজাল্ট জানবো, মনে তো হয় বসের প্রশ্নগুলোর ভালোই উত্তর দিয়েছি।

জোকসঃ আমার ইজ্জত লুইট্যা লইসে এক বজ্জাত, লম্পট ক্রিকেটার।

এক সুন্দরী মহিলা গেছে পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে: ছার, আমার ইজ্জত লুইট্যা লইসে এক বজ্জাত, লম্পট ক্রিকেটার।
পুলিশ জিগায়: কেমনে বুঝলেন ক্রিকেটার?
মহিলা: ওই লুকের হাতে গলাভস, মাথায় হেলমেট আর পায়ে প্যাড আছিলো। আর আমার মুনে হ্য় ভারতের ব্যাটসম্যান বিরাত কুলি আছিলো।
পুলিশ জিগায়: কেমনে বুঝলেন ওইডা বিরাত কুলি?
মহিলা: আরে বেশীক্ষণ টিকে নাই তো। শুরুর লগেই শ্যাষ।

সেই কুটিকালে সেঞ্চুরী মারছে

এক ট্রাইনেশান প্রোগ্রামে ঈভা রহমানের গান চলতাসিলো। বেশী বোরিং লাগায় জয়সুরিয়া, শেওবাগ আর আছড়াফুলের বউ গল্প শুরু করসে। শেওবাগের বউয়ের আবার জামাইর মতো মুখ পাতলা। সে জয়সুরিয়ার বউরে কইলো: আপনের হাসব্যান্ড তো বুইড়া হইয়া গেসে, তার গায়ে কি কুনু শক্তি আছে?
জয়সুরিয়ার বউয়ের প্রেসটিজে লাগসে তার হাসব্যান্ডরে বুইড়া কইসে। সে উত্তর দিলো: ওহে মুখরা রমণী, ভুইল্যা যাইয়োনা, সে কিন্তু অলরাউরান্ডার ব্যাটে (!) না পারলে ঠিকই বলে(!) পুষাইয়া দেয়।
শেওবাগের বউ কয়: আমার হাসব্যান্ড কিন্তু হার্ডহিটার। তার স্ট্রোকগুলান (!)….. আহ হা হা হা বলার মতো না।
আশরাফিলের বউ চিন্তা করতাসে, এইরে খাইসে। আমার জামাইতো এর কোনোটাই না, আমি কি কই? বড়ই শরমের কতা। সে এট্টু চিন্তা কইরা গলা খাকরি দিয়া কইলো: আমার হাসব্যান্ডও কিন্তু কম না। সেই কুটিকালে সেঞ্চুরী মারছে। এখন বুঝেন, তার বিচি কখন পাঁকসে।

নগ্ন মেয়ে দেখলে জমে পাথর

দুইটা বালক একদিন খেলতে খেলতে সাগর পাড়ে চলে এল। সেখানে তারা দেখতে পেল স্বল্পবসনা মেয়েরা রৌদ্রস্নানরত। হঠাত একটা বালক পিছন দিকে দৌড়ে পালাতে লাগল। অন্য বালকটি বুঝতে পারল না তার কি হয়েছে এবং কেন এভাবে দৌড়ে পালাচ্ছে। সে তার পিছন পিছন আরো জোরে দৌড়ে এসে তাকে ধরে ফেলল।
– কিরে, এভাবে দৌড়ে পালাচ্ছিস কেন?
– মা বলেছিল আমি যখন নগ্ন মেয়ে দেখব, তখন জমে পাথর হয়ে যাব।
– আরে তোর মা তোকে ভয় দেখিয়েছে।
– নারে, মেয়েদের দেখা মাত্রই একটা জায়গায় শক্ত হতে শুরু করছিল।

আল্লাহ ও বা‘ল দেবতার নামে কুরবানীর ঘটনা

পূর্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘কোহে কারমাল’ নামক পাহাড়ী উপত্যকায় সকলে সমবেত হ’ল। বা‘ল দেবতার নামে তার মিথ্যা নবীরা Continue reading “আল্লাহ ও বা‘ল দেবতার নামে কুরবানীর ঘটনা”

১৮+ জোকসঃ বৌ খাবে

কয়েকজন বন্ধুর তাসের আড্ডা শেষ হতে হতে রাত প্রায় দশটা বেজে গেলো।
তাদের মধ্যে সুজন বললো- সর্বনাশ, আজ রাতে আমার বাড়িতে কিছুই জুটবে না। বৌ নিশ্চয়ই খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে।
মিলন বললো- আমার ভাই কোন চিন্তা নেই। আমার বউ আমার জন্য অপেক্ষা করবে।
কথাটা শোনার পর সুজনের একটু হিংসেই হলো।
সে বললো- বলিস কী, তোর জন্য অপেক্ষা করবে?
: অবশ্যই।
: এখন যদি রাত এগারোটা হতো?
: তাহলেও করতো।
: যদি রাত বারোটা হতো?
: তাহলেও করতো।
: না রে, তোর দেখছি সত্যিই দারুণ কপাল! এমন লক্ষী বৌ কয়জনের ভাগ্যে জোটে!
: মোটেই না। আমি বাড়ি গিয়ে রাধলে, তারপর বৌ খাবে!

প্রেগন্যান্ট এর মানে…

টিংকু : মা মা, প্রেগন্যান্ট কি??

মা (খুব রেগে গিয়ে) : যা এখান
থেকে ফাজিল…

টিংকু ভাবল প্রেগন্যান্ট অর্থ রাগ
করা। এরপর দিন টিংকু স্কুল থেকে বাসায় আসার সময় তার ক্লাসের
একটি মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল।

মেয়েটির মা (খুব রেগে গিয়ে) :
ফাজিল, বাঁদরামি কর? দেব এক চড়!

টিংকু (খুব অবাক হয়ে) : আরে,
\
/
যা কিছু ঘটেছে আপনার মেয়ের সাথে ঘটেছে, প্রেগন্যান্ট হবে আপনার মেয়ে! আপনি কেন
প্রেগন্যান্ট হলেন??

আইজ যাইতেছি ওয়াটার কিংডমে

একবার এক ট্র্যাফিক পুলিশ দেখে কী একটা অদ্ভুত জন্তুর পিঠে এক সর্দারজী বইসা মনের সুখে হেইলা দুইলা আইতেছে । পুলিশের কাছে আইসা সর্দারজী কয়, ‘ওস্তাদ, এই জানোয়ারের জাত কী মামা?’
‘এইটারে কয় জলহস্তী, তুমি এইটার পিঠে চড়লা ক্যামনে?’
‘জলহস্তী? আমি ভাবছি এইটা বোধহয় স্থল-মহিষ । বাচপান কালে কতো চড়াইসি বাপের বাথানে! আমি হের নাম দিসি কাল্লু !’
‘তুমি শিগগির এইটারে চিড়িয়াখানায় রাইখা আসো । নাইলে খবর আছে!’
‘ঠিক হ্যায়, ওস্তাদ । অ্যাই কাল্লু! হ্যাট ! হ্যাট হ্যাট! চল্, চিড়িয়াখানায় যাই!’
পরের দিন সেই পুলিশ দেখে ঠিক সেই সর্দারজী, ঠিক সেই কাল্লু থুক্কু জলহস্তীর পিঠে মহা আয়েশ কইরা আসতেছে ।
‘সর্দারের পো! তোমারে না গতকাল কইছি জানোয়ারটারে নিয়া চিড়িয়াখানায় যাইতে?’
‘গেছিলাম তো ! কাল্লুর খুব পছন্দ হইছিল । আইজ যাইতেছি ওয়াটার কিংডমে ! অ্যাই কাল্লু! হ্যাট! হ্যাট! হ্যাট!’

সানি লিওন ও মিয়া খলিফার গরম জোকস

একবার এক মহিলা পুলিশ এক সরিষাখেতের পাশ দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিল।
হঠাৎ সে দেখলো, সানি দিদি সরিষাখেতে একটা ডিঙি নৌকা বাইতে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। ব্যাপারটা দেখে পুলিশিনী গাড়ি থামালো। Continue reading “সানি লিওন ও মিয়া খলিফার গরম জোকস”

বলটু জোকসঃ এখনো ছুইচ অন করিনি, আগেই মিউজিক শুরু করেছো… চুপ । চৈতালী বেহুঁশ।

“বল্টুর বিয়ে ও বাসর রাত”
বল্টুকে দেখতে গিয়েছিলেন কন্যার
দলের মানুষ ।
বল্টুর নাম, ঠিকানা, বাপের নাম,
পরিবারের সদস্য ইত্যাদি সব
জিজ্ঞেস করা হলো ।
এবার বল্টুকে জিজ্ঞেস করা হলো –
বাবা তুমি কি কাজ করো ? তোমার
পেষা কি ?
বল্টু :- এম, বি, বি, এস ।
এই সব শুনে সবাই পছন্দ করে দিন তারিখ
ধার্য করা হলো । এর মধ্যে বল্টুর হবু
স্ত্রী চৈতালীর বান্ধবীগন
চৈতালীকে বলেছিলেন – চৈতালী
, তুমি খুব ভাগ্যবান । তোমার হবু
স্বামী এম, বি, বি, এস ডাক্তার ।এই
শুনে চৈতালী মুচকি হাসি
দিয়েছিলেন ।
বিবাহর পর এবার বাসর রাত শুরু ।
চৈতালী বল্টুকে জিজ্ঞেস করলেন :-
আপনি হাসপাতালে কয়টায় যাবেন ?
বল্টু :- হাসপাতাল, ,,,! কেনো ? আমি
হাসপাতালে কেনো যাব ? আমার
তো কোনো বেমার নেই ,,,
চৈতালী :- এই দেখো ফাইজলামী
করবেননা ।আপনার ডিউটিতে
যাবেননা ?
বল্টু :- ডিউটি ? বেকার মানুষের
আবার কিসের ডিউটি ?
চৈতালী একটু আশ্চর্য হয়ে :- বেকার
,,,,? আপনি না বলেছিলেন আপনি
নাকি ডাক্তার ,,,?
বল্টু :-একটু চৈতালীর গায় হাত দিয়ে
বলে সোনামণি , আমি কবে
বলেছিলাম যে আমি ডাক্তার ,,,,?
এবার চৈতালী চিৎকার দিয়ে :-
খবরদার ,,,! আমার গায়ে হাত
লাগাবেননা । আগে আমার পরশনের
জবাব দেন । আপনি এটা বলেন নাই যে
আমি এম, বি, বি, এস ,,,?
বল্টু :- হা বলেছি , কিন্তু তার
মানেটা তুমি বুঝতে পারো নেই ।
চৈতালী :- তার মানে কি,,,?
বল্টু :- মানে হচ্ছে ,
এম = মা
বি = বাবার
বি = বেকার
এস = সন্তান
সব যোগ করে দেখো- আমি হলাম =
“মা বাবার বেকার সন্তান ।” এবার
চৈতালী কান্না শুরু করলো ,ও,,, ও,,,
মারে,, ও ,, ও ,বাবারে,,,,,।
বল্টু একটু জোর করে ধমক দিলেন – চুপ ,!
এখনো ছুইচ অন করিনি, আগেয়ে
মিউজিক শুরু করসোস ,,,,, চুপ ,,।
চৈতালী বেহুঁশ ,,,,,,।
বল্টুর বাসর রাতে এই অবস্থা দেখে
বল্টু মনের দুঃখে গান গাইতে শুরু
করলেন –
“হায়রে হায় ,,,,
প্রান উড়ে যায় ,,,,
বাসর রাতে ,
আমার বউ চৈতালী,
বেহুঁশ হয়ে যায় ,
এখন আমি বাসর করি,
কার সঙ্গে এ,,,,,, বং,
কোথায় ,?”
এবার বল্টুর হার্ট ফেইল ।
এবার বল্টুর গানের মধূর আওয়াজ শুনে
চৈতালীর হঠাৎ করে জ্ঞান ফিরে
এলো ,
এবার চৈতালী গান টান মারছে ,
হায় রে হায় ,,,,
বাসর রাত নাহি করিতে আমার
স্বামীর
হার্ট ফেইল হয়ে যায় ।
স্বামী আমার মারা গেলেন রে,
ইংরেজী ভাষা যে বানাইছে তার
বিচায় ,
লাথি মারো রে,
লাথি মারো রে, ।
তাই আমি বলি ,
বাংগালী ভাষা ,
আমার জানের জান ,
সারা বিশ্বের মাঝে,
এইটা প্রচার চালান ,
প্রচার চালান,
প্রচার চালান ।

বাসর রাত
বাসর রাতে স্বামী তাঁর বউয়ের চোখে বারবার চুমু দিচ্ছে…এতে বউ খানিকটা বিব্রত হয়ে স্বামীকে জিজ্ঞাসা করলো…

বউঃ “আচ্ছা, সত্যি বলতো বারবার এতো চোখে চুমু দিচ্ছ কেন?”

স্বামীঃ “তোমার চোখ হলো আমার কাছে ভালোবাসার বই, যতই দেখি ততবার শুধু পাঠ করতে মন চায়”

বউঃ “নিচে লাইব্রেরীতে আগুন জ্বলছে,আর
তুমি বই নিয়ে ব্যস্ত” !!!!
ডাকাতের মেয়ে জুলখা……..

ট্রেন ডাকাতি হচ্ছে ….

ডাকাতঃ এই তর নাম কি ?
১ম যাত্রীঃ সুমন ।
ডাকাতঃ যা আছে সব দিয়া দে ।
সুমন সব কিছু দিয়ে দিল ।

ডাকাতঃ এই আপনার নাম কি ?
২য় যাত্রীঃ জুলেখা ।
ডাকাতটি আবেগআপ্লুত হয়ে বললঃ জুলেখা আমার মায়ের নাম ছিল । আপনি সসস্মানে মুক্ত ।

ডাকাতঃ এই তর নাম কি ?
.
.
.
.
.
৩য় যাত্রীঃ উদয় । লোকে আদর করে জুলেখা বলে ডাকে

বাসর রাতের জোকস , বউ :আরেক বার একটু

বাসর রাতে মিথুন তো খুব কনফিউজড! বউয়ের সঙ্গে যে কী কথা বলবে? আধাঘণ্টা অনেক চিন্তা-ভাবনা করার পর
মিথুন তার বউকে বলল- Continue reading “বাসর রাতের জোকস , বউ :আরেক বার একটু”

দেবর ভাবীর জোকস: রাত ১২ টায় ভাবীকে ফোন করেছে দেবর


রাত ১২ টায় ভাবীকে ফোন করেছে – দেবর: ভাবি , একটু আমার রুমে আসো না, জরুরী কাজ আছে। ভাবি : আমি এখন আসতে Continue reading “দেবর ভাবীর জোকস: রাত ১২ টায় ভাবীকে ফোন করেছে দেবর”

জোকসঃ আমার বউ শালা চায়না মোবাইল,এক রাইতেই ঝুইলা গেছে…

বাসর রাতের পরে কয়েকজন মোবাইল বিক্রেতার কমেন্টস

১ম জনঃ আমার বউ তো ১১১০, যেমনে খুশি তেমনি কর ।
২য় জনঃ আমার বউ তো ৩৩১০, ৩৬ বছরের
পুরান মডেল ।
৩য় জনঃ আমার বউ তো
N95, একটু আদর কইরা চালাইতে হয় ।
৪র্থ জনঃ আমার বউ
তো ব্লাকবেরী, সবকিছুই
পাই কিন্তু একটু জটিল । ৫ম জনঃ আমার বউ তো ডাবল সিম, কখনও
সামনে কখনো পিছে ।
৬ষ্ঠ জনঃ আমার বউ
শালা চায়না মোবাইল,এক
রাইতেই ঝুইলা গেছে…
৭ম জনঃ(কাদতে কাদতে)
@
“অই দোস্তরা আমার সেট
সেকেন্ড হ্যান্ড বাইরাইছে!!
কেঠা জানি আগেই কয়েকবার খুলছিলো”

