যে ভুলগুলো করলে আপনার সন্তানও হিজড়া হবে ! সময় থাকতে জেনে নিন

প্রকৃতপক্ষে, ট্রান্সজেন্ডার লোকজন তারা যাদের পুরুষ এবং মহিলাদের থেকে আলাদা হয় । ডাক্তারদের মতে ট্রান্সজেন্ডার মানুষেদের মধ্যে পুরুষ ও নারীর বৈশিষ্ট্য একসাথে থাকে। উপরে প্রদর্শিত পুরুষের মতন একজন ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ অঙ্গ এবং গুণাবলী মেয়েদের মতন হতে পারে, আবার উপরের দিক থেকে প্রদর্শিত কোন মহিলার পুরুষের গুণাবলী এবং অঙ্গ থাকতে পারে। ডাক্তারদের মতে, গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসের মধ্যে শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ হয়, এমন সময়ে যদি মা কম সাবধান হয় তাহলে শিশুটির মধ্যে একজন নারী ও একজন পুরুষ উভয়ের গুণাবলি সৃষ্টি হতে পারে। আজ আমরা আপনাকে বলি গর্ভাবস্থায় কি কি সাবধানতা অবলম্বন করলে আপনি আপনার সন্তানকে ট্রান্সজেন্ডার হবার হত থেকে বাঁচাতে পারেন। চলুন শুরু করা যাক ।জ্বর একটি প্রধান কারণ, গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে জ্বর আসা বা ভারী ওষুধ গ্রহণ করা শিশুর লিঙ্গ পরিবর্তনের কারণ হতে পারে, তাই এই সময় আপনার বিশেষ মনোযোগ দেওয়া দরকার ।

বিষাক্ত খাদ্য : গর্ভাবস্থার সময় যদি মহিলা বেশি ফল বা সবজি যেমন বিষাক্ত খাদ্য (রাসায়নিকভাবে দেওয়া বা কীটনাশক) খাওয়া হয়, এটি শরীর গঠনকে প্রভাবিত করে, যার ফলে শিশুটি ট্রান্সজেন্ডারে পরিণত হতে পারে। দুর্ঘটনা বা রোগ: যদি গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসের মধ্যে কোন দুর্ঘটনা বা বড় রোগ হয়ে থাকে তো তবে এর কারণে শিশুর ক্ষতি হতে পারে। গর্ভপাতের ঔষধ নেওয়া: যদি মহিলা কোন ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই কোনো ঘরোয়া গর্ভপাতের ঔষধ গ্রহণ করে বা প্রতিকার গ্রহণ করে, তাহলে এটি একটি ট্রান্সজেন্ডার শিশু হওয়ার কারণ হতে পারে। জেনেটিক ডিসঅর্ডার : ১০-১৫% ক্ষেত্রে জেনেটিক ডিসঅর্ডারের কারণে শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণে একটি বড় প্রভাব রয়েছে। এই ছাড়াও ট্রান্সজেন্ডার শিশু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইডিওপ্যাথিক হয়, যার মানে তাদের কারণ জানা যায় না। শারীরিক সংযোগ : এই ছাড়াও, গর্ভাবস্থার চতুর্থ মাসের পরও যদি শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয় তবে সন্তানের ট্রান্সজেন্ডার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এইটার কারণ তো আপনি জেনে নিয়েছেন, কিন্তু এখন এটির থেকে প্রতিরোধ করার উপায়ও জেনে নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *