দুপুরের জোকসঃ “এখনই সময়, যা করার তোমার ভাই আসার আগেই করতে হবে।”

অনেক দিন পর ছোট ভাই শহরে এসেছে বড় ভাইয়ের বাসায়। বাসায় বড় ভাই আর ভাবী থাকেন। দুই ভাই আবার পেটুক টাইপের। ছোট ভাই বড় ভাইকে ভয়ও পায় ভালোই।

সেদিন ভাবি সুন্দর করে পায়েস রান্না করলেন। বড় ভাই অর্ধেকটা খেয়ে ফ্রিজের মধ্যে রাখতে রাখতে বললেন, “ডিউটি থেকে ফিরে এসে বাকিটুকু খাব, কেউ যেন হাত না দেয়।”
ওদিকে ছোট ভাই পায়েসের লোভ সামলাতে পারছিল না। বড় ভাই রাতে চলে গেলেন নাইট শিফট ডিউটি করতে। রাতে বেশ প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হলো। একটি রোমান্টিক মুহুর্ত। কিন্তু এই মূহুর্তে স্বামী পাশে নেই।

বউ অনেক্ষণ বিছানায় ছটফট করতে করতে না পেরে ঘরের বাইরে বের হয়ে উঠানে গিয়ে বৃষ্টির জলে শরীর ভেজাল। তারপর শরীরের সব কাপড় খুলে চলে গেল দেবরের ঘরের দিকে।

দেবরের ঘরের দরজায় টোকা দিতে দেবর দরজা খুলে দিয়ে দেখে ভাবী নগ্ন হয়ে তার সামনে দাড়িয়ে আছে। ভাবি দেবরকে বলল, “এখনই সময়, যা করার তোমার ভাই আসার আগেই করতে হবে।”
দেবর বলল, “সত্যি ভাবি? তুমি খুব ভাল।” এ কথা বলে দেবর ভাবিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে রান্না ঘরে গিয়ে ফ্রিজ খুলে পায়েস বের করে সব খেয়ে নিল।

এক রাতে স্বামী তার স্ত্রীকে
রাগানোর জন্য বলছে-
স্বামী : কাল রাতে আমার স্বপ্নে
খুব সুন্দরী একটা মেয়ে আসছিলো।
স্ত্রী : মেয়েটা নিশ্চয়ই একা
আসছিলো?
স্বামী : হ্যাঁ! কিন্তু তুমি কিভাবে
জানলে?
স্ত্রী : কারণ, ওর স্বামী আমার
স্বপ্নে আসছিলো।

দুই পিচ্চির মধ্যে কথা হচ্ছে-

১ম পিচ্চি : জানিস, কাল রাতে স্বপ্নে দেখি আমি ফায়ার সার্ভিসে চাকরি পাইছি। পরে এক বাসায় আগুন নিভাইতাছি!

২য় পিচ্চি : দারুণ তো! তারপর কী হল দোস্ত?

১ম পিচ্চি : কী আর হবে? ঘুম থেকে উঠে দেখি কাজ শেষ!

২য় পিচ্চি : কেন রে, কী হইছিল?

১ম পিচ্চি : আর বলিস না, দেখি বিছানা ভিজে গেছে…

দেবর ভাবীকে যে কারণে শাড়ি খুলতে বলে : দেবর ভাবীর এক গুচ্ছ জোকস

সাকিব প্রতিদিন গঙ্গাস্নান করতে যায় । পথে প্রতিদিন তার মাথায় লাগে এক ভিজা শাড়ি । শাড়ি টা ছিল তার ভাবীর। দোতলা বাড়ির খোলা বারান্দার রেলিঙ থেকে তার ভাবি সকালে স্নান করে তার শাড়িটি ঝুলিয়ে দেয় সকালের Continue reading “দেবর ভাবীকে যে কারণে শাড়ি খুলতে বলে : দেবর ভাবীর এক গুচ্ছ জোকস”

জোকস ;গার্লফ্রেন্ড জান, আমি তোমার কি

গার্লফ্রেন্ডঃ জান, আমি কি তোমার
কাছে কোনদিন কোনকিছু চেয়েছি ??
বল্টুঃ না তো।
গার্লফ্রেন্ডঃ এখন চাই?
বল্টুঃ চাও।
গার্লফ্রেন্ডঃ ডার্লিং, তোমার এই
ডায়মন্ডের রিংটা আমায় দিয়ে দাও না?
বল্টুঃ কেন সোনা?
গার্লফ্রেন্ডঃ আমি প্রতিদিন এই
রিংটার দিকে তাকিয়ে তোমার কথা
মনেকরব।
বল্টুঃ তুমি তো আমার কথা অন্যভাবেও
মনে করতে পার।
গার্লফ্রেন্ডঃ কীভাবে???
বল্টুঃ তুমি ভাববা, আমি ডায়মন্ডের
রিংটা চাইছিলাম, কিন্তু শয়তান
পোলাটা দেয় নাই !!!
হাঃ হাঃ হাঃ গার্লফ্রেন্ড শকড

জোকস;এক মেয়েকে I LOVE YOU”লিখে চিঠি দিল

ক্লাস 10 এর এক ছাত্র,,
ঐ ক্লাসের এক মেয়েকে,,”
I LOVE YOU”লিখে চিঠি দিল..
মেয়েটি রেগে গিয়ে চিঠি,,
স্যারকে
দেখালো,,
চিঠি পড়ার পর স্যার,, ছেলেটিকে
অনেক
পেটালো।
.অভিমানী ছেলেটি কয়েক,,দিন
আর
স্কুলেই
গেলনা।.
ইতিমধ্যে ছেলেটির প্রতি,,
মেয়েটিরও মায়া
হয়ে গেল।
আর সেও ছেলেটির,,প্রেমে পড়ে
গেল।.
একদিন মেয়েটি ছেলেটির,, একটি
বই
এর,,শেষের পৃষ্ঠায়,,”
I Love You Too”লিখে দিলো,,.
কিন্তু ছেলেটির মন কিছু,, তেই গলল
না,
মেয়েটি ২ বছর ধরে রিপ্লাইয়ের,,
অপেক্ষায়
থাকল,
কিন্তু ছেলেটি আর,, রিপ্লাইই
দিলনা,,.
বলেনতো কেন…??
.
.
.
.
.
.
.
.
আসলে মেয়েটির বুঝাউচিত ছিল..!!!
কিছু কিছু ছেলেরা বই-এর শেষের
পৃষ্ঠা,,খোলা তো দুরের কথা .??
বই-ই খুলে দেখেনা..! এক্সাম ছাড়া আর শেষের পৃষ্ঠায় পড়া তো দূরের কথা পরীক্ষার আগের দিন রাতে ফ্রেন্ড কে জিজ্ঞেস করে দোস্ত কাল কি পরীক্ষা রে :

স্বামী স্ত্রী জোকসঃ না, চুমু খাওয়া শুরু করতে হবে না। পুরুষেরা এ কাজ খুব পারে।

‘তুমি আমাকে সত্যিই ভালোবাসো?’ একদিন সে জিজ্ঞেস করল স্বামীকে।
‘এ ধরনের প্রশ্ন করে তুমি কিন্তু আমাকে অপমান করছ।’ আহত স্বরে বলল স্বামী, ‘এত দিন একসঙ্গে ঘর করার পর…।’
‘তাহলে তুমি কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করে দেখাও। … না, চুমু খাওয়া শুরু করতে হবে না। পুরুষেরা এ কাজ খুব পারে। তারচেয়ে বলো, আমার মনমেজাজ সব সময় ভালো থাক, তা কি তুমি চাও?’
‘অবশ্যই চাই।’
‘মুখের চামড়ার সুন্দর রং?’
‘নিশ্চয়ই।’
‘কাজ থেকে ফিরে এসে যেন ক্লান্ত হয়ে না পড়ি?’
‘অবশ্যই।’
‘তুমি কি চাও, আমার পরনে সব সময় লেটেস্ট ফ্যাশনের পোশাক থাক?’
‘চাই।’
‘আমার স্বামীর কারণে আমাকে যেন লজ্জা পেতে না হয়, বরং তাকে নিয়ে যেন গর্ব করতে পারি?’
‘খু-উ-ব চাই।’
‘যেন সে আমাকে নিজের মার্সিডিজে চড়িয়ে থিয়েটারে নিয়ে যায়?’
‘চাই, কিন্তু শুধু আমার ভালোবাসা দিয়ে কি এত কিছু সম্ভব হবে?’
‘আমি কিন্তু তোমার কাছে অসম্ভব কিছু দাবি করছি না। তবে এই শুভকামনাগুলো তোমার যদি আমার জন্য সত্যিই থেকে থাকে এবং তুমি যে রকম বলছ, যদি সে রকম আমাকে ভালোবাসো…।’
‘অবশ্যই বাসি।’
‘তাহলে এক্ষুনি আমাকে ডিভোর্স দাও।’

পাগলে কী না করে

স্বামীর সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে স্ত্রী বলল, তুমি সত্যি বলছ ? আমি মরলে তুমি পাগল হয়ে যাবে ?
: হ্যাঁ সত্যি, স্বামী বলল। তুমি মরে গেলে আমি সত্যিই পাগল হয়ে যাব।
: থাক আর বোলো না । অনেক মিথ্যে কথা বলেছ । খুব জানি, আমি মরলে তুমি আবার বিয়ে করতে ছুটবে।
স্বামী বলল, পাগলে কী না করে ….

যদি টাকা-পয়সা না থাকত

থাইল্যান্ডে হানিমুনে গেছে এক দম্পতি— স্বামী: আজ যদি আমার এত টাকা-পয়সা না থাকত, হয়তো আমরা এই বিলাসবহুল হোটেলে থাকতে পারতাম না। স্ত্রী: হ্যাঁ। হয়তো আমাদের থাইল্যান্ডেও আসা হতো না। তার চেয়ে বড় কথা, এসব কথা বলার জন্য আমাকেও পাশে পেতে না!

যদি বলি…

নববিবাহিতা দম্পতির মাঝে কথা হচ্ছে। স্ত্রী : যদি বলি আমার উপরের পাটির দাঁতগুলো বাঁধানো, তবে কি তুমি রাগ করবে? স্বামী : মোটেই না, আমি তবে নিশ্চিন্তে আমার পরচুলা আর কাঠের পা-টা খুলে রাখতে পারব।

জোকসঃ স্ত্রী : উফ অন্ধ নাকি তুমি, দেখতে পাও না ?

ঘরে ঢুকতে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে স্বামীর গায়ে ধাক্কা লাগল- স্ত্রী : উফ অন্ধ নাকি তুমি, দেখতে পাও না ? স্বামী : অন্ধ না হলে কি আর তোমাকে বিয়ে করি।

অন্য পুরুষের সঙ্গে

এক ভদ্রলোক সিনেমা হলের ম্যানেজারকে বলল ‘দেখুন আমার স্ত্রী ভিতরে অন্য পুরুষের সঙ্গে ছবি দেখছে। দয়া করে ওকে হল থেকে বের করে দিন ।’ ম্যানেজার হলে গিয়ে চিৎকার করে বলল, “কোনো একজন মহিলা অন্য পুরুষের সঙ্গে ছবি দেখছেন, তার স্বামী বাইরে অপেক্ষা করছেন, দয়া করে বাইরে আসুন।’’ মুহুর্তে সমস্ত হল খালি হয়ে গেল।

অমন কথা সবাই বলে

ম্যানেজার তার নতুন সেক্রেটারীকে বললো, আমি এখন এক জরুরী মিটিং-এ ব্যস্ত থাকবো । কোন ফোন এলে পরে করতে বলবে ।
সেক্রেটারীঃ জরুরী কথা থাকলে?
ম্যানেজারঃ যে কথাই হোক তুমি স্রেফ না বলে দেবে। বলবে অমন কথা সবাই বলে । যা হোক আমি এখন কথা বলতে চাই না । হ্যাঁ মনে থাকে যেন । বলবে অমন কথা সবাই বলে।
ম্যানেজার যেতেই সেক্রেটারী ফোন রিসিভ করতে লাগলো এবং না করে দিলো কিন্তু ওপাশের মহিলা জরুরী ভীষন জরুরী কথা ইত্যাদি বলে কিন্তু সেক্রেটারীকে গলাতে না পেরে বলেই ফেললো আমি তার স্ত্রী কথা বলছি…
সেক্রেটারী অধৈর্য কন্ঠে বললো, অমন কথা সবাই বলে…

২০তম বিবাহবার্ষিকী

মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল স্ত্রীর। চোখ পিটপিট করে তাকিয়ে দেখলেন, স্বামী বিছানায় নেই। বিছানা থেকে নেমে গায়ে গাউন চাপালেন তিনি। তারপর স্বামীকে খুঁজতে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এলেন।
বেশি খুঁজতে হলো না। রান্নাঘরের টেবিলেই বসে থাকতে দেখা গেল স্বামীপ্রবরকে। হাতে গরম এক কাপ কফি নিয়ে দেয়ালের দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, গভীর কোনো চিন্তায় মগ্ন। মাঝেমধ্যে অবশ্য হাতের রুমাল দিয়ে চোখ থেকে পানি মুছে নিচ্ছেন, তারপর কফি খাচ্ছেন।
‘কী হয়েছে তোমার?’ রান্নাঘরে ঢুকতে ঢুকতে চিন্তিতভাবে বললেন স্ত্রী। ‘এত রাতে রান্নাঘরে কেন?’
স্বামী তাঁর স্ত্রীর দিকে তাকালেন। তারপর গম্ভীর হয়ে বললেন, ‘হঠাৎ ২০ বছর আগের কথা মনে পড়ল। খেয়াল আছে তোমার, যেদিন আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল। আর তার পর থেকেই তো আমরা ডেট করতে শুরু করেছিলাম। তোমার বয়স ছিল ষোলো। তোমার কি মনে পড়ে সেসব?’
স্ত্রী তাঁর স্বামীর চোখের পানি মুছে দিতে দিতে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই মনে আছে।’
স্বামী একটু থেমে বললেন, ‘তোমার কি মনে আছে, পার্কে তোমার বাবা আমাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেছিলেন?’
‘হ্যাঁ, আমার মনে আছে।’ একটা চেয়ার নিয়ে স্বামীর কাছে বসতে বসতে বললেন স্ত্রী।
স্বামী আবার বললেন, ‘মনে আছে, তোমার বাবা তখন রেগে গিয়ে আমার মুখে শটগান ধরে বলেছিলেন, ‘এক্ষুনি আমার মেয়েকে বিয়ে করো, নয়তো তোমাকে ২০ বছর জেল খাটাব আমি।’
স্ত্রী নরম সুরে বললেন, ‘আমার সবই মনে আছে।’
স্বামী আবার তাঁর গাল থেকে চোখের পানি মুছতে মুছতে বললেন, ‘আজকে আমি জেল থেকে ছাড়া পেতাম।’

স্বামী স্ত্রীর একগুচ্ছ হাসির জোকস

এক লোক থানায় গেলো, তার বাসায় গত রাতে যে চোর ঢুকেছে,তার সাথে কথা বলতে চাইলো।
পুলিশ বলল,”সেই সুযোগ তোমাকে আদালতে দেয়া হবে।”
লোকটির জবাব, “না না…. Continue reading “স্বামী স্ত্রীর একগুচ্ছ হাসির জোকস”

মজার জোকসঃ আস্তে করে দুটি আঙ্গুল ভিতরে ঢুকান

আলতো করে ধরুন। আস্তে করে দুটি আঙ্গুল ভিতরে ঢুকান। যদি বেশি বড় হয় তবে তিনটি আঙ্গুল ঢুকাতে পারেন। দেখে নিবেন এটা যেন ভেজা থাকে, এবার আস্তে করে উপর নিচে ঘষতে থাকুন।

হ্যা এভাবেই কাপ পরিষ্কার করতে হয়।

বাবা তার ১৩ বছরের মেয়ের রুম এ ঢুকে দেখল

বাবা তার ১৩ বছরের মেয়ের রুম এ ঢুকে দেখল সে সিগারেট খাছছে।
বাবা ঃ হায় আল্লাহ তুমি কবে থেকে সিগারেট খাও?
মেয়ে ঃ যেদিন আমি আমার সতীত্ব হারয়েছি সেদিন থেকে।
বাবা ঃ মূর্ছা খেয়ে বলল , তুমি সতীত্বও হারিয়েছ? কবে?
মেয়ে ঃ মনে নাই, তখন আমি মদ খেয়ে মাতাল ছিলাম।
বাবা অজ্ঞান হয়ে গেল।

ছবি তুলব তো, তাই গর্ত খুঁড়ছি।

হাফ ছবি
এক লোক কোদাল দিয়ে গর্ত খুঁড়ছে। পাশ
দিয়েই যাচ্ছিল এই গ্রামের আরেক লোক।
সে জিজ্ঞেস করল, ‘কিরে, গর্ত খুঁড়ছিস
কেন?’
ছবি তুলব তো, তাই গর্ত খুঁড়ছি।’
‘ছবি তোলার জন্য গর্ত খুঁড়ছিস, মানে? হয়েছে কী, আমার হাফ ছবি তুলতে হবে।আর
জানিস তো,হাফ ছবি বুক পর্যন্ত হয়।
তাই গর্তে নেমে ছবি তুলব।যাতে শুধু
বুক পর্যন্ত ওঠে।এবার দ্বিতীয় জন
বিষয়টা বুঝতে পেরে বলল,তা কয়
কপি ছবি তুলবি?প্রথম জন জানাল,তিন
কপি।
দ্বিতীয় জন রেগে গিয়ে বলল,আরে বোকার
বোকা! তিন কপি ছবি তুললে একটা গর্ত
খুঁড়ছিস কেন। আরও দুইটা খোঁড়।

জোকস: স্বামী কেন ভাশুর?

স্বামীর মৃত্যুর কয়দিন পরেই এক মহিলা তার দেবরকে বিয়ে করে ফেললেন।
তার বান্ধবীদের অনেকেই ব্যাপারটা মনঃক্ষুন্ন হল।
একদিন মহিলার বাড়িতে Continue reading “জোকস: স্বামী কেন ভাশুর?”

জান আর না। এইবার ঘুমাতে দাও না।

মেয়ে : জান আর না। এইবার ঘুমাতে দাও না। সারারাত তো করলা
ছেলে: আজকে কোনো থামাথামি নাই। সারারাত চলবে
মেয়ে: আর পারছিনা সোনা। আর কত?
ছেলে: এতেই TIRED হয়ে গেছ।মাত্র তো ২০০ বার করলাম
মেয়ে: আজকের মত ছেড়ে দাও না জান:

ছেলে: OK. আর৫০ টা sms করবো। FREE SMS পাইছি শেষ করতে হবে তো।

এক মেয়ের বিয়ে হলো বাস হেল্পারের সাথে

এক মেয়ের বিয়ে হলো বাস হেল্পারের সাথে। বাসর রাতের পরদিন:
এক বান্ধবী মেয়েকে জিগ্গাসা করলো: কিরে মনু, কালকে রাতে কেমন হলো?
মেয়ে তো হেভী ফায়ার: বলিস না আর আমার পাছা ব্যাথা করে দিসে।
বান্ধবী বলে: বলিস কি প্রথম রাতেই পাছায়?
মেয়ে বলে: আরে না সারারাত ওস্তাদ ডাইনে চাপেন আর ওস্তাদ বামে চাপেন কইয়া পাছা থাবড়াইসে।

চিকিৎসক ও রোগীর মধ্যে কথা হচ্ছে—

রোগী: আচ্ছা, আমি হাসপাতালে কেন? কীভাবে এখানে এলাম?
চিকিৎসক: সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর আপনাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।
রোগী: কী ঘটেছিল?
চিকিৎসক: ওসব বাদ দেন। আপনার জন্য একটি সুসংবাদ ও একটি দুঃসংবাদ আছে। বলেন কোনটা আগে শুনতে চান?
… রোগী: দুঃসংবাদটিই আগে শুনি।
চিকিৎসক: হুম্ম। দুর্ঘটনায় আপনার পা দুটিতে প্রচণ্ড আঘাত লেগেছিল। তাই আপনার দুটি পা-ই কেটে ফেলতে হয়েছে।
রোগী: হায়! আর সুসংবাদটি কী?
চিকিৎসক: সুসংবাদটি হলো, পাশের ওয়ার্ডের এক রোগী আপনার স্যান্ডেল জোড়া চড়া দামে কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন। এই অফারে বেচবেন কি না, ভেবে দেখেন। কারণ, এ সুযোগ আর পাবেন না।