মশা তও্ব

রাতের বেলা চান্দু ঘুমাতে গেলো!!
মশার কামড়ে অতিষ্ঠ
হয়ে সে মশারি টানালো!!
কিন্তু ভুলক্রমে
একখানা জোনাকি পোকামশারির ভেতর ঢুকে পড়ল!!
বাতি নিভানোর পরে চান্দু যখন জোনাকিটা দেখিল তখন
হাহাকার করে উঠে বললঃ
.
“হায় হায়!! মশা তো আমারে টর্চলাইট জ্বালাইয়া খুজতেসে!! আমি এখন কই
যাই??”

ইন্টারভিউ কি মজা

 চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ। শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব—
প্র.: কংক্রিটের মেঝেতে ডিম ফেলবেন, কিন্তু ফাটবে না—কীভাবে করবেন এটা?
উ.: কংক্রিটের মেঝে আসলে খুব শক্ত
, ফাটার কোনো আশঙ্কাই নেই!
প্র.: একটা দেয়াল বানাতে আটজন মানুষের যদি ১০ ঘণ্টা লাগে, চারজন মানুষের কত সময় লাগবে?
উ.: কোনো সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটা ততক্ষণে তৈরি হয়ে যাবে!
প্র.: আপনার এক হাতে যদি তিনটি আপেল ও চারটি কমলা থাকে, আর আরেকটি হাতে থাকে চারটি আপেল ও তিনটি কমলা; তাহলে কী পেলেন আপনি?
উ.: বিশাল বড় হাত।
প্র.: এক হাতে একটা হাতিকে কীভাবে ওপরে তুলবেন?
উ.: এক হাতের আটবে এমন হাতিকে জীবনেও খুঁজে পাবেন না!
প্র.: একজন মানুষ কী করে আট দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে?
উ.: কোনো সমস্যা নেই, সে রাতে ঘুমাবে!
প্র.: নীল সাগরে যদি একটা লাল পাথর ছুড়ে মারেন, কী হবে?
উ.: যা হওয়ার তা-ই, পাথরটি ভিজে যাবে অথবা ডুবে যাবে টুপ করে।
প্র.: কোন জিনিসটি দেখতে একটি অর্ধেক আপেলের মতো?
উ.: আপেলের বাকি অর্ধেকটি।
প্র.: ব্রেকফাস্টে কোন জিনিসটা কখনোই খেতে পারেন না আপনি?
উ.: ডিনার।
প্র.: বে অব বেঙ্গল কোন স্টেটে অবস্থিত?
উ.: লিকুইড।
পয়লা ধাক্কায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল তরুণ। শুরু হলো দ্বিতীয় পর্ব। প্রশ্নকর্তা বললেন, ‘আপনাকে আমি ১০টি পানির মতো সহজ প্রশ্ন করব অথবা কেবল একটা প্রশ্ন করব লোহার মতো কঠিন। উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন, কোন অপশন বেছে নেবেন আপনি।’ তরুণ কিছুক্ষণ ভাবনার চৌবাচ্চায় সাঁতার কাটল। তারপর বলল, ‘কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।’ প্রশ্নকর্তা হেসে বললেন, ‘ভালো, শুভকামনা আপনার জন্য। আপনি আপনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এবার বলুন, কোনটা প্রথমে আসে—দিন না রাত?’
তরুণের বুকে ঢাকের বাড়ি। কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তার। এই প্রশ্নের উত্তরেই ঝুলে আছে তার চাকরিটা। এবার ভাবনার সাগরে ডুব দিল সে। উত্তরে বলল, ‘দিন প্রথমে আসে, স্যার!’
‘কীভাবে?’ প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন।
‘দুঃখিত, স্যার, আপনি ওয়াদা করেছিলেন, দ্বিতীয় কোনো কঠিন প্রশ্ন করবেন না আমাকে!’
চাকরি পাকা হয়ে গেল তরুণের!